
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গণতন্ত্র মঞ্চের কর্মসূচিতে পুলিশি হামলার ঘটনায় দেওয়া পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যকে ‘সত্যের অপলাপ’ বলে মন্তব্য করেছেন মঞ্চের নেতারা। তারা বলেছেন, জনগণের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য সত্যের অপলাপ। তিনি এই ডামি-সিন্ডিকেটের অগণতান্ত্রিক সরকারের গদি রক্ষার্থে এখন সব বিষয়েই কথা বলা শুরু করছেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য কমানোর দাবির শান্তিপূর্ণ সমাবেশকে তিনি বলছেন, ‘বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্য’ নাকি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের কার্যালয়ে গণতন্ত্র মঞ্চের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, ভাসানী অনুসারী পরিষদের যুগ্ম সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান রিজু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের অর্থ বিষয়ক সমম্বয়ক দিদারুল আলম।
সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার যে পুলিশের মাধ্যমে দমন-পীড়ন করেই তার লুন্ঠনের রাজত্ব টিকিয়ে রাখতে চায়, তার প্রকৃত উদাহরণ গতকালকের হামলা। এই মুহূর্তে জনগণের প্রাণের দাবি দ্রবমূল্য কমাতে হবে। সেই দাবিতে সমাবেশে সরকারের পুলিশ নির্বিচার হামলা করে,ভয়-ভীতি দেখিয়ে জনগণের গণতান্ত্রিক সংগ্রামকে দমিয়ে রাখতে চায়।
নেতৃবৃন্দ, মন্ত্রীর এই মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা জানান এবং একইসঙ্গে লুটপাটের সঙ্গে জড়িত সিন্ডিকেট টিকিয়ে রাখতেই যে ওনারা এত মরিয়া হয়ে আবোল-তাবোল বলছেন, গতকালের হামলাই সেটা প্রমাণ করে। আমরা বহুবার বলেছি- সিন্ডিকেটের মূল হোতাই এই সরকার, ফলে তারা সিন্ডিকেট টিকিয়ে রাখছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা পরিষ্কার করে বলতে চাই হামলা-নির্যাতন করে জনগণের সংগ্রাম থামানো যাবে না। এই সংগ্রাম আরো শক্তি ধারণ করে এই লুটেরা সরকারকে উচ্ছেদ করে একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের কর্মসূচিতে পুলিশি হামলার ঘটনায় দেওয়া পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যকে ‘সত্যের অপলাপ’ বলে মন্তব্য করেছেন মঞ্চের নেতারা। তারা বলেছেন, জনগণের গণতান্ত্রিক সংগ্রাম নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য সত্যের অপলাপ। তিনি এই ডামি-সিন্ডিকেটের অগণতান্ত্রিক সরকারের গদি রক্ষার্থে এখন সব বিষয়েই কথা বলা শুরু করছেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য কমানোর দাবির শান্তিপূর্ণ সমাবেশকে তিনি বলছেন, ‘বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্য’ নাকি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের কার্যালয়ে গণতন্ত্র মঞ্চের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, ভাসানী অনুসারী পরিষদের যুগ্ম সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান রিজু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের অর্থ বিষয়ক সমম্বয়ক দিদারুল আলম।
সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার যে পুলিশের মাধ্যমে দমন-পীড়ন করেই তার লুন্ঠনের রাজত্ব টিকিয়ে রাখতে চায়, তার প্রকৃত উদাহরণ গতকালকের হামলা। এই মুহূর্তে জনগণের প্রাণের দাবি দ্রবমূল্য কমাতে হবে। সেই দাবিতে সমাবেশে সরকারের পুলিশ নির্বিচার হামলা করে,ভয়-ভীতি দেখিয়ে জনগণের গণতান্ত্রিক সংগ্রামকে দমিয়ে রাখতে চায়।
নেতৃবৃন্দ, মন্ত্রীর এই মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা জানান এবং একইসঙ্গে লুটপাটের সঙ্গে জড়িত সিন্ডিকেট টিকিয়ে রাখতেই যে ওনারা এত মরিয়া হয়ে আবোল-তাবোল বলছেন, গতকালের হামলাই সেটা প্রমাণ করে। আমরা বহুবার বলেছি- সিন্ডিকেটের মূল হোতাই এই সরকার, ফলে তারা সিন্ডিকেট টিকিয়ে রাখছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা পরিষ্কার করে বলতে চাই হামলা-নির্যাতন করে জনগণের সংগ্রাম থামানো যাবে না। এই সংগ্রাম আরো শক্তি ধারণ করে এই লুটেরা সরকারকে উচ্ছেদ করে একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
১ দিন আগে
বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
২ দিন আগে