
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। সবাইকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেছেন, একজন আমানতকারীর আমানত নিয়েও কোনো সমস্যা হবে না। এ ছাড়া ব্যাংক খাতে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা সমস্যাগুলোর সমাধান আগামী সপ্তাহ বা কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শুরু হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী ব্যাংকের অস্থিরতা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গভর্নর এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্য ও অর্থ সচিবসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত রয়েছেন।
ইসলামী ব্যাংকের সার্বিক পরিস্থিতি এবং ব্যাংকটিতে ‘সরকারি হস্তক্ষেপ’ সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়েও খোলামেলা কথা বলেছেন গভর্নর মোশতাকুর রহমান। তার দাবি, ব্যাংকটিকে স্থিতিশীল জায়গায় নিয়ে আসাটাই মূল লক্ষ্য।
গভর্নর বলেন, ইসলামী ব্যাংক নিয়েও আমাদের প্রথম যে লক্ষ্য, স্ট্যাবিলিটি নিয়ে আসা। এর মধ্যে একটি গোষ্ঠীর অভিযোগ, সরকার এই ব্যাংকে অবৈধ হস্তক্ষেপ করছে। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর এই ব্যাংকের একটি বোর্ড পাই, অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত পাঁচজনের বোর্ড। তাদের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে আমরা অনিয়মের অভিযোগ পাই। গত ১৬ মার্চ তাকে বদলানো হয়েছে। এর বাইরে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে আমাদের আর কোনো কার্যক্রম ছিল না। কোনো লোন, বদলি, প্রমোশন কোনো কিছু নিয়েই কিছু বলি নাই।
ইসলামী ব্যাংক নিয়ে চলমান আন্দোলন-বিক্ষোভ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঈদের আগের দিন চেয়ারম্যান পদত্যাগ করেন। সেখানে পাঁচজনের বোর্ড। সিস্টেম্যাটিক ব্যাংকিংয়ের জন্য ন্যূনতম এই পাঁচজন না হলে চলবে না। তার পদত্যাগ ছিল অপ্রত্যাশিত। কিন্তু তার জায়গায় একজনকে নিয়োগ দিতেই হতো। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাকে নিয়োগ দিতে হয়।
গভর্নর বলেন, এরপর থেকেই এই ব্যাংককে অস্থির করে তোলার একটা প্রচেষ্টা আমরা দেখছি। আমাদের কিছু নিয়ম-কানুন আছে, কিছু টুলস আছে। আমরা আশা করছি, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এগুলো প্রয়োগ করব।
আমানতকারীরা কোনো অসুবিধায় পড়বেন না জানিয়ে মোশতাকুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে এডিআর (অ্যাডভান্স-ডিপোজিট রেশিও, ঋণ-আমানত অনুপাত) ৯৩-এর মতো ছিল, যেখানে এর সর্বোচ্চ সীমা ৯২। আমরা এটাকে কমাতে বলি। স্থিতিশীলতার জন্য এটি বলতে হয়েছে। মনে হয় না, কোনো সমস্যা হবে।
তিনি আরও বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংকের ম্যানেজমেন্ট কাজগুলো করছে। আর আমাদের যে সাপোর্ট প্রয়োজন, ইমারজেন্সি লিকুইডিটি (জরুরি তারল্য) প্রয়োজন হলে আমরা দেবো। মনে হয় না অন্য কোনো সমস্যা আছে।
সার্বিকভাবে ব্যাংকিং খাতের সমস্যা নিয়ে গভর্নর বলেন, মনে রাখতে হবে— আমরা যখন কাজ শুরু করি, তখন ব্যাংক ডিপোজিটের ওয়ান-থার্ড (এক-তৃতীয়াংশ) টাকা চুরি হয়ে গেছে। তাই শুরু থেকেই চেষ্টা ছিল এই খাতকে স্ট্যাবিলাইজ করা, তারপর রিক্যাপিটালাইজ করা— নিয়ম যেটা। আমরা সেটাই করার চেষ্টা করছি।
জনগণকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সার্বিকভাবে বুঝতে হবে, এক-তৃতীয়াংশ ডিপোজিট চুরি হয়ে গেছে। ধৈর্য ধরতে হবে। আমরা জনগণ ও ডিপোজিটরদের সহায়তা চাই। দীর্ঘদিন জমে থাকা সমস্যাগুলোর সমধানের জন্য কাজ চলছে। আগামী সপ্তাহ বা কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অগ্রগতি দেখবেন। ১২ বছর ধরে আমানতকারীরা টাকা পাচ্ছিল না— সেগুলো নিয়েও কার্যক্রম শুরু হবে। আমানতকারীরা তাদের টাকা ফেরত পাবেন।’
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে নানা গুজবের প্রসঙ্গেও কথা বলেন গভর্নর। বলেন, আমি ২৬ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেওয়ার কয়েকদিন পরই সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান রিজাইন করেন। তখন একজনকে এমডি হিসেবে নির্বাচিত করলেও তিনি দায়িত্ব নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। সঙ্গে সঙ্গে আমরা এমডি নিয়োগের জন্য বিজ্ঞাপন দিই।
