
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

গত ১৭ বছর ধরে পদোন্নতিবঞ্চিত বিএনপিপন্থি একদল কর্মকর্তা-কর্মচারী আজ শনিবারের মধ্যে পদোন্নতির দাবি করেছেন। তা নাহলে রোববার থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে তারা।
গতকাল অফিসার্স ক্লাবের হলরুমে এক মতবিনিময় সভায় এই আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব (পিএস) মো. আব্দুস সাত্তার।
সভায় বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে ১৯৮২ ব্যাচের কর্মকর্তা মো. আবদুল বারী, এ কে এম জাহাঙ্গীর, ৮৪ ব্যাচের পুলিশ ক্যাডারের মাহফুজুল হক, প্রশাসন ক্যাডারের ৮৫ ব্যাচের আব্দুল খালেক, জাকির হোসেন কামাল, কামরুজ্জামান চৌধুরী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার এপিএস সুরাতুজ্জামান, রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীর পিএস জিয়াউল হাসান মুন্না ও বিসিএস দশম ব্যাচের আয়কর ক্যাডারের কর্মকর্তা সালাউদ্দিন নাগরি বক্তৃতা করেন।
এ সময় বিসিএস প্রশাসন ৮২ (বিশেষ) ব্যাচের কর্মকর্তা মুন্সি আলাউদ্দিন আল আজাদ, ৮৫ ব্যাচের কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ অ্যাডমিনিসট্রেটিভ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক উপ-সচিব মাহবুবুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব (পিএস) মো. আব্দুস সাত্তার বলেন, শনিবারের মধ্যে বঞ্চিত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর (ক্যাডার নন-ক্যাডার) পদোন্নতি দিতে হবে। অন্যথায় বঞ্চিতরা রোববার সকাল থেকে সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ বিগত সরকারের আমলের কোনো সচিব রোববার থেকে সচিবালয়ে আসতে এবং চেয়ারে বসতে পারবে না। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও সচিবদের প্রবেশ ঠেকাতে প্রয়োজনে সচিবালয়ের গেটে চেকপোস্ট বসানো হবে। এছাড়া দেশের সব বিভাগীয় কমিশনার, ডিসি ও এসপিকে বরখাস্ত করতে হবে।

গত ১৭ বছর ধরে পদোন্নতিবঞ্চিত বিএনপিপন্থি একদল কর্মকর্তা-কর্মচারী আজ শনিবারের মধ্যে পদোন্নতির দাবি করেছেন। তা নাহলে রোববার থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে তারা।
গতকাল অফিসার্স ক্লাবের হলরুমে এক মতবিনিময় সভায় এই আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব (পিএস) মো. আব্দুস সাত্তার।
সভায় বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে ১৯৮২ ব্যাচের কর্মকর্তা মো. আবদুল বারী, এ কে এম জাহাঙ্গীর, ৮৪ ব্যাচের পুলিশ ক্যাডারের মাহফুজুল হক, প্রশাসন ক্যাডারের ৮৫ ব্যাচের আব্দুল খালেক, জাকির হোসেন কামাল, কামরুজ্জামান চৌধুরী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার এপিএস সুরাতুজ্জামান, রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীর পিএস জিয়াউল হাসান মুন্না ও বিসিএস দশম ব্যাচের আয়কর ক্যাডারের কর্মকর্তা সালাউদ্দিন নাগরি বক্তৃতা করেন।
এ সময় বিসিএস প্রশাসন ৮২ (বিশেষ) ব্যাচের কর্মকর্তা মুন্সি আলাউদ্দিন আল আজাদ, ৮৫ ব্যাচের কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ অ্যাডমিনিসট্রেটিভ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক উপ-সচিব মাহবুবুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব (পিএস) মো. আব্দুস সাত্তার বলেন, শনিবারের মধ্যে বঞ্চিত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর (ক্যাডার নন-ক্যাডার) পদোন্নতি দিতে হবে। অন্যথায় বঞ্চিতরা রোববার সকাল থেকে সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ বিগত সরকারের আমলের কোনো সচিব রোববার থেকে সচিবালয়ে আসতে এবং চেয়ারে বসতে পারবে না। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও সচিবদের প্রবেশ ঠেকাতে প্রয়োজনে সচিবালয়ের গেটে চেকপোস্ট বসানো হবে। এছাড়া দেশের সব বিভাগীয় কমিশনার, ডিসি ও এসপিকে বরখাস্ত করতে হবে।

নতুন এই রদবদলে কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ডা. জায়েদ আহমাদ। তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ থেকে (২০১৮-২০১৯ সেশন) এমবিবিএস পাস করেছেন। এর আগে তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সভাপতি এবং মেডিকেল জোনের সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার গ্রামের
১ দিন আগে
নাহিদ বলেন, সরকার বলেছিল, তারা জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু আজ আমরা দেখছি, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়েই সন্দেহ দেখা দিয়েছে। তাই সরকার যদি বলে তারা জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে, তাহলে বিচার আর সংস্কার প্রক্রিয়াকে আন্ত
২ দিন আগে
নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী তার পোস্টে বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় শিক্ষাব্যবস্থা এখনও কোনো সুস্পষ্ট জাতীয় সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারেনি এবং বর্তমান বিজ্ঞান, কলা ও ব্যবসায় শিক্ষার কাঠামো দক্ষ জনশক্তি গড়ার পরিবর্তে একটি বৃহৎ শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠী তৈরি করছে।
২ দিন আগে
বিগত ১৭ বছরের দুঃশাসনের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, 'গুম, খুন ও চরম নির্যাতনের শিকার হয়েও আপনারা সবাই মিলে দল সামলেছেন। নিজের পরিবারের চেয়ে দলকে বেশি সময় ও অর্থ দিয়েছেন। তখন সবাই সবার পাশে থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে দল চালিয়েছেন। এখন নির্যাতনের সেই ভয় নেই, তাহলে এখন কেন ঐক্যবদ্ধ থা
৩ দিন আগে