
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সমর্থিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাজুল ইসলাম বাপ্পীর নির্দেশে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে খুন করা হয়েছে বলে উল্লেখ করে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ অভিযোগপত্র প্রত্যাখ্যান করে ইনকিলাব মঞ্চ বলছে, একজন ওয়ার্ড কমিশনারের নির্দেশে ওসমান হাদির খুনের বিষয়টি পাগলেও বিশ্বাস করবে না। এ খুনের সঙ্গে একটি পুরো চক্র এবং এমনকি রাষ্ট্রযন্ত্রও জড়িত।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘মার্চ ফর ইনসাফ কর্মসূচি’র দিনের কার্যক্রম শেষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের এ মন্তব্য করেন।
আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, সরকার বলেছে, একজন ওয়ার্ড কমিশনার নাকি ওসমান হাদিকে গুলি করার নির্দেশ দিয়েছে। তার নির্দেশে ফয়সাল করিম মাসুদ খুন করেছে। এটা তো পাগলেও বিশ্বাস করবে না।
তিনি বলেন, ওসমান হাদিকে খুনের সঙ্গে একটি পুরো চক্র জড়িত রয়েছে। এই খুনের পেছনে রাষ্ট্রযন্ত্র জড়িত রয়েছে। তাদের বিচারের মুখোমুখি না করা পর্যন্ত আমাদের লড়াই থামবে না। যে চার্জশিটে তাদের নাম নেই, সেই চার্জশিট আমরা মানি না।
ইনকিলাব মঞ্চের এই সদস্য সচিব আরও বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে সরকারকে বিচার নিশ্চিতের বার্তা দিতে চেয়েছি। কিন্তু সরকার সেই বার্তা আমলে নিয়েছে কি না, সেটা দাখিল হওয়া অভিযোগপত্রের মাধ্যমে বুঝতে পেরেছি। সরকার জনগণকে বোকা মনে করেছে।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে ওসমান হাদি হত্যা মামলার অভিযোগপত্র ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে দাখিল করে এ মামলার তদন্তকারী সংস্থা ডিবি। ১৭ জনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেন করে জানান, শরিফ ওসমান বিন হাদি নতুন ধারার রাজনীতি শুরু করেছিলেন। সে রাজনীতির কারণেই ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মিরপুর এলাকার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরীর (বাপ্পী) নির্দেশনা ও পরিকল্পনায় ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
এ অভিযোগপত্র প্রত্যাখ্যান করে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, সরকার শহিদ ওসমান হাদির হত্যার বিচার করতে সক্ষম না হলে এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদকে এ দেশ থেকে বিদায় করতে না পারলে পরিণতির কী হবে, সেই সিদ্ধান্ত জনগণ নেবে। এই জনগণ রক্ত দিয়েছে, যদি প্রয়োজন হয় রক্ত নেবেও।
ওসমান হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে মঙ্গলবার সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ঢাকার ১০টি স্থানে ‘মার্চ ফর ইনসাফ কর্মসূচি’ পালন করেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। নতুন কর্মসূচির কথা জানিয়ে মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, আগামীকাল (বুধবার) নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এমন কর্মসূচিও আসতে পারে যে আইন উপদেষ্টা ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করিয়ে তারপর আমরা ফিরব।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সমর্থিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাজুল ইসলাম বাপ্পীর নির্দেশে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে খুন করা হয়েছে বলে উল্লেখ করে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ অভিযোগপত্র প্রত্যাখ্যান করে ইনকিলাব মঞ্চ বলছে, একজন ওয়ার্ড কমিশনারের নির্দেশে ওসমান হাদির খুনের বিষয়টি পাগলেও বিশ্বাস করবে না। এ খুনের সঙ্গে একটি পুরো চক্র এবং এমনকি রাষ্ট্রযন্ত্রও জড়িত।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘মার্চ ফর ইনসাফ কর্মসূচি’র দিনের কার্যক্রম শেষে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের এ মন্তব্য করেন।
আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, সরকার বলেছে, একজন ওয়ার্ড কমিশনার নাকি ওসমান হাদিকে গুলি করার নির্দেশ দিয়েছে। তার নির্দেশে ফয়সাল করিম মাসুদ খুন করেছে। এটা তো পাগলেও বিশ্বাস করবে না।
তিনি বলেন, ওসমান হাদিকে খুনের সঙ্গে একটি পুরো চক্র জড়িত রয়েছে। এই খুনের পেছনে রাষ্ট্রযন্ত্র জড়িত রয়েছে। তাদের বিচারের মুখোমুখি না করা পর্যন্ত আমাদের লড়াই থামবে না। যে চার্জশিটে তাদের নাম নেই, সেই চার্জশিট আমরা মানি না।
ইনকিলাব মঞ্চের এই সদস্য সচিব আরও বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে সরকারকে বিচার নিশ্চিতের বার্তা দিতে চেয়েছি। কিন্তু সরকার সেই বার্তা আমলে নিয়েছে কি না, সেটা দাখিল হওয়া অভিযোগপত্রের মাধ্যমে বুঝতে পেরেছি। সরকার জনগণকে বোকা মনে করেছে।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে ওসমান হাদি হত্যা মামলার অভিযোগপত্র ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে দাখিল করে এ মামলার তদন্তকারী সংস্থা ডিবি। ১৭ জনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেন করে জানান, শরিফ ওসমান বিন হাদি নতুন ধারার রাজনীতি শুরু করেছিলেন। সে রাজনীতির কারণেই ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মিরপুর এলাকার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরীর (বাপ্পী) নির্দেশনা ও পরিকল্পনায় ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
এ অভিযোগপত্র প্রত্যাখ্যান করে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, সরকার শহিদ ওসমান হাদির হত্যার বিচার করতে সক্ষম না হলে এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদকে এ দেশ থেকে বিদায় করতে না পারলে পরিণতির কী হবে, সেই সিদ্ধান্ত জনগণ নেবে। এই জনগণ রক্ত দিয়েছে, যদি প্রয়োজন হয় রক্ত নেবেও।
ওসমান হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে মঙ্গলবার সকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ঢাকার ১০টি স্থানে ‘মার্চ ফর ইনসাফ কর্মসূচি’ পালন করেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। নতুন কর্মসূচির কথা জানিয়ে মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, আগামীকাল (বুধবার) নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এমন কর্মসূচিও আসতে পারে যে আইন উপদেষ্টা ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করিয়ে তারপর আমরা ফিরব।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ৩-৪ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করে এই মামলা করেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ভিপি পদে ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী মো. রিয়াজুল ইসলাম পাঁচ হাজার ৫৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল ও ছাত্রঅধিকার পরিষদ-সমর্থিত প্যানেলের এ কে এম রাকিব পেয়েছেন চার হাজার ৬৮৮ ভোট।
১ দিন আগে
ফলাফলে দেখা যায়, ভিপি পদে ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেলের রিয়াজুল ইসলাম চার হাজার ৪৩২ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। ছাত্রদল ও ছাত্রঅধিকার পরিষদ-সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী এ কে এম রাকিব পেয়েছেন তিন হাজার ৭৭৭ ভোট। সে হিসাবে রাকিবের চেয়ে ৬৫৫ ভোটে এগিয়ে আছেন রিয়াজুল।
১ দিন আগে
বাস্তবতা হলো, এই ১৬ লক্ষ টাকার মধ্যে প্রায় ১১ লক্ষ টাকাই উপদেষ্টা হিসেবে প্রাপ্ত বেতন-ভাতা, যা ব্যাংক চ্যানেলের মাধ্যমে পরিশোধিত, আয়করযোগ্য এবং সম্পূর্ণভাবে নথিভুক্ত। বাকি অংশ এসেছে উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগের পর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কনসালটেন্ট (পরামর্শক) হিসেবে বৈধ পেশাগত কাজের সম্মানী থেকে, যা
১ দিন আগে