
বাসস

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদল। কেবল নির্বাচন নয়, নির্বাচনের পর দেশের উন্নয়ন নিয়ে বিএনপি কী ভাবছে— বৈঠকে সে কথাও জানতে চেয়েছে ইইউয়ের এই প্রতিনিধিদল।
আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়। বৈঠকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর কথা জানিয়েছে ইইউ প্রতিনিধিদল।
বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের বলেন, এই নির্বাচনে তারা (ইইউ) বড় একটি পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে। এ সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে তারা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলতে এসেছিল।
বৈঠকে আলোচনা ‘ফলপ্রসূ’ হয়েছে জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলটির সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তারা জানতে চেয়েছে, বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচন কেমন হতে যাচ্ছে এবং সেখানে বিএনপির ভূমিকা কেমন হবে। একই সঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দেশের উন্নয়নে বিএনপির ভাবনা সম্পর্কেও জানতে চান তারা।
জবাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যথাসময়ে নির্বাচন চাই এবং তা যেন শান্তিপূর্ণ হয়। দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ভোট দিতে পারেনি, তারা অপেক্ষা করছে।’ এ সময় তারেক রহমান ইইউয়ের কাছে বাংলাদেশের উন্নয়নে অধিকতর সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন বলেও জানান নজরুল ইসলাম খান।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে কোন পরামর্শ দেওয়া হয়েছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে এই সিনিয়র নেতা বলেন, বিএনপি প্রথম থেকেই দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরে প্রথম জনসভাতেই ‘শান্তি ও সমঝোতা’ এই শব্দ দুটির ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে অবদানের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। আগামী দিনে তারা আরও বেশি পরিমাণে সহযোগিতা নিয়ে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াবেন বলে আশ্বাস দিয়েছে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপি আসন্ন নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে এবং সেজন্য ইতোমধ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়েছে। বিএনপির আশা, জনগণ তাদের দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষা ভোটের মাধ্যমে স্বাধীনভাবে প্রকাশ করার সুযোগ পাবে।
বৈঠকে শ্রমিকদের কল্যাণে বিএনপির ভূমিকার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়। ইইউ প্রতিনিধিদের জানানো হয়, বেগম খালেদা জিয়ার আমলেই বাংলাদেশে লেবার কোড সংশোধন ও লেবার ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন গঠন করা হয়। বিএনপি ভবিষ্যতে শ্রম আইনের আরও আধুনিকায়ন ও শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের ব্যাপারে তাদের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।
জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে নজরুল ইসলাম খান জানান, বিষয়টি নির্বাচনি ব্যস্ততা ও সময়ের ওপর নির্ভর করছে। তবে আন্তর্জাতিক মিত্রদের সঙ্গে আলোচনায় বিএনপির সবসময়ই আগ্রহ রয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকার গঠিত হবে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সেটিকে পূর্ণ সমর্থন দেবে।
বৈঠকে ইইউর প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। অন্যদিকে তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, দলের যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহাদী আমিন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদল। কেবল নির্বাচন নয়, নির্বাচনের পর দেশের উন্নয়ন নিয়ে বিএনপি কী ভাবছে— বৈঠকে সে কথাও জানতে চেয়েছে ইইউয়ের এই প্রতিনিধিদল।
আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়। বৈঠকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর কথা জানিয়েছে ইইউ প্রতিনিধিদল।
বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের বলেন, এই নির্বাচনে তারা (ইইউ) বড় একটি পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে। এ সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে তারা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলতে এসেছিল।
বৈঠকে আলোচনা ‘ফলপ্রসূ’ হয়েছে জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলটির সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তারা জানতে চেয়েছে, বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচন কেমন হতে যাচ্ছে এবং সেখানে বিএনপির ভূমিকা কেমন হবে। একই সঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দেশের উন্নয়নে বিএনপির ভাবনা সম্পর্কেও জানতে চান তারা।
জবাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যথাসময়ে নির্বাচন চাই এবং তা যেন শান্তিপূর্ণ হয়। দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ভোট দিতে পারেনি, তারা অপেক্ষা করছে।’ এ সময় তারেক রহমান ইইউয়ের কাছে বাংলাদেশের উন্নয়নে অধিকতর সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন বলেও জানান নজরুল ইসলাম খান।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে কোন পরামর্শ দেওয়া হয়েছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে এই সিনিয়র নেতা বলেন, বিএনপি প্রথম থেকেই দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরে প্রথম জনসভাতেই ‘শান্তি ও সমঝোতা’ এই শব্দ দুটির ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে অবদানের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। আগামী দিনে তারা আরও বেশি পরিমাণে সহযোগিতা নিয়ে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াবেন বলে আশ্বাস দিয়েছে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপি আসন্ন নির্বাচনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে এবং সেজন্য ইতোমধ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়েছে। বিএনপির আশা, জনগণ তাদের দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ও আকাঙ্ক্ষা ভোটের মাধ্যমে স্বাধীনভাবে প্রকাশ করার সুযোগ পাবে।
বৈঠকে শ্রমিকদের কল্যাণে বিএনপির ভূমিকার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়। ইইউ প্রতিনিধিদের জানানো হয়, বেগম খালেদা জিয়ার আমলেই বাংলাদেশে লেবার কোড সংশোধন ও লেবার ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন গঠন করা হয়। বিএনপি ভবিষ্যতে শ্রম আইনের আরও আধুনিকায়ন ও শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের ব্যাপারে তাদের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।
জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে নজরুল ইসলাম খান জানান, বিষয়টি নির্বাচনি ব্যস্ততা ও সময়ের ওপর নির্ভর করছে। তবে আন্তর্জাতিক মিত্রদের সঙ্গে আলোচনায় বিএনপির সবসময়ই আগ্রহ রয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে যে সরকার গঠিত হবে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সেটিকে পূর্ণ সমর্থন দেবে।
বৈঠকে ইইউর প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। অন্যদিকে তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, দলের যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহাদী আমিন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘খুব দ্রুত কীভাবে আমরা দলকে কাউন্সিলের দিকে নিয়ে যেতে পারি, সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এটাই ছিল মূল আলোচনা। খুব দ্রুত আমরা দলকে কাউন্সিলের দিকে যেতে চেষ্টা করব।’
১৭ ঘণ্টা আগে
আজহারুল ইসলাম বলেন, আজকে আমি সংসদে গিয়েছি জুলাই বিপ্লবের কারণে। আজ আমি এখানে বক্তব্য দিচ্ছি জুলাই বিপ্লবের কারণে। জুলাই বিপ্লব আমাদের নতুন জীবন দান করেছে। সেই জুলাই বিপ্লবকে অস্বীকার করা মানে নতুন জীবনকে অস্বীকার করা। জুলাই বিপ্লব একদলকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে আরেক দলকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য ছিল না।
১ দিন আগে
আখতার হোসেন বলেন, জনগণের ভোটে সরকার গঠন করা বৈধ, আর জনগণের ভোটে সংস্কার হবে সেটাকে বলে অবৈধ। এমন দ্বিচারিতা বাংলাদেশের মানুষ সহ্য করবে না। আমরা সংস্কার পরিষদের কথা বলছি। এটা নতুন কোনো কথা নয়। ঐকমত্য কমিশনে ৩০টির মতো রাজনৈতিক দল সংবিধানের টেকসই পরিবর্তনের জন্য সংস্কার সাধনের জন্য সংস্কারকে টেকসই করার
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পুরোনো বক্তব্য নিয়ে পোস্ট দিয়েছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেল ৪টা ২৪ মিনিটে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ-সংক্রান্ত পোস্ট দেন তিনি।
১ দিন আগে