সেই নিয়োগের নানা ধাপের কথাও উল্লেখ করেন মোশতাকুর রহমান। বলেন, পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের সিবিএস (কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার) ইন্টিগ্রেশন নিয়ে কাজ চলছে। এটি একটি বড় কাজ। আমাদের বিআরডি এ কাজটি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দেখবেন দ্রুততার সঙ্গে সব কাজ এগিয়ে যাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগের শাসনামলে ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপের কর্ণধার এস আলম তথা সাইফুল ইসলাম নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন ইসলামী ব্যাংক। তিনি নিজে ব্যাংকটির কোনো পদে না থাকলেও ছেলেকে চেয়ারম্যান বানিয়েছিলেন। জুলাই অভ্যুত্থানের পর হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার ও নানা ধরনের আর্থিক দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে এস আলম দেশ ছাড়েন। ইসলামী ব্যাংকও তার দখলমুক্ত হয়।
প্রায় দুই বছর পর গত ২৪ মে ঈদুল আজহার আগের শেষ কর্মদিবসে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জোবায়দুর রহমান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খান পদত্যাগ করেন। সেদিনই নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলমকে নিয়োগ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবস থেকেই ইসলামী ব্যাংকটির কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে সাত দফা দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন একদল ব্যক্তি। ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ ব্যানারে তারা টানা কয়েকদিন ধরে বিক্ষোভ করেন।

ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। সবাইকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেছেন, একজন আমানতকারীর আমানত নিয়েও কোনো সমস্যা হবে না। এ ছাড়া ব্যাংক খাতে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা সমস্যাগুলোর সমাধান আগামী সপ্তাহ বা কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শুরু হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী ব্যাংকের অস্থিরতা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গভর্নর এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্য ও অর্থ সচিবসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত রয়েছেন।
ইসলামী ব্যাংকের সার্বিক পরিস্থিতি এবং ব্যাংকটিতে ‘সরকারি হস্তক্ষেপ’ সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়েও খোলামেলা কথা বলেছেন গভর্নর মোশতাকুর রহমান। তার দাবি, ব্যাংকটিকে স্থিতিশীল জায়গায় নিয়ে আসাটাই মূল লক্ষ্য।
গভর্নর বলেন, ইসলামী ব্যাংক নিয়েও আমাদের প্রথম যে লক্ষ্য, স্ট্যাবিলিটি নিয়ে আসা। এর মধ্যে একটি গোষ্ঠীর অভিযোগ, সরকার এই ব্যাংকে অবৈধ হস্তক্ষেপ করছে। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর এই ব্যাংকের একটি বোর্ড পাই, অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত পাঁচজনের বোর্ড। তাদের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে আমরা অনিয়মের অভিযোগ পাই। গত ১৬ মার্চ তাকে বদলানো হয়েছে। এর বাইরে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে আমাদের আর কোনো কার্যক্রম ছিল না। কোনো লোন, বদলি, প্রমোশন কোনো কিছু নিয়েই কিছু বলি নাই।
ইসলামী ব্যাংক নিয়ে চলমান আন্দোলন-বিক্ষোভ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঈদের আগের দিন চেয়ারম্যান পদত্যাগ করেন। সেখানে পাঁচজনের বোর্ড। সিস্টেম্যাটিক ব্যাংকিংয়ের জন্য ন্যূনতম এই পাঁচজন না হলে চলবে না। তার পদত্যাগ ছিল অপ্রত্যাশিত। কিন্তু তার জায়গায় একজনকে নিয়োগ দিতেই হতো। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাকে নিয়োগ দিতে হয়।
গভর্নর বলেন, এরপর থেকেই এই ব্যাংককে অস্থির করে তোলার একটা প্রচেষ্টা আমরা দেখছি। আমাদের কিছু নিয়ম-কানুন আছে, কিছু টুলস আছে। আমরা আশা করছি, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এগুলো প্রয়োগ করব।
আমানতকারীরা কোনো অসুবিধায় পড়বেন না জানিয়ে মোশতাকুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে এডিআর (অ্যাডভান্স-ডিপোজিট রেশিও, ঋণ-আমানত অনুপাত) ৯৩-এর মতো ছিল, যেখানে এর সর্বোচ্চ সীমা ৯২। আমরা এটাকে কমাতে বলি। স্থিতিশীলতার জন্য এটি বলতে হয়েছে। মনে হয় না, কোনো সমস্যা হবে।
তিনি আরও বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংকের ম্যানেজমেন্ট কাজগুলো করছে। আর আমাদের যে সাপোর্ট প্রয়োজন, ইমারজেন্সি লিকুইডিটি (জরুরি তারল্য) প্রয়োজন হলে আমরা দেবো। মনে হয় না অন্য কোনো সমস্যা আছে।
সার্বিকভাবে ব্যাংকিং খাতের সমস্যা নিয়ে গভর্নর বলেন, মনে রাখতে হবে— আমরা যখন কাজ শুরু করি, তখন ব্যাংক ডিপোজিটের ওয়ান-থার্ড (এক-তৃতীয়াংশ) টাকা চুরি হয়ে গেছে। তাই শুরু থেকেই চেষ্টা ছিল এই খাতকে স্ট্যাবিলাইজ করা, তারপর রিক্যাপিটালাইজ করা— নিয়ম যেটা। আমরা সেটাই করার চেষ্টা করছি।
জনগণকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সার্বিকভাবে বুঝতে হবে, এক-তৃতীয়াংশ ডিপোজিট চুরি হয়ে গেছে। ধৈর্য ধরতে হবে। আমরা জনগণ ও ডিপোজিটরদের সহায়তা চাই। দীর্ঘদিন জমে থাকা সমস্যাগুলোর সমধানের জন্য কাজ চলছে। আগামী সপ্তাহ বা কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অগ্রগতি দেখবেন। ১২ বছর ধরে আমানতকারীরা টাকা পাচ্ছিল না— সেগুলো নিয়েও কার্যক্রম শুরু হবে। আমানতকারীরা তাদের টাকা ফেরত পাবেন।’
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নিয়ে নানা গুজবের প্রসঙ্গেও কথা বলেন গভর্নর। বলেন, আমি ২৬ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেওয়ার কয়েকদিন পরই সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান রিজাইন করেন। তখন একজনকে এমডি হিসেবে নির্বাচিত করলেও তিনি দায়িত্ব নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। সঙ্গে সঙ্গে আমরা এমডি নিয়োগের জন্য বিজ্ঞাপন দিই।
সেই নিয়োগের নানা ধাপের কথাও উল্লেখ করেন মোশতাকুর রহমান। বলেন, পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকের সিবিএস (কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার) ইন্টিগ্রেশন নিয়ে কাজ চলছে। এটি একটি বড় কাজ। আমাদের বিআরডি এ কাজটি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দেখবেন দ্রুততার সঙ্গে সব কাজ এগিয়ে যাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগের শাসনামলে ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপের কর্ণধার এস আলম তথা সাইফুল ইসলাম নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন ইসলামী ব্যাংক। তিনি নিজে ব্যাংকটির কোনো পদে না থাকলেও ছেলেকে চেয়ারম্যান বানিয়েছিলেন। জুলাই অভ্যুত্থানের পর হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার ও নানা ধরনের আর্থিক দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে এস আলম দেশ ছাড়েন। ইসলামী ব্যাংকও তার দখলমুক্ত হয়।
প্রায় দুই বছর পর গত ২৪ মে ঈদুল আজহার আগের শেষ কর্মদিবসে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জোবায়দুর রহমান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওমর ফারুক খান পদত্যাগ করেন। সেদিনই নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলমকে নিয়োগ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবস থেকেই ইসলামী ব্যাংকটির কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে সাত দফা দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন একদল ব্যক্তি। ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ ব্যানারে তারা টানা কয়েকদিন ধরে বিক্ষোভ করেন।

ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক নুর উন নবী দাবি করেছেন, ইসলামী ব্যাংক নিয়ে তাদের সাত দফা দাবির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান একমত পোষণ করেছেন। তবে বাংলাদেশের ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
৩ দিন আগে
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সাল শেষে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের পরিমাণ আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়ে ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে; যা আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকারের চেয়েও বেশি। এটি ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের ৫৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
৩ দিন আগে
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ৭ হাজার ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে পাঁচটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন এবং দুটি সংশোধিত প্রকল্প।
৪ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক শান্তি চুক্তি নিয়ে বিস্তারিত তথ্যের অভাব এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হতে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে এমন আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বাড়তে শুরু করেছে জ্বালানি তেলের দাম।
৪ দিন আগে