
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের প্রোপাগান্ডা সেল থেকে ছড়ানো গুজবকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করেছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। এতে দুদকের পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে নাহিদ ইসলাম বলেন, সাত মাস আগে আওয়ামী লীগের ‘দোসররা’ আসিফ মাহমুদকে নিয়ে যে গুজব ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালিয়েছিল, দুদক সেটিই অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করেছে। তাঁর দাবি, এর মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের চরিত্রহনন ও রাজনৈতিকভাবে হেয় করতে দুদককে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দুদকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে দুদককে ব্যবহার করে বিএনপির তৎকালীন চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ বিরোধী দলের নেতাদের হয়রানি করা হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের পর এ কারণেই দুদকের আমূল সংস্কারের দাবি ওঠে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর দুদক প্রতিষ্ঠার বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই সনদে ঐকমত্যে পৌঁছেছিল। তবে নির্ধারিত প্রক্রিয়া পাশ কাটিয়ে একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে দুদক চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এতে সংস্কারের প্রতিশ্রুতি উপেক্ষিত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন নাহিদ।
দুদকের বর্তমান ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, ‘দুদককে দলীয়করণের মাধ্যমে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিকে হয়রানি ও দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের পুরোনো পথেই ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’
নাহিদ ইসলামের দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়রানি বন্ধ করে জুলাই সনদের আলোকে স্বাধীন, স্বায়ত্তশাসিত, নিরপেক্ষ ও কার্যকর দুদক পুনর্গঠন করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘স্বাধীন ও নিরপেক্ষ দুর্নীতি দমন কমিশন পুনর্গঠন করা হলে যেকোনো অভিযোগের মুখোমুখি হতে এবং সুষ্ঠু তদন্তে এনসিপি পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।’

এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের প্রোপাগান্ডা সেল থেকে ছড়ানো গুজবকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করেছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। এতে দুদকের পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে নাহিদ ইসলাম বলেন, সাত মাস আগে আওয়ামী লীগের ‘দোসররা’ আসিফ মাহমুদকে নিয়ে যে গুজব ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চালিয়েছিল, দুদক সেটিই অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করেছে। তাঁর দাবি, এর মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের চরিত্রহনন ও রাজনৈতিকভাবে হেয় করতে দুদককে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দুদকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামলে দুদককে ব্যবহার করে বিএনপির তৎকালীন চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ বিরোধী দলের নেতাদের হয়রানি করা হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের পর এ কারণেই দুদকের আমূল সংস্কারের দাবি ওঠে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর দুদক প্রতিষ্ঠার বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই সনদে ঐকমত্যে পৌঁছেছিল। তবে নির্ধারিত প্রক্রিয়া পাশ কাটিয়ে একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে দুদক চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এতে সংস্কারের প্রতিশ্রুতি উপেক্ষিত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন নাহিদ।
দুদকের বর্তমান ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, ‘দুদককে দলীয়করণের মাধ্যমে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিকে হয়রানি ও দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের পুরোনো পথেই ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’
নাহিদ ইসলামের দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়রানি বন্ধ করে জুলাই সনদের আলোকে স্বাধীন, স্বায়ত্তশাসিত, নিরপেক্ষ ও কার্যকর দুদক পুনর্গঠন করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘স্বাধীন ও নিরপেক্ষ দুর্নীতি দমন কমিশন পুনর্গঠন করা হলে যেকোনো অভিযোগের মুখোমুখি হতে এবং সুষ্ঠু তদন্তে এনসিপি পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।’

রাজনীতির মাঠের চিত্র বলছে, ঢাকঢোল পিটিয়ে মাঠে কিছু হাইপ্রোফাইল রাজনৈতিক উদ্যোগ ও ব্যক্তিভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম বর্তমানে পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় ও কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে। কেউ আবার ইস্যুভিত্তিক ঘরোয়া কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নিজেদের বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করছে।
১ দিন আগে
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জনগণের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই তাদের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে। তিনি বলেন, ‘একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই এই মুহূর্তে জনগণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার। এই অঙ্গীকার পূরণে ‘সবার আগে বাংলাদেশ- সবার জন্য বাংলাদেশ’ এই প্রত্যয়ে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।
২ দিন আগে
তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে দুদকের চলমান কার্যক্রম নিয়ে তিনি বলেন, “খোঁজ নিয়ে আমি স্পষ্টভাবে জানতে পেরেছি কয়েকজন খুবই উচ্চ পর্যায়ের নেতা, তারা বিভিন্ন সময় বিশেষ করে সরকারে থাকা অবস্থায় আমার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তারা অসন্তুষ্ট হয়েছেন এবং সেই প্রতিশোধ নেওয়ার জন্যই এই পুরো প্রক্রিয়া চলমান আ
২ দিন আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি প্রদর্শনের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক নেতৃবৃন্দ। একই সঙ্গে সংগ্রহশালা থেকে অবিলম্বে ছবিটি সরিয়ে ফেলার দাবি জানিয়েছেন তারা।
২ দিন আগে