
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সব ধরনের লেনদেন ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে সম্পন্ন করলে তালিকাভুক্ত ও অ-তালিকাভুক্ত সব কোম্পানিকে অতিরিক্ত আড়াই শতাংশ কর ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ব্যবসায়ী মহলের করপোরেট কর কমানোর দাবির মধ্যেই তিনি এ ঘোষণা দেন।
সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে এ প্রস্তাব তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। শুরুতে বাজেটের ওপর বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। পরে সংসদ নেতা তারেক রহমান বক্তব্য দেন।
পুঁজিবাজারকে আরও টেকসই করার লক্ষ্য তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, “লিস্টেড বা নন-লিস্টেড যে কোনো কোম্পানি তাদের সকল লেনদেন ব্যাংকিং চ্যানেলে সম্পাদন করলে অতিরিক্ত ২.৫ শতাংশ কর সুবিধা প্রদানের প্রস্তাব করছি।”
তিনি আরও বলেন, “এতে ক্যাশলেস লেনদেন সম্পাদনকারী যে সকল লিস্টেড কোম্পানি শেয়ার বাজারে ১০ শতাংশ বা তার বেশি শেয়ার অফলোড করেছে তাদের কর হার নন-লিস্টেড কোম্পানির কর হারের তুলনায় ৭.৫০ শতাংশ কম হবে।”
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শুধু তালিকাভুক্ত কোম্পানির ক্ষেত্রে সব লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন হলে আড়াই শতাংশ কর ছাড়ের প্রস্তাব ছিল। নতুন প্রস্তাব কার্যকর হলে অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোও একই সুবিধা পাবে। বর্তমানে কোম্পানিভেদে ভিন্ন ভিন্ন করহার কার্যকর রয়েছে।
আয়কর আইনে সংজ্ঞায়িত কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে চলতি অর্থবছরের আয়ের ওপর শর্ত ছাড়াই করহার সাড়ে ২৭ শতাংশ। নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে তা ২৫ শতাংশে নেমে আসে। পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার আইপিওর মাধ্যমে হস্তান্তর করা তালিকাভুক্ত কোম্পানির করহার বর্তমানে ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ। শর্ত পূরণ করলে তাদের করহার ২০ শতাংশই থাকছে।
অন্যদিকে, যেসব তালিকাভুক্ত কোম্পানি পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার আইপিওর মাধ্যমে হস্তান্তর করেনি, তাদের করহার বর্তমানে সাড়ে ২৭ শতাংশ। শর্ত পূরণ করলে নতুন অর্থবছরে তা ২৫ শতাংশ হবে বলে প্রস্তাব করা হয়েছে।
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে আরও কয়েকটি সংশোধনী প্রস্তাবও দেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “পুঁজিবাজারের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে আমি অর্থ বিলে একগুচ্ছ সংশোধনী প্রস্তাব আনছি: জিরো কুপন বন্ডের আয়কে করমুক্ত রাখার প্রস্তাব করছি।”
এ ছাড়া যেকোনো পরিমাণ শেয়ার হস্তান্তরের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হলেও ২ দশমিক ৫ শতাংশ কর ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব করেন তিনি। পাশাপাশি কোম্পানি করদাতাদের লভ্যাংশের ওপর করহার কমিয়ে ২০ শতাংশ এবং ব্যক্তি করদাতাদের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেন। মিউচ্যুয়াল ফান্ডে কর রেয়াত পেতে ৫ লাখ টাকার বিনিয়োগসীমা তুলে দেওয়ারও প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “শিল্পায়ন ও বিনিয়োগে দীর্ঘমেয়াদি মূলধন যোগাতে ভালো কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে আসতে উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আমরা লক্ষ্য করছি, ইতোমধ্যে পুঁজিবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরতে শুরু করেছে, যা বর্তমান বাজার সূচকের উত্থানের মাধ্যমে পরিলক্ষিত হচ্ছে। এ খাতে সংস্কার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।”
রাজনীতি/আরআইআর

সব ধরনের লেনদেন ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে সম্পন্ন করলে তালিকাভুক্ত ও অ-তালিকাভুক্ত সব কোম্পানিকে অতিরিক্ত আড়াই শতাংশ কর ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ব্যবসায়ী মহলের করপোরেট কর কমানোর দাবির মধ্যেই তিনি এ ঘোষণা দেন।
সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে এ প্রস্তাব তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। শুরুতে বাজেটের ওপর বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। পরে সংসদ নেতা তারেক রহমান বক্তব্য দেন।
পুঁজিবাজারকে আরও টেকসই করার লক্ষ্য তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, “লিস্টেড বা নন-লিস্টেড যে কোনো কোম্পানি তাদের সকল লেনদেন ব্যাংকিং চ্যানেলে সম্পাদন করলে অতিরিক্ত ২.৫ শতাংশ কর সুবিধা প্রদানের প্রস্তাব করছি।”
তিনি আরও বলেন, “এতে ক্যাশলেস লেনদেন সম্পাদনকারী যে সকল লিস্টেড কোম্পানি শেয়ার বাজারে ১০ শতাংশ বা তার বেশি শেয়ার অফলোড করেছে তাদের কর হার নন-লিস্টেড কোম্পানির কর হারের তুলনায় ৭.৫০ শতাংশ কম হবে।”
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শুধু তালিকাভুক্ত কোম্পানির ক্ষেত্রে সব লেনদেন ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন হলে আড়াই শতাংশ কর ছাড়ের প্রস্তাব ছিল। নতুন প্রস্তাব কার্যকর হলে অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোও একই সুবিধা পাবে। বর্তমানে কোম্পানিভেদে ভিন্ন ভিন্ন করহার কার্যকর রয়েছে।
আয়কর আইনে সংজ্ঞায়িত কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে চলতি অর্থবছরের আয়ের ওপর শর্ত ছাড়াই করহার সাড়ে ২৭ শতাংশ। নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে তা ২৫ শতাংশে নেমে আসে। পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার আইপিওর মাধ্যমে হস্তান্তর করা তালিকাভুক্ত কোম্পানির করহার বর্তমানে ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ। শর্ত পূরণ করলে তাদের করহার ২০ শতাংশই থাকছে।
অন্যদিকে, যেসব তালিকাভুক্ত কোম্পানি পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার আইপিওর মাধ্যমে হস্তান্তর করেনি, তাদের করহার বর্তমানে সাড়ে ২৭ শতাংশ। শর্ত পূরণ করলে নতুন অর্থবছরে তা ২৫ শতাংশ হবে বলে প্রস্তাব করা হয়েছে।
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে আরও কয়েকটি সংশোধনী প্রস্তাবও দেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “পুঁজিবাজারের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে আমি অর্থ বিলে একগুচ্ছ সংশোধনী প্রস্তাব আনছি: জিরো কুপন বন্ডের আয়কে করমুক্ত রাখার প্রস্তাব করছি।”
এ ছাড়া যেকোনো পরিমাণ শেয়ার হস্তান্তরের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হলেও ২ দশমিক ৫ শতাংশ কর ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব করেন তিনি। পাশাপাশি কোম্পানি করদাতাদের লভ্যাংশের ওপর করহার কমিয়ে ২০ শতাংশ এবং ব্যক্তি করদাতাদের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেন। মিউচ্যুয়াল ফান্ডে কর রেয়াত পেতে ৫ লাখ টাকার বিনিয়োগসীমা তুলে দেওয়ারও প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “শিল্পায়ন ও বিনিয়োগে দীর্ঘমেয়াদি মূলধন যোগাতে ভালো কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে আসতে উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আমরা লক্ষ্য করছি, ইতোমধ্যে পুঁজিবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরতে শুরু করেছে, যা বর্তমান বাজার সূচকের উত্থানের মাধ্যমে পরিলক্ষিত হচ্ছে। এ খাতে সংস্কার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।”
রাজনীতি/আরআইআর

সাম্প্রতিক আর্থিক পারফরম্যান্সের তুলনায় এই লোকসান এখন ব্যাংকের অবস্থায় বড় ধরনের অবনতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত পাঁচ বছর ইসলামী ব্যাংক মুনাফায় ছিল। এর মধ্যে ২০২৫ সালে ১৩৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, ২০২৪ সালে ১০৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা এবং ২০২৩ সালে ৬৩৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা মুনাফা করে ব্যাংকটি। এই
১১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) অর্থায়নে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০১৭ সালের জুলাইয়ে প্রকল্পটি চালু করে। স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ার প্রেক্ষাপটে রপ্তানি বহুমুখীকরণকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্
১১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গানভর ইউএসএ এলএলসি থেকে আগামী ১৩ বছর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করবে সরকার। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) পর্যায়ে মোট ৭৮ কার্গো এলএনজি আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সাল থেকে ২০৩৯ সাল পর্যন্ত প্রতি
২ দিন আগে
উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। তবে বাংলাদেশের ওপর নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না।
২ দিন আগে