
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে বিমানবন্দর থেকে তাকে সরাসরি ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হবে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স (আইডিইবি) মিলনায়তনে এনসিপির এক আলোচনা সভায় তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। ‘শহিদ পরিবার ও আহতদের কণ্ঠে জনতার ১ দফা’ শিরোনামে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম বলেন, “শেখ হাসিনা যদি ডিসেম্বরে দেশে আসেন, তারেক রহমান যদি দিল্লির সঙ্গে সমঝোতা করে তাকে দেশে আসার ব্যবস্থা করেন, তাহলে আমরা প্রস্তুত আছি। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি তাকে ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হবে। চৌদ্দশ শহিদ পরিবার, ৩০ হাজার আহত যোদ্ধা নেমে আসবে; ফাঁসি কার্যকর না করা পর্যন্ত আমরা রাজপথে অবস্থান করব।”
এনসিপির আহ্বায়ক আরও বলেন, “ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য আমরা আন্দোলন করিনি। আমরা ‘ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা’ বিলোপের ঘোষণা করেছিলাম। আমরা দেশকে আবার কোনো স্বৈরতন্ত্র, দুর্নীতি, চাঁদাবাজির স্বর্গরাজ্য হতে দেবো না।”
তিনি বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছর আজ। শহিদ মিনার থেকে এক দফা ঘোষণা হয়েছিল। এই ঐতিহাসিক দিনটি আমরা শহিদ পরিবার ও আহতদের সঙ্গে কাটাতে চাই। কারণ আমরা মনে করি, এক দফার আসল কারিগর জুলাইয়ের শহিদ ও আহত যোদ্ধারা।”
দেশের রাজনীতিতে গুণগত কোনো পরিবর্তন আসেনি উল্লেখ করে নাহিদ বলেন, “পরিবর্তন একটা হয়েছে, তারেক রহমান লন্ডন থেকে এসে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। গত দুই বছর দেশে কোনো পরিবর্তন হয়নি। তারেক রহমান ক্ষমতায় এসেছেন পাঁচ মাস হচ্ছে। কিন্তু গত দুই বছর বিএনপি সংস্কারের বিপক্ষে ভূমিকা রেখেছে।”
সভায় অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন— এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জাতীয় নারীশক্তির সদস্যসচিব মাহমুদা মিতু, মুখ্য সংগঠক নুসরাত তাবাসসুম ও শহিদ জাবিরের মা রোকেয়া বেগম।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে বিমানবন্দর থেকে তাকে সরাসরি ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হবে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স (আইডিইবি) মিলনায়তনে এনসিপির এক আলোচনা সভায় তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। ‘শহিদ পরিবার ও আহতদের কণ্ঠে জনতার ১ দফা’ শিরোনামে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম বলেন, “শেখ হাসিনা যদি ডিসেম্বরে দেশে আসেন, তারেক রহমান যদি দিল্লির সঙ্গে সমঝোতা করে তাকে দেশে আসার ব্যবস্থা করেন, তাহলে আমরা প্রস্তুত আছি। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি তাকে ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হবে। চৌদ্দশ শহিদ পরিবার, ৩০ হাজার আহত যোদ্ধা নেমে আসবে; ফাঁসি কার্যকর না করা পর্যন্ত আমরা রাজপথে অবস্থান করব।”
এনসিপির আহ্বায়ক আরও বলেন, “ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য আমরা আন্দোলন করিনি। আমরা ‘ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা’ বিলোপের ঘোষণা করেছিলাম। আমরা দেশকে আবার কোনো স্বৈরতন্ত্র, দুর্নীতি, চাঁদাবাজির স্বর্গরাজ্য হতে দেবো না।”
তিনি বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের দুই বছর আজ। শহিদ মিনার থেকে এক দফা ঘোষণা হয়েছিল। এই ঐতিহাসিক দিনটি আমরা শহিদ পরিবার ও আহতদের সঙ্গে কাটাতে চাই। কারণ আমরা মনে করি, এক দফার আসল কারিগর জুলাইয়ের শহিদ ও আহত যোদ্ধারা।”
দেশের রাজনীতিতে গুণগত কোনো পরিবর্তন আসেনি উল্লেখ করে নাহিদ বলেন, “পরিবর্তন একটা হয়েছে, তারেক রহমান লন্ডন থেকে এসে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। গত দুই বছর দেশে কোনো পরিবর্তন হয়নি। তারেক রহমান ক্ষমতায় এসেছেন পাঁচ মাস হচ্ছে। কিন্তু গত দুই বছর বিএনপি সংস্কারের বিপক্ষে ভূমিকা রেখেছে।”
সভায় অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন— এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জাতীয় নারীশক্তির সদস্যসচিব মাহমুদা মিতু, মুখ্য সংগঠক নুসরাত তাবাসসুম ও শহিদ জাবিরের মা রোকেয়া বেগম।

‘জাতীয় রাজনীতিতে যখন আসলাম, আমাদের বাবার বয়সী, দাদার বয়সী লোকেরাও যে মুখে এক কথা বলে পরের দিন প্রতারণা করতে পারে— এটা আমরা প্রথমে আসলে বুঝে উঠতে পারিনি। ফলে তাদের অনেক কিছুতেই হয়তো ভরসা রাখতে গিয়ে আমরা প্রতারণার শিকার হয়েছি—। এটা আমাদের জন্য শিক্ষা। শিখলাম, পরবর্তী সময়ে আর বিশ্বাস করা যাবে না,’— বল
১ দিন আগে
ওই অভিযোগের তদন্তের জন্য রোববার দুপুরে প্রাধ্যক্ষ তার কক্ষে ইব্রাহীম খলিলকে ডাকেন জানিয়ে মোছাদ্দিক বলেন, ‘তদন্তের সময় প্রভোস্ট অফিসে তারা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি করে। আমরাও প্রভোস্ট অফিসের বাইরে অবস্থান নিয়ে ছিলাম। তখন তারা আমাদের ওপর হামলা চালায়। পরে আমরা ভেতরে ঢুকলে তারা আবার হামলা চালায়। হামলায়
১ দিন আগে
সংবিধানে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের মনোনীত প্রার্থীরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
২ দিন আগে
সফরকালে গর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ ছাড়া তিনি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন, যা বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান পরিধির প্রতিফলন।
২ দিন আগে