অভিযোগগুলো হলো- (১) অভিযোগকারীর বাড়ি পুনরায় দখলের চেষ্টা, (২) প্রাণনাশের হুমকি, (৩) অভিযোগকারী ও তার স্ত্রীর নামে বনানী এবং যাত্রাবাড়ী থানায় মিথ্যা, হয়রানিমূলক হত্যা ও চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করতে অন্যকে প্ররোচিত করা, (৪) আপনি এবং আপনার ভাবী কর্তৃক ভুয়া আইনজীবী, ভুয়া সাংবাদিক দিয়ে বাড়ি দখলের চেষ্টা এ
ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, ‘আমি শুরু থেকেই ইসলামপন্থী সকল ভোট একবাক্সে আনার কথা বলে আসছি। আগামী নির্বাচনে শুধু ইসলামি দলই নয়, বরং দেশপ্রেমিক আরও অনেক রাজনৈতিক দলও একবাক্স নীতিতে আসতে পারে, ইনশাআল্লাহ। যদি আমরা একত্রে নির্বাচন করতে পারি, যদি কার্যকর ঐক্য গড়ে তুলতে পারি, তাহলে বাংলাদেশে ইসলামপন্থীরাই
গাজী আতাউর রহমান বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত সংস্কার কমিশনসমূহের মধ্যে ৬টি কমিশনের প্রস্তাবনা আমাদের কাছে পাঠানো হয়েছিল। আমরা সেই প্রস্তাবনা পর্যালোচনা করে বিস্তারিত মতামত দিয়েছি। ভবিষ্যৎ স্বৈরতন্ত্র রোধ করা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও রাষ্ট্র পরিচালনায় জনমতের প্রতিফলন নিশ্চিত করার বিষয়টি মুখ্য রেখে আমরা
নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হলে জনগণের বহুল প্রতীক্ষিত আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করে যৌক্তিক সময়ের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে।’
সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনসহ তিন দফা দাবিতে মহাসমাবেশের করছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। শনিবার সকাল ১০ টায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলামী আন্দোলনের মহাসমাবেশের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছে।
জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী প্ল্যাটফর্ম ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর সব কার্যক্রম থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সংগঠনটির মুখপাত্র উমামা ফাতেমা।শনিবার (২৮ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। পোস্টে তিনি সংগঠনটির বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, অনৈতিকতা ও বিশৃঙ্
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা তার পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত বার্তা সিইসিকে জানিয়ে থাকতে পারেন বলে মনে করছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য। তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন ধরে প্রস্তুতি নেওয়ার কথা হয়তো বলেছেন৷ এটি আমাদের ধারণা৷ উভয় পক্ষ থেকে বার্তা এলে সেটি স্পষ্ট হবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পৃথিবীকে বদলাতে সব জাতিকে ভূমিকা রাখতে হবে। অংশগ্রহণ করতে হবে সবাইকে। ধ্বংসের আগে সঠিক পথ ধরতে হবে আমাদের। তিনি বলেন, বিষণ্ণ বিশ্ব নয়, একটি সুন্দর বিশ্ব তৈরি করতে চায় বাংলাদেশ।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আপনারা যে জোট গঠনের কথা বলছেন, সে ধরনের কোনো আলোচনা সেখানে হয়নি। এটি নিছকই একটি প্র্যাকটিক্যাল সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আলোচনার বিষয় ছিল।
রাজনীতি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহল মনে করছেন, জাতীয় নির্বাচনসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হতে পারে।
আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কমিটিকে ভবিষ্যতে এ ধরনের নির্বাচন ঠেকাতে সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য ‘জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি’ গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। এর অংশ হিসেবে সব সরকারি ভবন, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা ও সব সরকারি হাসপাতালের ছাদে রুফটপ সোলার সিস্টেম স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে চলা সংস্কার কার্যক্রমে আলাপ–আলোচনার চেয়ে খাওয়াদাওয়া বেশি হচ্ছে। কিন্তু বিএনপি বিশ্বাস করে, চূড়ান্তভাবে আমরা একটি ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারব।’
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘কোনো দেশের উন্নয়নের প্রধান শক্তি হলো কর্মক্ষম যুবসমাজ। কিন্তু মাদক এই যুব সমাজকে বিপথে ঠেলে দিচ্ছে। আধুনিক ও প্রযুক্তিগত শিক্ষায় শিক্ষিত ও দক্ষ যুবশক্তিকে মাদকমুক্ত রাখতে না পারলে উন্নত রাষ্ট্রে রূপান্তর হওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে না।’
'নির্বাচিত সরকারের সাথে সবাই স্বস্তিবোধ করে। আগামী সংসদকে ইউরোপীয় ইউনিয়নও সহযোগিতা করতে যাচ্ছে।' বিচার বিভাগের আলাদা সচিবালয়ের জন্য ইইউ ফান্ডিং করতে আগ্রহী বলেও জানান আমীর খসরু।
আজকে এটা স্পষ্ট করবেন কি? অনেকেই প্রশ্ন করছেন যে জামাতের আমির ক্ষমা কিসের জন্য চাইলেন?’জবাবে জামায়াতের আমির বলেন, শুধু একাত্তর নয়, ১৯৪৭ সাল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত আমাদের দ্বারা যত মানুষ কষ্ট পেয়েছেন, কেউ যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকেন সেই সকল মানুষের কাছে মানুষগুলো তাদের সকলের কাছে আমি বিনা শর্তে ক্ষ
জাপার সূত্রগুলো বলছে, কেন্দ্রীয় ও শীর্ষ নেতাদের প্রায় সবাই এখন জি এম কাদেরকে চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানোর পক্ষে ‘একজোট’ হয়েছেন। সেটি সম্ভব না হলে আরও একবার ভাঙনের মুখে পড়তে পারে জাপা। তবে জি এম কাদেরের পক্ষে হাতেগোনা কয়েকজন নেতা থাকলেও তারা বলছেন, তৃণমূলের পূর্ণ সমর্থন এখনো তাদের পক্ষেই। ফলে অন্যরা দল