
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচন জনগণের অধিকার, এটা তাদের সাংবিধানিক অধিকার। সময় এসেছে নির্বাচন হবে। জনগণ ভোট দেবে। কারো যদি সাহস থাকে এসে ইলেকশন করবে। জনগণের ভোট পাওয়ার আস্থা থাকে তাহলে ভোট পাবে। জনগণ যাকে ভোটে নির্বাচিত করবে সেই সরকার গঠন করবে।
শুক্রবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণা হয়েছে, সবাই আসেন, ইলেকশনে অংশগ্রহণ করেন, ইলেকশনে জনগণের কাছে গিয়ে জনগণের ভোট চান।
দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, এখন নির্বাচন যেন যথাসময়ে সুষ্ঠুভাবে হয়, সেজন্য জনগণ ও দেশবাসীর সহযোগিতা চাই।
তফসিল ঘোষণা করায় নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ধন্যবাদ জানাই আমাদের নির্বাচন কমিশনকে। তারা অন্তত এ জ্বালাও পোড়াও এ ভীত না হয়ে, সাংবিধানিক নিয়ম মেনে সময় মতো নির্বাচন সিডিউল ঘোষণা দিয়েছেন।
বিএনপি-জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে সরকারপ্রধান বলেন, এই যে অপরাধ করেছেন, জনগণের কাছে মাফ চেয়ে তারপর নির্বাচনে আসেন সেটাই আমরা চাই। নির্বাচনের দরজা সবার জন্য উন্মক্ত।
শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি এবং তাদের যে জোট আছে, তাদের শুধু একটা কথা বলব। এই আগুন নিয়ে খেলা এটা বাংলাদেশের মানুষ কখনও মেনে নেবে না। (অতীতে) তারা নির্বাচন বানচাল করতে চেয়েছে, এটাও তারা বানচাল করতে পারবে না।
তিনি বলেন, যারা সাধারণ মানুষ হত্যা করার পরিকল্পনা করে তাদের মানুষ কেন ভোট দেবে? তাদের ওপর মানুষ কেন আস্থা রাখবে? আস্থা রাখে না। মানুষ তাদের বিশ্বাস করে না, তারা ঘাতক চিহ্নিত। তারা ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে চিহ্নিত। সেটা তো মাথায় রাখতে হবে।
বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলনকারীদের হুঁশিয়ার করে শেখ হাসিনা বলেন, আজকে যারা নির্বাচন বানচালের জন্য অগ্নিসন্ত্রাস শুরু করেছে এদের কিন্তু ক্ষমা নেই।
আওয়ামী লীগের ওপর জনগণের আস্থা আছে জানিয়ে দলটির সভাপতি বলেন, আমরা মানুষের সেবা করেছি বলেই আমাদের ওপর মানুষের সমর্থন আস্থা-বিশ্বাস রয়েছে। আজকে যদি সাধারণ মানুষকে জিজ্ঞাসা করা হয়, কোন দলের ওপর তাদের আস্থা আছে, সেটা আওয়ামী লীগের ওপরেই আছে আমাদের ওপরই আছে। সে আস্থা বিশ্বাস ধরে রেখে আমাদের এগোতে হবে।
শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রথম সভায় কমিটির সদস্য সচিব ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, এবার আওয়ামী লীগের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরুল্লাহ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচন জনগণের অধিকার, এটা তাদের সাংবিধানিক অধিকার। সময় এসেছে নির্বাচন হবে। জনগণ ভোট দেবে। কারো যদি সাহস থাকে এসে ইলেকশন করবে। জনগণের ভোট পাওয়ার আস্থা থাকে তাহলে ভোট পাবে। জনগণ যাকে ভোটে নির্বাচিত করবে সেই সরকার গঠন করবে।
শুক্রবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণা হয়েছে, সবাই আসেন, ইলেকশনে অংশগ্রহণ করেন, ইলেকশনে জনগণের কাছে গিয়ে জনগণের ভোট চান।
দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, এখন নির্বাচন যেন যথাসময়ে সুষ্ঠুভাবে হয়, সেজন্য জনগণ ও দেশবাসীর সহযোগিতা চাই।
তফসিল ঘোষণা করায় নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ধন্যবাদ জানাই আমাদের নির্বাচন কমিশনকে। তারা অন্তত এ জ্বালাও পোড়াও এ ভীত না হয়ে, সাংবিধানিক নিয়ম মেনে সময় মতো নির্বাচন সিডিউল ঘোষণা দিয়েছেন।
বিএনপি-জামায়াতকে উদ্দেশ্য করে সরকারপ্রধান বলেন, এই যে অপরাধ করেছেন, জনগণের কাছে মাফ চেয়ে তারপর নির্বাচনে আসেন সেটাই আমরা চাই। নির্বাচনের দরজা সবার জন্য উন্মক্ত।
শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি এবং তাদের যে জোট আছে, তাদের শুধু একটা কথা বলব। এই আগুন নিয়ে খেলা এটা বাংলাদেশের মানুষ কখনও মেনে নেবে না। (অতীতে) তারা নির্বাচন বানচাল করতে চেয়েছে, এটাও তারা বানচাল করতে পারবে না।
তিনি বলেন, যারা সাধারণ মানুষ হত্যা করার পরিকল্পনা করে তাদের মানুষ কেন ভোট দেবে? তাদের ওপর মানুষ কেন আস্থা রাখবে? আস্থা রাখে না। মানুষ তাদের বিশ্বাস করে না, তারা ঘাতক চিহ্নিত। তারা ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে চিহ্নিত। সেটা তো মাথায় রাখতে হবে।
বিএনপি-জামায়াতের আন্দোলনকারীদের হুঁশিয়ার করে শেখ হাসিনা বলেন, আজকে যারা নির্বাচন বানচালের জন্য অগ্নিসন্ত্রাস শুরু করেছে এদের কিন্তু ক্ষমা নেই।
আওয়ামী লীগের ওপর জনগণের আস্থা আছে জানিয়ে দলটির সভাপতি বলেন, আমরা মানুষের সেবা করেছি বলেই আমাদের ওপর মানুষের সমর্থন আস্থা-বিশ্বাস রয়েছে। আজকে যদি সাধারণ মানুষকে জিজ্ঞাসা করা হয়, কোন দলের ওপর তাদের আস্থা আছে, সেটা আওয়ামী লীগের ওপরেই আছে আমাদের ওপরই আছে। সে আস্থা বিশ্বাস ধরে রেখে আমাদের এগোতে হবে।
শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রথম সভায় কমিটির সদস্য সচিব ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, এবার আওয়ামী লীগের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরুল্লাহ।

বিএনপিও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথে হাঁটা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, এখন যারা সরকারে আছে, তারাও (বিএনপি) মজলুম ছিল। কিন্তু তারাও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথে হাঁটা শুরু করেছে। সমাজের সব ক্ষেত্রে বেপরোয়া নির্লজ্জ দলীয়করণ করে দুর্নীতিকে তারা জাতীয়করণ
৪ দিন আগে
সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে আগামী পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ করে যেতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে বিএনপি সরকারকে আর সহযোগিতা করা হবে না।
৪ দিন আগে
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
৪ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
৪ দিন আগে