
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ভারতীয় আগ্রাসন ও ভারতীয় পণ্য বর্জন আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা। এ সময় নেতারা রিজভী আহমেদ ও বিএনপির অন্য নেতাদের ভারতীয় পণ্য বর্জনের আহ্বান সংবলিত টি-শার্ট হাতে তুলে দেন।
ভারতের সহায়তায় গত ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশে নির্বাচনের নামে এক অদ্ভুত নাটক মঞ্চায়িত করেছে ডামি সরকার। ভারত একটি গণবিরোধী দখলদার শক্তিকে বারবার মদদ জোগাচ্ছে।
ফলে অধিকারবঞ্চিত হচ্ছে বাংলাদেশের জনগণ এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে পড়ছে।
অপরদিকে সীমান্তে বাংলাদেশিদের বিএসএফ পাখির মতো গুলি করে মানুষ হত্যা করছে প্রতিনিয়ত। এর প্রতিবাদ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভারতীয় পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে বিভিন্ন সংগঠন ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টরা। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল -বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী ২১ মার্চ ভারতীয় পণ্য বর্জন কর্মসূচির প্রতি সংহতি জানিয়েছেন।
এবার বিএনপির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে ভারতীয় পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে ১২ দলীয় জোট। সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন শাহাদাত হোসেন সেলিম, মুখপাত্র-১২ দলীয় জোট, সৈয়দ এহসানুল হুদা, সমন্বয়ক-১২ দলীয় জোট, আহসান হাবিব লিঙ্কন, মহাসচিব-জাতীয় পার্টি, মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম-মহাসচিব, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, রাশেদ প্রধান-সিনিয়র সহসভাপতি, জাগপা, ফারুক রহমান-চেয়ারম্যান, লেবার পার্টি ও সামসুদ্দিন পারভেজ, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি।

ভারতীয় আগ্রাসন ও ভারতীয় পণ্য বর্জন আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী আহমেদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা। এ সময় নেতারা রিজভী আহমেদ ও বিএনপির অন্য নেতাদের ভারতীয় পণ্য বর্জনের আহ্বান সংবলিত টি-শার্ট হাতে তুলে দেন।
ভারতের সহায়তায় গত ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশে নির্বাচনের নামে এক অদ্ভুত নাটক মঞ্চায়িত করেছে ডামি সরকার। ভারত একটি গণবিরোধী দখলদার শক্তিকে বারবার মদদ জোগাচ্ছে।
ফলে অধিকারবঞ্চিত হচ্ছে বাংলাদেশের জনগণ এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে পড়ছে।
অপরদিকে সীমান্তে বাংলাদেশিদের বিএসএফ পাখির মতো গুলি করে মানুষ হত্যা করছে প্রতিনিয়ত। এর প্রতিবাদ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভারতীয় পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে বিভিন্ন সংগঠন ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টরা। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল -বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী ২১ মার্চ ভারতীয় পণ্য বর্জন কর্মসূচির প্রতি সংহতি জানিয়েছেন।
এবার বিএনপির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে ভারতীয় পণ্য বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে ১২ দলীয় জোট। সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন শাহাদাত হোসেন সেলিম, মুখপাত্র-১২ দলীয় জোট, সৈয়দ এহসানুল হুদা, সমন্বয়ক-১২ দলীয় জোট, আহসান হাবিব লিঙ্কন, মহাসচিব-জাতীয় পার্টি, মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম-মহাসচিব, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, রাশেদ প্রধান-সিনিয়র সহসভাপতি, জাগপা, ফারুক রহমান-চেয়ারম্যান, লেবার পার্টি ও সামসুদ্দিন পারভেজ, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
১৯ ঘণ্টা আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
১৯ ঘণ্টা আগে
বিক্ষোভ মিছিলটি মিরপুরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান।
২০ ঘণ্টা আগে
সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছেন বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল। সোমবার (২২ জুন) জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী কোনো দলের বাংলাদেশের রাজনীতিতে থাকার অধিকার নেই।
১ দিন আগে