
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সংকটাপন্ন অবস্থায় থাকা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও মঙ্গল কামনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এ সময় দেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার সাহস, আপসহীন অবস্থান ও সহনশীলতার ভূঁয়সী প্রশংসাও করেন তিনি।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে দেওয়া এক বার্তায় নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন। এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বার্তাটি প্রকাশ করা হয়েছে।
নাহিদ ইসলাম লিখেছেন, খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের এক অনন্য অনুপ্রেরণা। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার আন্দোলনে তিনি কয়েক দশক ধরে অবিচল ভূমিকা পালন করেছেন। ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রচক্রের লাগাতার নির্যাতন, মিথ্যা মামলার পরিক্রমা ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ভয়াবহতার মাঝেও তার অটল মনোবল ও আপসহীন অবস্থান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলর প্রেক্ষাপট টেনে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান, স্বৈরতন্ত্রবিরোধী সংগ্রাম ও পরবর্তী সময়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতিটি পর্বে খালেদা জিয়ার দৃঢ়তা, দেশপ্রেম ও নেতৃত্ব জাতীয় জীবনে গভীর প্রভাব রেখেছে। বাংলাদেশের বহু প্রজন্ম তাকে দেখেছে সাহস, সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতীক হিসেবে।
খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থায় গভীর উদ্বেগ জানানোর পাশাপাশি তার পরিবারের প্রতি আন্তরিক সহমর্মিতা জানান নাহিদ ইসলাম। বলেন, মহান আল্লাহ তা’আলার কাছে তার পূর্ণ আরোগ্য ও সুস্থতা কামনা করি।
জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী দেশের রাজনৈতিক পালাবদলের এই সময়ে খালেদা জিয়াকে প্রয়োজন উল্লেখ করে নাহিদ আরও বলেন, এ গণতান্ত্রিক উত্তরণের সংকটময় সময়, যখন দেশ পুনরায় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হচ্ছে, সে প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়ার শারীরিক উপস্থিতি ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় খালেদা জিয়ার দীর্ঘ অবদান স্মরণ করে আমরা তার আশু সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা করি— বার্তায় লিখেছেন এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
এর আগে এনসিপির তিন নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও তাসনিম জারা সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়াকে দেখতে যান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে। এ ছাড়া শুক্রবার এনসিপির পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে দোয়া মাহফিল হয়েছে।

সংকটাপন্ন অবস্থায় থাকা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও মঙ্গল কামনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এ সময় দেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার সাহস, আপসহীন অবস্থান ও সহনশীলতার ভূঁয়সী প্রশংসাও করেন তিনি।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে দেওয়া এক বার্তায় নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন। এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বার্তাটি প্রকাশ করা হয়েছে।
নাহিদ ইসলাম লিখেছেন, খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের এক অনন্য অনুপ্রেরণা। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার আন্দোলনে তিনি কয়েক দশক ধরে অবিচল ভূমিকা পালন করেছেন। ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রচক্রের লাগাতার নির্যাতন, মিথ্যা মামলার পরিক্রমা ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ভয়াবহতার মাঝেও তার অটল মনোবল ও আপসহীন অবস্থান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলর প্রেক্ষাপট টেনে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান, স্বৈরতন্ত্রবিরোধী সংগ্রাম ও পরবর্তী সময়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতিটি পর্বে খালেদা জিয়ার দৃঢ়তা, দেশপ্রেম ও নেতৃত্ব জাতীয় জীবনে গভীর প্রভাব রেখেছে। বাংলাদেশের বহু প্রজন্ম তাকে দেখেছে সাহস, সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতীক হিসেবে।
খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থায় গভীর উদ্বেগ জানানোর পাশাপাশি তার পরিবারের প্রতি আন্তরিক সহমর্মিতা জানান নাহিদ ইসলাম। বলেন, মহান আল্লাহ তা’আলার কাছে তার পূর্ণ আরোগ্য ও সুস্থতা কামনা করি।
জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী দেশের রাজনৈতিক পালাবদলের এই সময়ে খালেদা জিয়াকে প্রয়োজন উল্লেখ করে নাহিদ আরও বলেন, এ গণতান্ত্রিক উত্তরণের সংকটময় সময়, যখন দেশ পুনরায় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হচ্ছে, সে প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়ার শারীরিক উপস্থিতি ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় খালেদা জিয়ার দীর্ঘ অবদান স্মরণ করে আমরা তার আশু সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা করি— বার্তায় লিখেছেন এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
এর আগে এনসিপির তিন নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও তাসনিম জারা সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়াকে দেখতে যান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে। এ ছাড়া শুক্রবার এনসিপির পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে দোয়া মাহফিল হয়েছে।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
২ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
২ দিন আগে