
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া আন্দোলনকারীদের সবার জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ তিন দফা দাবিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থা নিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।
রোববার (২২ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে যমুনা অভিমুখে এই পদযাত্রা শুরু করেন। মিছিলটি মৎস্যভবন হয়ে দুপুর ১টার দিকে কাকরাইল মসজিদ মোড়ে এলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাধার মুখে পড়ে।
এ সময় পুলিশ ও এপিবিএন এর সদস্যদের যমুনা অভিমুখে যাওয়ার রাস্তার দুই পাশেই ব্যারিকেড দিতে দেখা যায়। পরে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা ডানপাশের রাস্তার একপাশে বসে পড়েন। তবে ওই রাস্তার দুই পাশেই যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
এ সময় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি বলেন, জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতার জীবনের বিনিময়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। যেখানে আমাদের শোনার কথা খুনি আওয়ামী লীগের বিচার হচ্ছে, সেখানে আমাদের শুনতে হচ্ছে ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়াদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, হত্যা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া পাঁচ জনকে হত্যা করা হয়েছে। অথচ এসব হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
তিনি আরো বলেন, আমরা শুনেছি, সেনানিবাসে ৬২৬ জন ছিল। তাদের কে পালাতে দিয়েছে? যারা পালাতে দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন? ওবায়দুল কাদের তিন মাস দেশে ছিলেন, অথচ তাকে ধরা হয়নি। পালিয়ে যেতে দেওয়া হয়েছে। আমরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা বুঝি না। আমরা ড. ইউনূসকে বুঝি। আপনাকে জবাব দিতে হবে কেন তাদের পালিয়ে যেতে দেওয়া হলো।
তিনি আরো বলেন, আমরা আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তাসহ তিন দাবি জানিয়েছি। পুলিশ আমাদের এখানে অবস্থান করার অনুরোধ করেছে। যতক্ষণ পর্যন্ত উপদেষ্টাদের কেউ এসে আমাদের দাবির কাগজ না নিয়ে যাচ্ছে, ততক্ষণ আমরা অবস্থান করবো।
তাদের তিন দাবি হলো-
১. গণহত্যাকারী দল আওয়ামী লীগের নিবন্ধন অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।
২. সন্ত্রাসী আওয়ামী লীগের গুপ্ত হত্যা থেকে দেশপ্রেমিক ছাত্র জনতাকে বাঁচাতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্র থেকে ইউনিয়ন পর্যন্ত কমিটিতে থাকা সকল সন্ত্রাসীকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে।
৩. প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়সহ বাংলাদেশের সকল জুলাই যোদ্ধাদের জীবনের সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া আন্দোলনকারীদের সবার জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ তিন দফা দাবিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থা নিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।
রোববার (২২ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে যমুনা অভিমুখে এই পদযাত্রা শুরু করেন। মিছিলটি মৎস্যভবন হয়ে দুপুর ১টার দিকে কাকরাইল মসজিদ মোড়ে এলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাধার মুখে পড়ে।
এ সময় পুলিশ ও এপিবিএন এর সদস্যদের যমুনা অভিমুখে যাওয়ার রাস্তার দুই পাশেই ব্যারিকেড দিতে দেখা যায়। পরে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা ডানপাশের রাস্তার একপাশে বসে পড়েন। তবে ওই রাস্তার দুই পাশেই যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
এ সময় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি বলেন, জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতার জীবনের বিনিময়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। যেখানে আমাদের শোনার কথা খুনি আওয়ামী লীগের বিচার হচ্ছে, সেখানে আমাদের শুনতে হচ্ছে ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়াদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, হত্যা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া পাঁচ জনকে হত্যা করা হয়েছে। অথচ এসব হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
তিনি আরো বলেন, আমরা শুনেছি, সেনানিবাসে ৬২৬ জন ছিল। তাদের কে পালাতে দিয়েছে? যারা পালাতে দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন? ওবায়দুল কাদের তিন মাস দেশে ছিলেন, অথচ তাকে ধরা হয়নি। পালিয়ে যেতে দেওয়া হয়েছে। আমরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা বুঝি না। আমরা ড. ইউনূসকে বুঝি। আপনাকে জবাব দিতে হবে কেন তাদের পালিয়ে যেতে দেওয়া হলো।
তিনি আরো বলেন, আমরা আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তাসহ তিন দাবি জানিয়েছি। পুলিশ আমাদের এখানে অবস্থান করার অনুরোধ করেছে। যতক্ষণ পর্যন্ত উপদেষ্টাদের কেউ এসে আমাদের দাবির কাগজ না নিয়ে যাচ্ছে, ততক্ষণ আমরা অবস্থান করবো।
তাদের তিন দাবি হলো-
১. গণহত্যাকারী দল আওয়ামী লীগের নিবন্ধন অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।
২. সন্ত্রাসী আওয়ামী লীগের গুপ্ত হত্যা থেকে দেশপ্রেমিক ছাত্র জনতাকে বাঁচাতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্র থেকে ইউনিয়ন পর্যন্ত কমিটিতে থাকা সকল সন্ত্রাসীকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে।
৩. প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়সহ বাংলাদেশের সকল জুলাই যোদ্ধাদের জীবনের সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

নাহিদ আরও বলেন, কে বোমা হামলা করেছে, আমরা জানি না। আমরা জানি, এর দায় হলো প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের। ফলে আমরা এখানকার পুলিশ-প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতা চাইব— কেন তারা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সন্ত্রাসীরা কীভাবে বোমা হামলা করার সুযোগ পেল?
২ দিন আগে
জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) বলেছে, দেশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘করদ রাজ্যে' পরিণত করার চক্রান্ত চলছে। এ চক্রান্ত প্রতিহত করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ পরবর্তীতে ছাত্র-জনতার এক ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং ৫ আগস্ট তৎকালীন সরকারের পতন ঘটে। জুন-জুলাই মাসের এই আন্দোলনটি দেশে ‘জুলাই আন্দোলন’ নামে বিশেষভাবে পরিচিত।
৩ দিন আগে
শনিবার সন্ধ্যায় মাসব্যাপী এ কর্মসূচি ঘোষণার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই গোপালগঞ্জের পদযাত্রা কর্মসূচি তালিকা থেকে বাদ দেয় দলটি।
৩ দিন আগে