
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ককে বিবৃতি দিতে জবরদস্তি করা হয়েছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে, সেটিকে গুজব বলছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশিদ।
তার ভাষ্য, নিরাপত্তা ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের হেফাজতে নিয়েছিল ডিবি। তারা ভালো আছেন, সেটা তাদের পরিবারের সদস্যরাও এসে দেখে গেছেন। শিগগিরই তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে।
সোমবার (২৯) বেলা পৌনে ৩টায় রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ের প্রধান ফটকে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন হারুন অর রশিদ।
ডিবি প্রধান বলেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলন বন্ধে জোর করে ছয় সমন্বয়কদের দিয়ে বিবৃতি দেওয়ার অভিযোগটি গুজব। যারা এই গুজবটি ছড়িয়েছেন তাদের প্রতি অনুরোধ— গুজব ছড়াবেন না। ডিবি একটি আস্থার জায়গা। সেখানে কাউকে আটকে রাখা হয় না। জোর করে বিবৃতি নেওয়া হয় না। তারা বরং অনুভব করেছেন যে, সরকার তো সব দাবি মেনেই নিয়েছে। তারা আমাদের কাছে লিখিতভাবে বলেছেন। যে কারণে তারা তাদের আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।’
হারুন বলেন, ‘আমরাও তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছি, ছাত্র ছিলাম। এই ছয় সমন্বয়ককে নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা এখানে এনেছি। তারা আমাদের সঙ্গে আছে। এই সমন্বয়কারীদের ঘিরে অনেক গুজব চলছে। আমরা তাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। পরিবার ও সমন্বয়কদের নিরাপত্তাহীনতার কারণে আমরা তাদের নিয়ে আসছি। ইতোমধ্যে আজকে ডিবি হেফাজতে থাকা ছয় সমন্বয়কের পরিবার কিন্তু বলেছে— ওরা ভাল আছে। ওদের পরিবার কাল রাতে এসেছিল। আজকেও ডিবিতে এসেছে। তারা নিজেরাও দেখেছেন ওরা কেমন আছে।’
‘পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে আমরা মনে করি, যদি কোনও ব্যক্তি নিরাপত্তাহীনতা বোধ করেন, আমাদের কাছে আসেন— তাহলে আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে তাদের দেখভাল করা। সেটাই আমরা করছি’, বলেন হারুন।
রবিবার (২৮ জুলাই) রাতে ওই ছয় শিক্ষার্থীর পরিবার অভিযোগ করেছেন— তাদের সঙ্গে তাদের সন্তানদের দেখা করতে দেওয়া হয়নি, এখন তাদেরকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে হারুন আর রশিদ বলেন, ‘এটা ঠিক নয়, গতকাল রাতেও পরিবারের লোকজন ডিবিতে এসেছে, দেখা করেছে। আজও দেখা করেছে, কথা বলেছে, সন্তুষ্টির প্রকাশ করেছে। ওরা যে ভালো আছে সেজন্য ধন্যবাদ দিয়েছে।’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছয় সমন্বয়ককে বিবৃতি দিতে জবরদস্তি করা হয়েছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে, সেটিকে গুজব বলছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশিদ।
তার ভাষ্য, নিরাপত্তা ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের হেফাজতে নিয়েছিল ডিবি। তারা ভালো আছেন, সেটা তাদের পরিবারের সদস্যরাও এসে দেখে গেছেন। শিগগিরই তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে।
সোমবার (২৯) বেলা পৌনে ৩টায় রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ের প্রধান ফটকে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন হারুন অর রশিদ।
ডিবি প্রধান বলেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলন বন্ধে জোর করে ছয় সমন্বয়কদের দিয়ে বিবৃতি দেওয়ার অভিযোগটি গুজব। যারা এই গুজবটি ছড়িয়েছেন তাদের প্রতি অনুরোধ— গুজব ছড়াবেন না। ডিবি একটি আস্থার জায়গা। সেখানে কাউকে আটকে রাখা হয় না। জোর করে বিবৃতি নেওয়া হয় না। তারা বরং অনুভব করেছেন যে, সরকার তো সব দাবি মেনেই নিয়েছে। তারা আমাদের কাছে লিখিতভাবে বলেছেন। যে কারণে তারা তাদের আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।’
হারুন বলেন, ‘আমরাও তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছি, ছাত্র ছিলাম। এই ছয় সমন্বয়ককে নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা এখানে এনেছি। তারা আমাদের সঙ্গে আছে। এই সমন্বয়কারীদের ঘিরে অনেক গুজব চলছে। আমরা তাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। পরিবার ও সমন্বয়কদের নিরাপত্তাহীনতার কারণে আমরা তাদের নিয়ে আসছি। ইতোমধ্যে আজকে ডিবি হেফাজতে থাকা ছয় সমন্বয়কের পরিবার কিন্তু বলেছে— ওরা ভাল আছে। ওদের পরিবার কাল রাতে এসেছিল। আজকেও ডিবিতে এসেছে। তারা নিজেরাও দেখেছেন ওরা কেমন আছে।’
‘পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে আমরা মনে করি, যদি কোনও ব্যক্তি নিরাপত্তাহীনতা বোধ করেন, আমাদের কাছে আসেন— তাহলে আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে তাদের দেখভাল করা। সেটাই আমরা করছি’, বলেন হারুন।
রবিবার (২৮ জুলাই) রাতে ওই ছয় শিক্ষার্থীর পরিবার অভিযোগ করেছেন— তাদের সঙ্গে তাদের সন্তানদের দেখা করতে দেওয়া হয়নি, এখন তাদেরকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে হারুন আর রশিদ বলেন, ‘এটা ঠিক নয়, গতকাল রাতেও পরিবারের লোকজন ডিবিতে এসেছে, দেখা করেছে। আজও দেখা করেছে, কথা বলেছে, সন্তুষ্টির প্রকাশ করেছে। ওরা যে ভালো আছে সেজন্য ধন্যবাদ দিয়েছে।’

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি অন্তরঙ্গ ভিডিও নিয়ে শুরু হওয়া আলোচনা এখন তার দ্বিতীয় বিয়ের দাবি, ভাইরাল হওয়া একটি বায়োডাটার তথ্য এবং ভিডিও ধারণের সময়কাল— সবকিছু ঘিরেই নতুন প্রশ্নের জন্ম দ
২ দিন আগে
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সংগঠনটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে বলেন, বিষয়টি দলের নজরে রয়েছে এবং তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
২ দিন আগে
তারেক রহমান বলেন, আমরা এতদিন একসঙ্গে ছিলাম। কেন কাউকে সরিয়ে দেবো? আমরা একসঙ্গেই থাকব। চলতে গেলে এদিক-ওদিক হতেই পারে। কেউ একজন বলেছেন, এটা ফেয়ারওয়েল ডিনার কি না। কেন ফেয়ারওয়েল হবে? ফেয়ারওয়েল ডিনার যদি দিতে হয়, গুপ্ত-সুপ্তদের বলতে পারি, স্বৈরাচারকে বলতে পারি। কিন্তু আমরা যারা ছিলাম, আমরা ইনশাল্লাহ এক
২ দিন আগে
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বৈঠক শুরুর আগে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ভাসানী জনশক্তি পার্টির নেতা শেখ রফিকুল ইসলাম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকসহ যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর নেতাদের যমুনায় হাজির হন।
২ দিন আগে