
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ব্যবসা ও শিল্প খাতে অর্থায়ন বাড়ানো ও সহজ করতে বড় ঋণ গ্রহীতা কোম্পানি বা গ্রুপের একক গ্রাহক ঋণসীমা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে ব্যবসায়ীদের জন্য ব্যাংক থেকে এখন আরও বেশি ঋণ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হল।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্তে একই সঙ্গে খেলাপি ঋণ থাকা ব্যাংকের ঋণ দেওয়ার হারেও সীমা বাড়ানো হয়েছে। এতে অপেক্ষাকৃত খেলাপি ঋণ বেশি থাকা ব্যাংকগুলোও বড় ঋণ বিতরণের সুযোগ পাবে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে এ বিষয়ে সার্কুলার পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে 'ফান্ডেড' ও 'নন-ফান্ডেড' ঋণ মিলিয়ে একক গ্রাহকের ঋণসীমা একবারে বাড়িয়ে ব্যাংকের মূলধনের ২৫ শতাংশ করা হয়েছে।
এর আগে ‘ফান্ডেড’ (সরাসরি ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহীতার অ্যাকাউন্টে) ঋণের ক্ষেত্রে একক গ্রাহকের ঋণসীমা ছিল ১৫ শতাংশ। ব্যবসা ও শিল্পের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অর্থায়নের চাপ কমাতে তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন এ সিদ্ধান্ত ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে।
একই সঙ্গে এ সার্কুলারে ব্যাংকের খেলাপি হারের সীমার বিপরীতেও ঋণ দেওয়ার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। এতে ব্যাংকের যেমন ঋণ বিতরণ করার সুযোগ বাড়বে, তেমনি বতর্মান ঋণ গ্রহীতাদেরও নতুন করে আরও ঋণ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। ব্যাংকগুলো চলতি মূলধন, রপ্তানি বা আমদানি বিল খাতে গ্রহীতাদের আরও বেশি ঋণ দেওয়ার সুযোগ পাবে।
এর আগে ২০২২ সালে নন-ফান্ডেড খাতে দেওয়া ঋণের বেশিরভাগ ফোর্সড ঋণে পরিণত হলে বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ক নীতিমালায় কড়াকড়ি আরোপ করে। বিশেষ করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে ফোর্সড ঋণ বেড়ে যাওয়ায় মুনাফা আটকে যায়। তখন একটি ব্যাংক তার ঋণের কত অংশ ফান্ডেড ও নন-ফান্ডেড হিসেবে দিতে পারবে তার সীমা বেঁধে দেওয়া হয়।
নতুন সিদ্ধান্তে ব্যাংকের খেলাপি হার কত হলে মূলধনের কত অংশ বৃহৎ ঋণ খাতে দিতে পারবে সেটি ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রেও ছাড় দেওয়ায় অপেক্ষাকৃত খেলাপি ঋণ বেশি থাকা ব্যাংকগুলোও বড় ঋণ বিতরণের সুযোগ পাবে।
ব্যাংকিং নীতিমালা অনুযায়ী, ক্ষুদ্র থেকে বড় আকারের ঋণ গ্রহণে গ্রাহকদের যেমন সীমা বেঁধে দেওয়া রয়েছে, ঠিক তেমনি কোন ব্যাংক কী পরিমাণ ঋণ দিতে পারবে সেটিরও একটি সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া আছে।
একে ব্যাংকিং ভাষায় ‘এক্সপোজার’ বলা হয়। আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে কোনো ব্যাংক মূলধনের কত অংশ একক গ্রাহক ও বড় অঙ্কের ঋণ দিতে পারবে তা ঠিক করে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
নতুন নীতিমালায় খেলাপি ঋণের হার অনুযায়ী ব্যাংকগুলো কত শতাংশ বড় ঋণ দিতে পারবে, সেটিও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। যেমন—
এ ছাড়া বড় ঋণের মোট পরিমাণ এখন থেকে ব্যাংকের মূলধনের সর্বোচ্চ ৬০০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারবে। আগে এ সীমা ছিল ৪০০ শতাংশ।

ব্যবসা ও শিল্প খাতে অর্থায়ন বাড়ানো ও সহজ করতে বড় ঋণ গ্রহীতা কোম্পানি বা গ্রুপের একক গ্রাহক ঋণসীমা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে ব্যবসায়ীদের জন্য ব্যাংক থেকে এখন আরও বেশি ঋণ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হল।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্তে একই সঙ্গে খেলাপি ঋণ থাকা ব্যাংকের ঋণ দেওয়ার হারেও সীমা বাড়ানো হয়েছে। এতে অপেক্ষাকৃত খেলাপি ঋণ বেশি থাকা ব্যাংকগুলোও বড় ঋণ বিতরণের সুযোগ পাবে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে এ বিষয়ে সার্কুলার পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে 'ফান্ডেড' ও 'নন-ফান্ডেড' ঋণ মিলিয়ে একক গ্রাহকের ঋণসীমা একবারে বাড়িয়ে ব্যাংকের মূলধনের ২৫ শতাংশ করা হয়েছে।
