
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে প্রযুক্তিনির্ভর, নিরাপদ ও টেকসই সেবা প্রদানের স্বীকৃতি হিসেবে সম্মাননা অর্জন করেছে ডিজিটাল জ্বালানি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান মাই ফুয়েল পাম্প। দেশের জ্বালানি বিতরণ ব্যবস্থাকে আধুনিক, স্বচ্ছ ও দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।
শনিবার (১৮ জুলাই) ঢাকার স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটিকে মোস্ট সাসটেইনেবল এনার্জি ইনিশিয়েটিভ অব দ্য ইয়ার বিভাগে সম্মানসূচক স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম ও সাসটেইনেবল ব্র্যান্ড ইনিশিয়েটিভ এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।
মাই ফুয়েল পাম্পের কর্ণধার পার্থ প্রতীম চৌধুরী বলেন, এই পুরস্কার কেবল আমাদের প্রতিষ্ঠানের নয়, বরং বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনের এক বড় অর্জন। আশা করি, ডিজিটাল প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি খাতে ইতিবাচক ও টেকসই পরিবর্তন আনা সম্ভব।
এ সাফল্যের অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন, পদ্মা অয়েল পিএলসি, গ্রাহক ও প্রতিষ্ঠানের নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন পার্থ প্রতীম।
পদ্মা অয়েল পিএলসির অনুমোদিত ডিজিটাল মোবাইল ডিলার হিসেবে মাই ফুয়েল পাম্প গ্রাহকদের দোরগোড়ায় জ্বালানি পৌঁছে দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি বিএসটিআই অনুমোদিত ও সিলযুক্ত মিটারবাহী মোবাইল ডিসপেন্সার ভ্যানের মাধ্যমে ডিজেল সরবরাহ করে থাকে। এতে জ্বালানির পরিমাণ ও গুণগত মান নিয়ে গ্রাহকের সন্দেহের অবকাশ থাকে না এবং সরাসরি ডিপো থেকে জ্বালানি আসায় নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
২০২৫ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে শিল্পকারখানা, হাসপাতাল, হোটেল ও বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানে জ্বালানি সরবরাহ করে আসছে মাই ফুয়েল পাম্প। বর্তমানে শতাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও পাঁচ হাজারেরও বেশি ব্যক্তি গ্রাহক এই সেবা গ্রহণ করছেন। যাত্রা শুরুর পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি এখন পর্যন্ত ১০ লাখ লিটারের বেশি ডিজেল সফলভাবে সরবরাহ করেছে।
বর্তমানে ঢাকা মহানগর এলাকায় সেবা দিলেও আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি বড় শহরে এ কার্যক্রম ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে মাই ফুয়েল পাম্পের।

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে প্রযুক্তিনির্ভর, নিরাপদ ও টেকসই সেবা প্রদানের স্বীকৃতি হিসেবে সম্মাননা অর্জন করেছে ডিজিটাল জ্বালানি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান মাই ফুয়েল পাম্প। দেশের জ্বালানি বিতরণ ব্যবস্থাকে আধুনিক, স্বচ্ছ ও দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।
শনিবার (১৮ জুলাই) ঢাকার স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটিকে মোস্ট সাসটেইনেবল এনার্জি ইনিশিয়েটিভ অব দ্য ইয়ার বিভাগে সম্মানসূচক স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম ও সাসটেইনেবল ব্র্যান্ড ইনিশিয়েটিভ এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।
মাই ফুয়েল পাম্পের কর্ণধার পার্থ প্রতীম চৌধুরী বলেন, এই পুরস্কার কেবল আমাদের প্রতিষ্ঠানের নয়, বরং বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনের এক বড় অর্জন। আশা করি, ডিজিটাল প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি খাতে ইতিবাচক ও টেকসই পরিবর্তন আনা সম্ভব।
এ সাফল্যের অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন, পদ্মা অয়েল পিএলসি, গ্রাহক ও প্রতিষ্ঠানের নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন পার্থ প্রতীম।
পদ্মা অয়েল পিএলসির অনুমোদিত ডিজিটাল মোবাইল ডিলার হিসেবে মাই ফুয়েল পাম্প গ্রাহকদের দোরগোড়ায় জ্বালানি পৌঁছে দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি বিএসটিআই অনুমোদিত ও সিলযুক্ত মিটারবাহী মোবাইল ডিসপেন্সার ভ্যানের মাধ্যমে ডিজেল সরবরাহ করে থাকে। এতে জ্বালানির পরিমাণ ও গুণগত মান নিয়ে গ্রাহকের সন্দেহের অবকাশ থাকে না এবং সরাসরি ডিপো থেকে জ্বালানি আসায় নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
২০২৫ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে শিল্পকারখানা, হাসপাতাল, হোটেল ও বিভিন্ন করপোরেট প্রতিষ্ঠানে জ্বালানি সরবরাহ করে আসছে মাই ফুয়েল পাম্প। বর্তমানে শতাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও পাঁচ হাজারেরও বেশি ব্যক্তি গ্রাহক এই সেবা গ্রহণ করছেন। যাত্রা শুরুর পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি এখন পর্যন্ত ১০ লাখ লিটারের বেশি ডিজেল সফলভাবে সরবরাহ করেছে।
বর্তমানে ঢাকা মহানগর এলাকায় সেবা দিলেও আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি বড় শহরে এ কার্যক্রম ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে মাই ফুয়েল পাম্পের।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বছর বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
৩ দিন আগে
সংশোধিত বিধানে কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১ থাকবে। পাশাপাশি কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার প্রকৃত মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণের বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না।
৩ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
৩ দিন আগে