ডাকসু নির্বাচনের এই ভিপি প্রার্থীর অভিযোগ, আমাদের ভূতত্ত্ব ভোটকেন্দ্রের (কবি সুফিয়া কামাল হল) এজেন্টকে পাঠানো হয়েছে ইউল্যাবে (শামসুন্নাহার হল), ইউল্যাবের এজেন্টকে দেওয়া হয়েছে উদয়নে, টিচার্স ক্লাবের (কুয়েত-মৈত্রী, বঙ্গমাতা) এজেন্টকে দেওয়া হয়েছে উদয়নে, আর উদয়নের এজেন্টকে পাঠানো হয়েছে কার্জন হলে।
ঢাবি শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা আলোচিত এই ভোটে তিনটি বিষয়কে ‘ফ্যাক্টর’ বিবেচনা করছেন— নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের ভোট, জগন্নাথ হলের ভোট এবং অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের ভোট। শিক্ষার্থী ও ভোটাররা বলছেন, এই তিন ভোটব্যাংকের মধ্যে যেকোনো একটিই এই নির্বাচনের ফল যেকোনো প্রার্থীর অনুকূলে এনে দিতে সক্ষম।
অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, ডাকসু নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক ভালো রয়েছে। আমরা নির্বাচন সামনে রেখে কোনো ধরনের শঙ্কা দেখছি না। এই নির্বাচন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।
চিংড়ি রেণু পরিবহনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধ করা হবে। সহজলভ্যভাবে চাষিদের চিংড়ি সময়মতো ও সুষ্ঠুভাবে অবতরণ এবং রফতানি প্রক্রিয়াজাতকরণে সঠিক মাননিয়ন্ত্রণ করে আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা মুনাফাখোর যেন চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ করতে না পারে, সেদিকে খেয়া
তারেক রহমান অভিযোগ করে বলেন, ‘বিগত ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকার দেশে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর জবাবদিহি নষ্ট করেছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে ব্যবহার করে গুম-খুনের রাজনীতি চালিয়েছে। লাখ লাখ গায়েবি মামলা দিয়ে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের আদালতের বারান্দায় ঘুরিয়েছে। দেশে তিন কোটি নতুন
‘জুলাই স্মরণ সভায় জামায়াতের আমিরের প্রদত্ত বক্তব্যের জন্য মিস হুমা খান কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আলোচনায় তারা বাংলাদেশে বিদ্যমান মানবাধিকার পরিস্থিতি, গুম-খুনের বিচারসহ সামগ্রিক বিষয় নিয়ে খোলামেলা মতবিনিময় করেন। মিস হুমা খান জামায়াতে ইসলামীর প্রস্তাবিত সংস্কার কর্মসূচি সম্পর্কে জানতে চাইলে জামায়াতের আমি
নির্বাচন নিয়ে কারা শঙ্কা তৈরি করছে, এবং তাদের কেন ধরা হচ্ছে না মন্তব্য করে সরকারের উদ্দেশ্যে ফারুক বলেন, সরকার আপনি বসে আছেন কেন? আপনার আশেপাশেই তো শঙ্কা তৈরি করা লোকগুলো বসে আছে। কারা মিছিল করে বুঝতে পারেন না? কারা মব সৃষ্টি করে নির্বাচনকে বানচাল করার চেষ্টা করছে, সেটা জানতে পারেন না? আপনি কারো ব্য
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে যাওয়ার সময় ভোটাররা মোবাইল ফোন, ব্যাগ বা কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে যেতে পারবেন না। নিতে পারবেন না পানির বোতল বা অন্য কোনো তরল।
জুলাই অভ্যুত্থানের এক বছর পর এসে জানা যাচ্ছে, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল– এই দুজনকে সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব দিয়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বে আনার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছেন শেখ হাসিনা। পাশাপাশি ভূমিকা থাকবে শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিরও।
মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানানো হলেও এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। বরং এর পরিবর্তে নৃত্য, গান, বাজনা শেখানোর জন্য শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা আমাদের কাছে অত্যন্ত দুঃখজনক ও অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
ভোটাররা বলছেন, ছয় বছরের বিরতিতে এবার যে ডাকসু নির্বাচন হচ্ছে, তা অনেক বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। সবচেয়ে বেশি প্রার্থীর অংশ নিচ্ছেন এবারের নির্বাচনে। জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে মুক্ত রাজনৈতিক পরিবেশে বাধাহীনভাবে সবাই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এমনকি নব্বইয়ের অভ্যুত্থানের পর ঢাবি ক্যাম্পাসে সব সংগঠন ম
হারুনুর রশিদ বলেন, ‘এনসিপির যে কোনো স্থানে যে কোনো কার্যক্রম দেখেই বোঝা যাচ্ছে তারা অন্তর্বর্তী সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট। সরকারের পক্ষ থেকে দলটিকে বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এটি মোটেও কাম্য নয়।’
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, এনসিপি হলো ইনসাফের পক্ষে। আপনি যদি ইনসাফের পক্ষে থাকেন, তাহলে ধরে নিবো আপনি এনসিপির পক্ষের লোক। এনসিপি করে বেইনসাফি কাজ করার কোনো সুযোগ নেই। এনসিপির নেতা হয়ে বেইনসাফি কাজ করে প্রোগ্রামে হাজার হাজার লোক নিয়ে আসেন, সেটা আমাদের দরকার নেই।
বিএনপি মহাসচিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহীন আকতার শাহীন, বিএনপির অন্যতম নেতা সাবেক সংসদ সদস্য শওকত চৌধুরী, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন প্রামাণিক, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পা