এর আগে ‘ফান্ডেড’ (সরাসরি ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহীতার অ্যাকাউন্টে) ঋণের ক্ষেত্রে একক গ্রাহকের ঋণসীমা ছিল ১৫ শতাংশ। ব্যবসা ও শিল্পের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অর্থায়নের চাপ কমাতে তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন এ সিদ্ধান্ত ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে।
একই সঙ্গে এ সার্কুলারে ব্যাংকের খেলাপি হারের সীমার বিপরীতেও ঋণ দেওয়ার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। এতে ব্যাংকের যেমন ঋণ বিতরণ করার সুযোগ বাড়বে, তেমনি বতর্মান ঋণ গ্রহীতাদেরও নতুন করে আরও ঋণ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। ব্যাংকগুলো চলতি মূলধন, রপ্তানি বা আমদানি বিল খাতে গ্রহীতাদের আরও বেশি ঋণ দেওয়ার সুযোগ পাবে।
এর আগে ২০২২ সালে নন-ফান্ডেড খাতে দেওয়া ঋণের বেশিরভাগ ফোর্সড ঋণে পরিণত হলে বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ক নীতিমালায় কড়াকড়ি আরোপ করে। বিশেষ করে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে ফোর্সড ঋণ বেড়ে যাওয়ায় মুনাফা আটকে যায়। তখন একটি ব্যাংক তার ঋণের কত অংশ ফান্ডেড ও নন-ফান্ডেড হিসেবে দিতে পারবে তার সীমা বেঁধে দেওয়া হয়।
নতুন সিদ্ধান্তে ব্যাংকের খেলাপি হার কত হলে মূলধনের কত অংশ বৃহৎ ঋণ খাতে দিতে পারবে সেটি ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রেও ছাড় দেওয়ায় অপেক্ষাকৃত খেলাপি ঋণ বেশি থাকা ব্যাংকগুলোও বড় ঋণ বিতরণের সুযোগ পাবে।
ব্যাংকিং নীতিমালা অনুযায়ী, ক্ষুদ্র থেকে বড় আকারের ঋণ গ্রহণে গ্রাহকদের যেমন সীমা বেঁধে দেওয়া রয়েছে, ঠিক তেমনি কোন ব্যাংক কী পরিমাণ ঋণ দিতে পারবে সেটিরও একটি সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া আছে।
একে ব্যাংকিং ভাষায় ‘এক্সপোজার’ বলা হয়। আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে কোনো ব্যাংক মূলধনের কত অংশ একক গ্রাহক ও বড় অঙ্কের ঋণ দিতে পারবে তা ঠিক করে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
নতুন নীতিমালায় খেলাপি ঋণের হার অনুযায়ী ব্যাংকগুলো কত শতাংশ বড় ঋণ দিতে পারবে, সেটিও পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। যেমন—
এ ছাড়া বড় ঋণের মোট পরিমাণ এখন থেকে ব্যাংকের মূলধনের সর্বোচ্চ ৬০০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারবে। আগে এ সীমা ছিল ৪০০ শতাংশ।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তির তথ্য বলছে, নতুন দর অনুযায়ী ২১ ক্যারেট মানের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম পড়বে দুই লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা কিনতে লাগবে এক লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকা।
২ দিন আগে
সোমবার (২৫ মে) এশিয়ার বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম (আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড) ৫ শতাংশ কমে ৯৮ দশমিক ৩৬ ডলারে নেমে এসেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে লেনদেন হওয়া অপরিশোধিত তেলের দাম ৫ দশমিক ৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯১ দশমিক ৫০ ডলারে।
২ দিন আগে
গত বছরের জুলাই মাসে জুবায়দুর রহমান স্বতন্ত্র পরিচালক হিসাবে ইসলামী ব্যাংকের বোর্ডে নিয়োগ পেয়েছিলেন। জুবায়দুর রহমান চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন।
৩ দিন আগে
বিইআরসি জানায়, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ০.২৫৬ ডলার কমিয়ে ১.০৮২৩ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
৪ দিন আগে