
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের তরুণ প্রজন্ম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময়ের জন্য ঢাকায় পা রাখবেন নাসার প্রধান মহাকাশচারী জোসেফ এম. আকাবা। আকাবার এই সফর এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, কারণ এটি নাসার প্রধান নভোচারীর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সফর।
তার এই সফরের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে তিনি তাদের মহাকাশ বিজ্ঞান, রোবোটিক্স এবং স্টেম (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, গণিত ) শিক্ষায় ক্যারিয়ার গড়তে অনুপ্রাণিত করবেন।
আকাবা মহাকাশ অনুসন্ধানের মাধ্যমে প্রযুক্তির অগ্রগতি এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ, বিশেষ করে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় এর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করবেন।
প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম ছাড়াও, আকাবা একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণ করবেন। সেখানে তিনি বৈশ্বিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে নাসার অবদান এবং মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ কীভাবে লাভবান হতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করবেন। বিশেষ করে, আর্টেমিস অ্যাকর্ডস-এর মাধ্যমে সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরবেন।
আর্টেমিস অ্যাকর্ডস মহাকাশে নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য নীতিমালা প্রচার করে, যা নাসা এবং বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান মহাকাশ ও প্রযুক্তি খাতের মধ্যে আরও সহযোগিতা জোরদার করতে সাহায্য করবে।
আকাবা যুক্তরাষ্ট্রের একজন শিক্ষক, হাইড্রোজিওলজিস্ট এবং পিসকর্পসের প্রাক্তন স্বেচ্ছাসেবক। ২০০৪ সালের মে মাসে, নাসার মহাকাশচারী প্রার্থীরূপে মনোনীত প্রথম পুয়ের্তো রিকো বংশোদ্ভূত ব্যক্তি তিনি। ২০২৩ সালে আকাবাকে নাসার নভোচারী কার্যালয়ের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
মহাকাশচারী হিসেবে আকাবা তিনটি মিশনে অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে স্পেসওয়াক এবং বিভিন্ন যুগান্তকারী বৈজ্ঞানিক গবেষণাসহ ৩০৬ দিনেরও বেশি সময় মহাকাশে কাটিয়েছেন।

দেশের তরুণ প্রজন্ম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময়ের জন্য ঢাকায় পা রাখবেন নাসার প্রধান মহাকাশচারী জোসেফ এম. আকাবা। আকাবার এই সফর এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, কারণ এটি নাসার প্রধান নভোচারীর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সফর।
তার এই সফরের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে তিনি তাদের মহাকাশ বিজ্ঞান, রোবোটিক্স এবং স্টেম (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, গণিত ) শিক্ষায় ক্যারিয়ার গড়তে অনুপ্রাণিত করবেন।
আকাবা মহাকাশ অনুসন্ধানের মাধ্যমে প্রযুক্তির অগ্রগতি এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ, বিশেষ করে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় এর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করবেন।
প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম ছাড়াও, আকাবা একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণ করবেন। সেখানে তিনি বৈশ্বিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে নাসার অবদান এবং মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ কীভাবে লাভবান হতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করবেন। বিশেষ করে, আর্টেমিস অ্যাকর্ডস-এর মাধ্যমে সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরবেন।
আর্টেমিস অ্যাকর্ডস মহাকাশে নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য নীতিমালা প্রচার করে, যা নাসা এবং বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান মহাকাশ ও প্রযুক্তি খাতের মধ্যে আরও সহযোগিতা জোরদার করতে সাহায্য করবে।
আকাবা যুক্তরাষ্ট্রের একজন শিক্ষক, হাইড্রোজিওলজিস্ট এবং পিসকর্পসের প্রাক্তন স্বেচ্ছাসেবক। ২০০৪ সালের মে মাসে, নাসার মহাকাশচারী প্রার্থীরূপে মনোনীত প্রথম পুয়ের্তো রিকো বংশোদ্ভূত ব্যক্তি তিনি। ২০২৩ সালে আকাবাকে নাসার নভোচারী কার্যালয়ের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
মহাকাশচারী হিসেবে আকাবা তিনটি মিশনে অংশ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে স্পেসওয়াক এবং বিভিন্ন যুগান্তকারী বৈজ্ঞানিক গবেষণাসহ ৩০৬ দিনেরও বেশি সময় মহাকাশে কাটিয়েছেন।

রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
২ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
২ দিন আগে
নাহিদ আরও বলেন, কে বোমা হামলা করেছে, আমরা জানি না। আমরা জানি, এর দায় হলো প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের। ফলে আমরা এখানকার পুলিশ-প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতা চাইব— কেন তারা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সন্ত্রাসীরা কীভাবে বোমা হামলা করার সুযোগ পেল?
৩ দিন আগে
জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) বলেছে, দেশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘করদ রাজ্যে' পরিণত করার চক্রান্ত চলছে। এ চক্রান্ত প্রতিহত করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে