
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির হেড অফিস কমপ্লেক্স কর্পোরেট শাখার উদ্যোগে আজ বুধবার একটি গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পর্ষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত (চেয়ারম্যানের চলতি দায়িত্ব) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. আলতাফ হুসাইন এবং এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহমুদ হোসাইন খাঁন। ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অফিস কমপ্লেক্স কর্পোরেট শাখার প্রধান মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল লতিফ।
গ্রাহকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন মিসবাহুল উলুম কামিল মাদ্রাসার মোহাদ্দিস ড. মাওলানা মাহমুদুল হাসান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালক মো. মামুন উর রশিদ (এফসিএম), আকিজ গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর গোলাম মুরশিদ বাপ্পি এবং আল-মুসলিম গ্রুপের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর আবুল হোসাইন অপু। এ সময় ব্যাংকের নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ জহির হোসেন বলেন, ইসলামী ব্যাংকের প্রকৃত মালিক এর আমানতকারীরা। তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও বর্তমান ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, ‘যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ইনশাআল্লাহ ইসলামী ব্যাংকও সগৌরবে টিকে থাকবে। এটি কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা দলের ব্যাংক হবে না, এটি হবে সর্বসাধারণের ব্যাংক।’
গ্রাহকদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের পরিমাণ প্রায় ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, অথচ গ্রাহকদের আমানত প্রায় পৌনে দুই লাখ কোটি টাকা। শেয়ারের এই পরিমাণ মোট আমানতের তুলনায় খুবই সামান্য।
তিনি আরও বলেন, ইসলামী ব্যাংকের ৩০ থেকে ৩৫ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন দক্ষ ব্যবস্থাপনা দলের ওপর পূর্ণ আস্থা ও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘পরিচালনা পর্ষদের কাজ নীতিনির্ধারণ করা, আর ব্যাংক পরিচালনা করবেন পেশাদাররা।’
গ্রাহক ও আমানতকারীদের ব্যাংকের পাশে থাকার এবং আমানত বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে মোহাম্মদ জহির হোসেন বলেন, ইসলামী ব্যাংকের আর পেছনে ফিরে তাকানোর সুযোগ নেই। তিনি আশা প্রকাশ করেন, পেশাদারিত্বের সঙ্গে পরিচালনার মাধ্যমে ব্যাংকটি অল্প সময়ের মধ্যেই হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার করে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির হেড অফিস কমপ্লেক্স কর্পোরেট শাখার উদ্যোগে আজ বুধবার একটি গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের পর্ষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত (চেয়ারম্যানের চলতি দায়িত্ব) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. আলতাফ হুসাইন এবং এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহমুদ হোসাইন খাঁন। ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অফিস কমপ্লেক্স কর্পোরেট শাখার প্রধান মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল লতিফ।
গ্রাহকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন মিসবাহুল উলুম কামিল মাদ্রাসার মোহাদ্দিস ড. মাওলানা মাহমুদুল হাসান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালক মো. মামুন উর রশিদ (এফসিএম), আকিজ গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর গোলাম মুরশিদ বাপ্পি এবং আল-মুসলিম গ্রুপের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর আবুল হোসাইন অপু। এ সময় ব্যাংকের নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ জহির হোসেন বলেন, ইসলামী ব্যাংকের প্রকৃত মালিক এর আমানতকারীরা। তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও বর্তমান ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, ‘যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, ইনশাআল্লাহ ইসলামী ব্যাংকও সগৌরবে টিকে থাকবে। এটি কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা দলের ব্যাংক হবে না, এটি হবে সর্বসাধারণের ব্যাংক।’
গ্রাহকদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের পরিমাণ প্রায় ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, অথচ গ্রাহকদের আমানত প্রায় পৌনে দুই লাখ কোটি টাকা। শেয়ারের এই পরিমাণ মোট আমানতের তুলনায় খুবই সামান্য।
তিনি আরও বলেন, ইসলামী ব্যাংকের ৩০ থেকে ৩৫ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন দক্ষ ব্যবস্থাপনা দলের ওপর পূর্ণ আস্থা ও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘পরিচালনা পর্ষদের কাজ নীতিনির্ধারণ করা, আর ব্যাংক পরিচালনা করবেন পেশাদাররা।’
গ্রাহক ও আমানতকারীদের ব্যাংকের পাশে থাকার এবং আমানত বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে মোহাম্মদ জহির হোসেন বলেন, ইসলামী ব্যাংকের আর পেছনে ফিরে তাকানোর সুযোগ নেই। তিনি আশা প্রকাশ করেন, পেশাদারিত্বের সঙ্গে পরিচালনার মাধ্যমে ব্যাংকটি অল্প সময়ের মধ্যেই হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার করে নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বছর বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
৩ দিন আগে
সংশোধিত বিধানে কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১ থাকবে। পাশাপাশি কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার প্রকৃত মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণের বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না।
৩ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
৩ দিন আগে