
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

স্বাস্থ্যসেবাকে জনমুখী, সহজলভ্য ও সর্বজনীন করতে প্রয়োজনীয় সংস্কারের লক্ষ্যে গঠিত স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সাথে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় স্বাস্থ্য খাতের প্রয়োজনীয় সংস্কার নিয়ে কমিশনের সদস্যবৃন্দ মূল্যবান মতামত দেন।
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেন, স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সুপারিশের পর সংস্কারে হাত দেয়া হবে। এজন্য আমাদের কেমন প্রস্তুতি প্রয়োজন সে সম্পর্কে অবহিত হওয়ার জন্য আজকের এই মতবিনিময় সভা।
সভায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, নগর স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, ওষুধ ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যখাতে কেনাকাটা এবং পিপিআর, ক্যান্সারের চিকিৎসা, ফরেনসিক মেডিসিন, মাতৃস্বাস্থ্য, স্বাস্থ্য খাতে সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের কারিকুলাম ও ক্যারিয়ার প্লানিং, প্রিভেনটিভ কেয়ার, স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্য খাতে জনবল সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে তিন ঘন্টার অধিক সময়ব্যাপী আলোচনা হয়।
মতবিনিময় সভায় স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান বলেন, স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন প্রয়োজনীয় সংস্কার বিষয়ে সরকারকে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদি পলিসি ইস্যুজনিত সুপারিশ প্রদান করবে। আজকের মতবিনিময় সভায় যে বিষয়গুলি উত্থাপিত হয়েছে তা কমিশন সিরিয়াসলি বিবেচনায় নিবে। এক্ষেত্রে সরকারের অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং এবং সুপারিশের বাস্তবায়নযোগ্যতা বিবেচনায় রাখবে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান বলেন, স্বাস্থ্য খাত কমিশনের সুপারিশগুলো সাহসী, জনবান্ধব ও চিকিৎবান্ধব হবে এটাই সবার প্রত্যাশা।
মতবিনিময় সভায় স্বাস্থ্য কমিশনের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মোঃ সাইদুর রহমান,স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব ডা. মো: সারোয়ার বারী উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্যসেবাকে জনমুখী, সহজলভ্য ও সর্বজনীন করতে প্রয়োজনীয় সংস্কারের লক্ষ্যে গঠিত স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সাথে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় স্বাস্থ্য খাতের প্রয়োজনীয় সংস্কার নিয়ে কমিশনের সদস্যবৃন্দ মূল্যবান মতামত দেন।
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেন, স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের সুপারিশের পর সংস্কারে হাত দেয়া হবে। এজন্য আমাদের কেমন প্রস্তুতি প্রয়োজন সে সম্পর্কে অবহিত হওয়ার জন্য আজকের এই মতবিনিময় সভা।
সভায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, নগর স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, ওষুধ ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যখাতে কেনাকাটা এবং পিপিআর, ক্যান্সারের চিকিৎসা, ফরেনসিক মেডিসিন, মাতৃস্বাস্থ্য, স্বাস্থ্য খাতে সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের কারিকুলাম ও ক্যারিয়ার প্লানিং, প্রিভেনটিভ কেয়ার, স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্য খাতে জনবল সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে তিন ঘন্টার অধিক সময়ব্যাপী আলোচনা হয়।
মতবিনিময় সভায় স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান বলেন, স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন প্রয়োজনীয় সংস্কার বিষয়ে সরকারকে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদি পলিসি ইস্যুজনিত সুপারিশ প্রদান করবে। আজকের মতবিনিময় সভায় যে বিষয়গুলি উত্থাপিত হয়েছে তা কমিশন সিরিয়াসলি বিবেচনায় নিবে। এক্ষেত্রে সরকারের অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং এবং সুপারিশের বাস্তবায়নযোগ্যতা বিবেচনায় রাখবে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান বলেন, স্বাস্থ্য খাত কমিশনের সুপারিশগুলো সাহসী, জনবান্ধব ও চিকিৎবান্ধব হবে এটাই সবার প্রত্যাশা।
মতবিনিময় সভায় স্বাস্থ্য কমিশনের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মোঃ সাইদুর রহমান,স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব ডা. মো: সারোয়ার বারী উপস্থিত ছিলেন।

নাহিদ আরও বলেন, কে বোমা হামলা করেছে, আমরা জানি না। আমরা জানি, এর দায় হলো প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের। ফলে আমরা এখানকার পুলিশ-প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতা চাইব— কেন তারা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সন্ত্রাসীরা কীভাবে বোমা হামলা করার সুযোগ পেল?
২ দিন আগে
জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) বলেছে, দেশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘করদ রাজ্যে' পরিণত করার চক্রান্ত চলছে। এ চক্রান্ত প্রতিহত করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।
২ দিন আগে
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ পরবর্তীতে ছাত্র-জনতার এক ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং ৫ আগস্ট তৎকালীন সরকারের পতন ঘটে। জুন-জুলাই মাসের এই আন্দোলনটি দেশে ‘জুলাই আন্দোলন’ নামে বিশেষভাবে পরিচিত।
২ দিন আগে
শনিবার সন্ধ্যায় মাসব্যাপী এ কর্মসূচি ঘোষণার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই গোপালগঞ্জের পদযাত্রা কর্মসূচি তালিকা থেকে বাদ দেয় দলটি।
৩ দিন আগে