এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতির ঘোষণা দেওয়া হয় জুলাই ঘোষণাপত্রে।
প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণাপত্র পাঠের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, ‘আমি মনে করি, জুলাইয়ের যে আকাঙ্ক্ষা এই ঘোষণাপত্রে সেটার তেমন কোনো প্রতিফলন হয়নি। একটা পাশ কাটিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা আমরা দেখেছি।’
শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন অনিবার্য ছিল উল্লেখ করে আমীর খসরু বলেন, বিগত ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষ যেভাবে নিগৃহীত হয়েছে, মানুষের ওপর যে অবিচার হয়েছে, ৬০-৭০ লাখ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছে, কয়েক হাজার লোক গুম হয়েছে, খুন হয়েছে, পুলিশের হেফাজতে মৃত্যুবরণ করেছে, জেলখানার মধ্যে চিকিৎসার অ
জাহিদুল ইসলাম বলেন, গুম, খুন, আয়নাঘর তৈরি করে মুক্তিকামী জনতাকে দমন করতে চেয়েছিল ফ্যাসিস্ট শক্তি। কিন্তু ইতিহাসের অনিবার্য দাবিতে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে। জুলাই শুধু একটি আন্দোলনের নাম নয়, এটি একটি জাগরণের নাম।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় ৫ আগস্ট আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতন ও ছাত্র-জনতার বিজয়ের বর্ষপূর্তি পালন উপলক্ষে আগামীকাল ৬ আগস্ট (বুধবার) ঢাকাসহ দেশব্যাপী সব জেলা ও মহানগরে বিজয় র্যালি অনুষ্ঠিত হবে।
পদযাত্রাতে টায়ার্ড হয়ে গেছিলাম। কারো সঙ্গে দেখা করতে নয়, জাস্ট একটু সাগর পাড়ে ঘুরতে আসছি বলে দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
জামায়াত নেতা ডা. তাহের বলেন, জনগণের রক্তের ওপর দিয়েই জুলাই বিপ্লব সাধিত হয়েছে। তাদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়েই আপনি এখন ক্ষমতায়। আপনি বা আপনার পরিবারের কোনো সদস্য আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্ত হননি। তাই নির্বাচনকে অবাধ ও নিরপেক্ষ করার রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) দুপুরে এনসিপির পাঁচ নেতার কক্সবাজারে অবস্থানের খবর জানা যায়। এই পাঁচ নেতা হলেন— এনসিপির উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের দুই মুখ্য সংগঠক সারজিস আল ও হাসনাত আব্দুল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ ও সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা।
এই যুদ্ধের শেষে মোগল বাহিনী চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করতে পারেনি। যদিও সাময়িক সময়ের জন্য কিছু ভূখণ্ড মোগলদের হাতে গিয়েছিল, ইশা খাঁ নিজের প্রভাব খাটিয়ে আবারো ভাটির অঞ্চল পুনর্দখল করেন এবং কার্যত স্বাধীন শাসন বজায় রাখেন। তাঁর মৃত্যুর আগপর্যন্ত মোগল শাসকরা এই অঞ্চলে পূর্ণ কর্তৃত্ব স্থাপন করতে পারেনি।
এ অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সমাবেশে অংশ নেবে।
২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে তৈরি ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’কে ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মতামতের ভিত্তিতে এ ঘোষণাপত্র চূড়ান্ত করেছে সরকার। দলগুলো এ ঘোষণার রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতির বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের দল অংশ নেবে। দলের বাকিরা হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও সালাহউদ্দিন আহমদ।
ব্রিটিশ শাসনামলে বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদের অংশগ্রহণ ছিল প্রথম উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক সক্রিয়তা। ১৯০৫ সালে লর্ড কার্জনের ঘোষণা অনুযায়ী বাংলা বিভাজনের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী ঢেউ ওঠে। তখন কলকাতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা প্রথম লাইনে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদে সামিল হয়। এরাই পরবর্তীতে স্বদেশি আন্দোলনে
মাহফুজ তার পোস্টে লিখেছিল, ‘১/১১-এর পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। তবে জুলাই জয়ী হবে। জনগণের লড়াই পরাজিত হবে না।’
সোমবার (৪ আগস্ট) রমনা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের প্রাঙ্গণে জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও আমার না বলা কথা’ শীর্ষক সমাবেশ তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশের আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী যুবদল। অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যুবদলের নিহত ৭৮ পরিবারের সদস্যদের সম