গুলিস্তানের জিরো পয়েন্টে আওয়ামী লীগের পূর্বঘোষিত কর্মসূচির প্রতিবাদে সকাল থেকে নূর হোসেন চত্বর ও বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিরোধী পক্ষের বিক্ষোভ মিছিল, অবস্থান কর্মসূচি চলছে। বিক্ষোভকারীরা নিজেদের শাহবাগ যুবদল ও পল্টন যুবদল বলে পরিচয় দিয়েছেন।
শহীদ নূর হোসেন দিবসে আওয়ামী লীগের পূর্বঘোষিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে উত্তেজনা বিরাজ করছে। তাদের কর্মসূচি প্রতিহত করতে গুলিস্তানের জিরো পয়েন্ট ও আওয়ামী লীগের কার্যালয় পাহারা দিচ্ছেন ছাত্র-জনতা। আজ রবিবার (১০ নভেম্বর) সকাল থেকে তাদের অবস্থান দেখা গেছে। এ ছাড়া বিএনপির নেতাকর্মীরা জড়ো হচ্ছেন।
৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু। শেষমেশ চেষ্টা করেন ভারতে অনুপ্রবেশের। তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি। ধরা পড়েছেন সে দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে।
রাজধানীর গুলিস্তানের জিরো পয়েন্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার ব্যানারে রাত ১১টার দিকে বিক্ষোভ হয়েছে। ‘খুনি কেন বাহিরে, মুগ্ধ কেন কবরে,’ ‘নূর হোসেন দিচ্ছে ডাক, খুনি শেখ হাসিনা নিপাত যাক’—এমন স্লোগান দেন তারা।
তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আহবান বাইরের দেশে বসে ভিডিও বার্তা দিচ্ছে, দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, সেই অপশক্তি যদি ছোবল মারে থাবা মারে তাহলে গণতন্ত্রের ভীত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আপনার নির্বাচন কমিশন সংস্কারের কাজ হাতে নিয়েছেন এ সংস্কার কাজে নভেম্বর, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি এ তিনমাসের বেশী লা
দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র থেমে নেই দাবি করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘টেলিফোন আলাপেও ষড়যন্ত্রের কথা শোনা যাচ্ছে। ষড়যন্ত্র থেমে নেই সেটা প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে সতর্ক করতে হবে।’
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের হাতে সাধারণ শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পর্যায়ে ৮৬ জন নিহত হয়েছেন। ধর্ষিত হয়েছেন ১৪ জন নারী। যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে ৬৯ জনের সঙ্গে। গত ১৫ বছরে তাদের হাতে নির্যাতিত হয়েছে ১ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী।
পুলিশ কমিশনের মাধ্যমে পুলিশে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, ‘‘আপনারা লক্ষ্য করে দেখবেন যে, বিভিন্ন রকম নেগেটিভ কথাবার্তার কারণে ফ্যাসিবাদ কিন্তু মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে শুরু করেছে। বিভিন্ন জায়গায়…. এবং দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদেরে কিছু কিছু মিডিয়া তাকে প্রোমোট করছে… যেটা আমি মনে করি কখনই জনগনের জন্য শুভ বয়ে আনবে না।”
আপনারা তো নিজেরাও সংবিধানের আওতায় ক্ষমতায় আসেননি, কিন্তু জনসমর্থন আপনাদের প্রতি রয়েছে।আপনাদের সবকিছু দ্রুত গতিতে পদক্ষেপ নিতে হবে,আপনাদের কাজের গতির তীব্রতা যদি কমে যায় তাহলে এটা জনগণের কাছে একাউন্টটিবিলিটির ক্ষেত্রে জনগণ মনে করবে আপনারা সঠিক কাজ করছেন না।
সারিজস আরও বলেন, এই অভ্যুত্থান কিছু লোক দিয়ে হয়নি। যেই ফ্যাসিস্ট সরকারকে ১৬ বছরে বাংলাদেশের নামিদামি রাজনৈতিক সংগঠন এক টনক নড়াতে পারেনি, সেই শেখ হাসিনা কিছু লোকের জন্য এই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়নি। পুরো বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নেমেছিল বলে অভ্যুত্থান ঘটেছিল এবং শেখ হাসিনা পালিয়ে গিয
ফাওজুল কবির বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতা চর্চা নয়, ছাত্রদের অনুরোধে দায়িত্ব পালন করতে এসেছে। এক হাজারের বেশি তাজা প্রাণ আর ৩০ হাজার আহত মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে দায়িত্ব নিয়েছি।
শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া একটি অডিও বার্তায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আগামীকালের কর্মসূচি নিয়ে কথা বলতে শোনা গেছে। তাতে শোনা যায়, শেখা হাসিনা তার নেতাকর্মীদের নূর হোসেন দিবসে ট্রাম্পের ছবি হাতে মিছিল করার পরামর্শ দিচ্ছেন। তা ছাড়া নূর হোসেনের ছবি ও ‘স্বৈরা
দূতাবাস জানায়, আগামী মঙ্গলবার বৈরুত থেকে দুবাই হয়ে নবম দফায় দেশে ফিরবেন ৯৫ বাংলাদেশি নাগরিক। তারা ওইদিন সকালে বৈরুতের রফিক হারিরি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সকাল ৭টা ২০ মিনিটে রওনা হয়ে রাত ১১টা ২০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
ড. আসিফ নজরুল বলেন, আমরা ডিজিটাল সিকিউরিটি এ্যাক্ট বাতিলের ঘোষণা দিয়েছিলাম। এর অধীনে যত হয়রানিমূলক মামলা রয়েছে, এই অ্যাক্টটা যখন বাতিল করব, তখন সব মামলা রহিত (বাতিল) হয়ে যাবে। তবে কম্পিউটার অফেন্স বা কম্পিউটার হ্যাকিং সম্পর্কিত মামলাগুলোর বিচার অব্যাহত থাকবে।
শফিকুল আলম লিখেছেন, আওয়ামী লীগ তার বর্তমান রূপে একটি ফ্যাসিবাদী দল। গণহত্যাকারী ও স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার নির্দেশ নিয়ে যে কেউ র্যালি, সমাবেশ ও মিছিল করার চেষ্টা করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পূর্ণ শক্তির মুখোমুখি হবে।
কোনো আদালতে অন্তর্বর্তী সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না- এমন এক অধ্যাদেশ চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেও আইন বিশেষজ্ঞ ও রাজনীতিবিদরা জানতে চান, ‘কেন প্রশ্ন তোলা যাবে না?’