
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের উপসচিব পদে পদোন্নতির কোটা পুনর্বিন্যাসের খসড়া সুপারিশের বিরুদ্ধে এবার প্রতিবাদ সভা করেছেন প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা। বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে ‘জনপ্রশাসন সংস্কারকে ভিন্নপথে পরিচালিত করে দেশকে অস্থিতিশীল করার গভীর ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে’ প্রতিবাদ সভা করেছেন প্রশাসন ক্যাডারের বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তারা।
প্রশাসন ক্যাডার কর্মকর্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এবং বিসিএস (প্রশাসন) কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড যৌথভাবে এ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেছে।
এর আগে গত ২২ ডিসেম্বর কমিশনের খসড়া সুপারিশের প্রতিবাদে সচিবালয়ে বড় ধরনের জমায়েত করেছিলেন প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা।
আজকের প্রতিবাদ সভায় বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনলাইন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত ছিলেন।
বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আনোয়ার উল্ল্যাহ ও মহাসচিব মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এবং বিসিএস (প্রশাসন) কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি এ বি এম আব্দুস সাত্তার সভায় উপস্থিত ছিলেন।
গত ১৭ ডিসেম্বর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী জানান, উপসচিব পুলে প্রশাসন ক্যাডারের জন্য ৫০ শতাংশ কোটা রেখে অন্যান্য ২৫টি ক্যাডারের জন্য ৫০ শতাংশ পরীক্ষার ভিত্তিতে নিয়োগ এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্যাডারকে সিভিল সার্ভিস হতে আলাদা করার সুপারিশ করা হবে।
বর্তমান বিধিমালা অনুযায়ী, উপসচিব পদে প্রশাসন ক্যাডারের ৭৫ শতাংশ এবং অন্য সব ক্যাডারের ২৫ শতাংশ কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেওয়া হয়।
প্রতিবাদ সভায় কমিশনের খসড়া সুপারিশকে বৈষম্যমূলক, অযৌক্তিক, ষড়যন্ত্রমূলক বলে মন্তব্য করেছেন প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা। তারা বলেন, রাষ্ট্রকে দুর্বল করার কোনো প্রচেষ্টা চলছে কি না এটাও আমাদের দেখতে হবে।
বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আনোয়ার উল্ল্যাহ সূচনা বক্তব্যে বলেন, গত ১৫-১৭ বছর ধরে জনপ্রশাসনের বিশেষ করে প্রশাসন ক্যাডারের কিছু কর্মকর্তার দলীয় আচরণের কারণে আমাদের ইমেজ সংকটজনক অবস্থায় চলে গিয়েছিল। দেশের কতিপয় কর্মকর্তার কারণে যে ইমেজ সংকট তৈরি হয়েছে সেখান থেকে উত্তরণ করতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও মহাসচিব এবং ঢাকার ডিসির সঙ্গে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন আগামীকাল বৃহস্পতিবার সভা করবে। মতামত নিতে আমরা আপনাদের এখানে ডেকেছি। আপনাদের মতামতের আলোকে আমরা সংস্কার কমিশনে গিয়ে কথা বলবো।

জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের উপসচিব পদে পদোন্নতির কোটা পুনর্বিন্যাসের খসড়া সুপারিশের বিরুদ্ধে এবার প্রতিবাদ সভা করেছেন প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা। বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে ‘জনপ্রশাসন সংস্কারকে ভিন্নপথে পরিচালিত করে দেশকে অস্থিতিশীল করার গভীর ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে’ প্রতিবাদ সভা করেছেন প্রশাসন ক্যাডারের বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তারা।
প্রশাসন ক্যাডার কর্মকর্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এবং বিসিএস (প্রশাসন) কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেড যৌথভাবে এ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেছে।
এর আগে গত ২২ ডিসেম্বর কমিশনের খসড়া সুপারিশের প্রতিবাদে সচিবালয়ে বড় ধরনের জমায়েত করেছিলেন প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা।
আজকের প্রতিবাদ সভায় বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনলাইন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত ছিলেন।
বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আনোয়ার উল্ল্যাহ ও মহাসচিব মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এবং বিসিএস (প্রশাসন) কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি এ বি এম আব্দুস সাত্তার সভায় উপস্থিত ছিলেন।
গত ১৭ ডিসেম্বর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী জানান, উপসচিব পুলে প্রশাসন ক্যাডারের জন্য ৫০ শতাংশ কোটা রেখে অন্যান্য ২৫টি ক্যাডারের জন্য ৫০ শতাংশ পরীক্ষার ভিত্তিতে নিয়োগ এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্যাডারকে সিভিল সার্ভিস হতে আলাদা করার সুপারিশ করা হবে।
বর্তমান বিধিমালা অনুযায়ী, উপসচিব পদে প্রশাসন ক্যাডারের ৭৫ শতাংশ এবং অন্য সব ক্যাডারের ২৫ শতাংশ কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেওয়া হয়।
প্রতিবাদ সভায় কমিশনের খসড়া সুপারিশকে বৈষম্যমূলক, অযৌক্তিক, ষড়যন্ত্রমূলক বলে মন্তব্য করেছেন প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা। তারা বলেন, রাষ্ট্রকে দুর্বল করার কোনো প্রচেষ্টা চলছে কি না এটাও আমাদের দেখতে হবে।
বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. আনোয়ার উল্ল্যাহ সূচনা বক্তব্যে বলেন, গত ১৫-১৭ বছর ধরে জনপ্রশাসনের বিশেষ করে প্রশাসন ক্যাডারের কিছু কর্মকর্তার দলীয় আচরণের কারণে আমাদের ইমেজ সংকটজনক অবস্থায় চলে গিয়েছিল। দেশের কতিপয় কর্মকর্তার কারণে যে ইমেজ সংকট তৈরি হয়েছে সেখান থেকে উত্তরণ করতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও মহাসচিব এবং ঢাকার ডিসির সঙ্গে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন আগামীকাল বৃহস্পতিবার সভা করবে। মতামত নিতে আমরা আপনাদের এখানে ডেকেছি। আপনাদের মতামতের আলোকে আমরা সংস্কার কমিশনে গিয়ে কথা বলবো।

নাহিদ আরও বলেন, কে বোমা হামলা করেছে, আমরা জানি না। আমরা জানি, এর দায় হলো প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের। ফলে আমরা এখানকার পুলিশ-প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতা চাইব— কেন তারা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সন্ত্রাসীরা কীভাবে বোমা হামলা করার সুযোগ পেল?
২ দিন আগে
জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) বলেছে, দেশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘করদ রাজ্যে' পরিণত করার চক্রান্ত চলছে। এ চক্রান্ত প্রতিহত করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।
২ দিন আগে
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ পরবর্তীতে ছাত্র-জনতার এক ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং ৫ আগস্ট তৎকালীন সরকারের পতন ঘটে। জুন-জুলাই মাসের এই আন্দোলনটি দেশে ‘জুলাই আন্দোলন’ নামে বিশেষভাবে পরিচিত।
৩ দিন আগে
শনিবার সন্ধ্যায় মাসব্যাপী এ কর্মসূচি ঘোষণার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই গোপালগঞ্জের পদযাত্রা কর্মসূচি তালিকা থেকে বাদ দেয় দলটি।
৩ দিন আগে