
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আন্তর্জাতিক নারী দিবস (৮ মার্চ) উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের নারী ক্রীড়াবিদদের সাফল্য ও সংগ্রামের গল্প তুলে ধরতে বিশেষ জাতীয় গোলটেবিল আলোচনা আয়োজন করেছে ডেইলি সান। এ দিন বাংলাদেশে ক্রীড়ায় নারীর অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নেওয়া, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সাফল্যকে সমৃদ্ধ করা এবং নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে পাঁচজন কৃতী নারী ক্রীড়াবিদকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন— সালমা খাতুন, ক্রিকেটার; মাবিয়া আক্তার, ভারোত্তোলক; সানজিদা আক্তার, ফুটবলার; নিগার সুলতানা জ্যোতি, ক্রিকেটার; এবং মাহফুজা খাতুন শিলা, সাঁতারু। তাদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেইলি সানের সম্পাদক রেজাউল করিম লোটাস এবং এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর তাসভীর উল ইসলাম।
গ্রেস প্রেজেন্টস “রাইজ অব উইমেন’স স্পোর্ট” শিরোনামের এই আয়োজনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের নারী ক্রীড়াবিদ, কোচ, ক্রীড়া সংগঠক ও নীতিনির্ধারকরা অংশ নিয়ে নারী ক্রীড়ার অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন।
ডেইলি সানের এই উদ্যোগে টাইটেল পার্টনার হিসেবে ছিল গ্রেস এবং অ্যাসোসিয়েট পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল এস-রহমান প্রপার্টিস এবং বসুন্ধরা মেডিকেল সিটি। করপোরেট খাতের এমন সম্পৃক্ততা নারী ক্ষমতায়ন ও নারী ক্রীড়ার বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন আয়োজকরা।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের নারী ক্রীড়াবিদরা তাদের অভিজ্ঞতা, সংগ্রাম ও স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন। বর্তমান ও সাবেক জাতীয় দলের খেলোয়াড়, কোচ এবং ক্রীড়া কর্মকর্তারা আলোচনায় অংশ নিয়ে নারী ক্রীড়ার বিকাশে বিদ্যমান কাঠামোগত, আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নানা সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন।
আলোচনায় উঠে আসে উন্নত প্রশিক্ষণ সুবিধার সীমাবদ্ধতা, আর্থিক নিরাপত্তার অভাব, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিবন্ধকতা এবং গণমাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রচারের ঘাটতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেক ক্রীড়াবিদ প্রতিযোগিতামূলক ক্যারিয়ার শেষে নারী খেলোয়াড়দের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও সহায়তা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।
গোলটেবিল আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি মনোযোগ দিয়ে ক্রীড়াবিদ ও কোচদের বক্তব্য শোনেন এবং তাদের উত্থাপিত বিষয়গুলোর নোট নেন। তিনি আশ্বাস দেন, নারী ক্রীড়াবিদদের জন্য আরও ভালো পরিবেশ ও সুযোগ তৈরিতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
একই সঙ্গে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে বাংলাদেশের নারী ক্রীড়াবিদদের ধারাবাহিক সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। তাদের নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও দৃঢ়তার প্রশংসা করে বলেন, নারী ক্রীড়াবিদদের অর্জন দেশের জন্য গর্ব ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়িয়েছে।
এই গোলটেবিল আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল জাতীয় গৌরব ও সামাজিক পরিবর্তনে নারী ক্রীড়াবিদদের অবদান তুলে ধরা এবং সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার দিকগুলো চিহ্নিত করা।
আয়োজকদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ ক্রীড়াবিদ, নীতিনির্ধারক, ক্রীড়া সংগঠক ও গণমাধ্যমের মধ্যে গঠনমূলক সংলাপ তৈরি করবে এবং বাস্তব জীবনের অনুপ্রেরণামূলক গল্পের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মেয়েদের খেলাধুলায় এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান নির্বাচক সালমা খাতুন, জাতীয় দলের পেসার মারুফা আক্তার এবং অলরাউন্ডার শর্না আক্তার।
এ ছাড়াও ছিলেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২১ হকি দলের অধিনায়ক অর্পিতা পাল, একই দলের গোলরক্ষক হিমাদ্রি বড়ুয়া সুখ এবং বাংলাদেশ নারী জাতীয় ক্রিকেট দলের ম্যানেজার এস এম গোলাম ফাইয়াজ।
বাংলাদেশ নারী জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় সানজিদা আক্তার, জাতীয় শুটিং দলের কামরুন্নাহার কলি ও তাসমায়াতি এমা আলী এবং দাবা থেকে নারী ফিদে মাস্টার নওশিন আঞ্জুম আলোচনায় অংশ নেন।
আরও অংশ নেন জাতীয় আর্চারি দলের বন্না আক্তার, জাতীয় বক্সার সানজিদা জান্নাত, টেবিল টেনিস খেলোয়াড় খয় খয় সাই মারমা, সাদিয়া রহমান মৌ ও সোনাম সুলতানা সোমা এবং ভারোত্তোলক মাবিয়া আক্তার।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তরুণ ফুটবলারদের মধ্যেও অনেকে। তাদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক অর্পিতা বিশ্বাস এবং অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবল দলের খেলোয়াড় সিনহা জাহান সিখা।
কোচিং কমিউনিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন নারী ফুটবল কোচ লিনা চাকমা, ফুটবল কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন এবং নারী ফুটবল কোচ মাহমুদা শরিফা অদিতি।
আলোচনার শেষ পর্যায়ে ক্রীড়াবিদরা বলেন, নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও দৃঢ়তা, পরিশ্রম ও অদম্য মানসিক শক্তির জোরেই বাংলাদেশে নারী ক্রীড়ার উত্থান ঘটছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নীতিগত সহায়তা, উন্নত অবকাঠামো এবং প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন আরও জোরদার হলে ভবিষ্যতে দেশের নারী ক্রীড়া নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস (৮ মার্চ) উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের নারী ক্রীড়াবিদদের সাফল্য ও সংগ্রামের গল্প তুলে ধরতে বিশেষ জাতীয় গোলটেবিল আলোচনা আয়োজন করেছে ডেইলি সান। এ দিন বাংলাদেশে ক্রীড়ায় নারীর অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নেওয়া, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের সাফল্যকে সমৃদ্ধ করা এবং নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে পাঁচজন কৃতী নারী ক্রীড়াবিদকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন— সালমা খাতুন, ক্রিকেটার; মাবিয়া আক্তার, ভারোত্তোলক; সানজিদা আক্তার, ফুটবলার; নিগার সুলতানা জ্যোতি, ক্রিকেটার; এবং মাহফুজা খাতুন শিলা, সাঁতারু। তাদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেইলি সানের সম্পাদক রেজাউল করিম লোটাস এবং এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর তাসভীর উল ইসলাম।
গ্রেস প্রেজেন্টস “রাইজ অব উইমেন’স স্পোর্ট” শিরোনামের এই আয়োজনে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, দেশের বিভিন্ন অঙ্গনের নারী ক্রীড়াবিদ, কোচ, ক্রীড়া সংগঠক ও নীতিনির্ধারকরা অংশ নিয়ে নারী ক্রীড়ার অগ্রগতি ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন।
ডেইলি সানের এই উদ্যোগে টাইটেল পার্টনার হিসেবে ছিল গ্রেস এবং অ্যাসোসিয়েট পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল এস-রহমান প্রপার্টিস এবং বসুন্ধরা মেডিকেল সিটি। করপোরেট খাতের এমন সম্পৃক্ততা নারী ক্ষমতায়ন ও নারী ক্রীড়ার বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন আয়োজকরা।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের নারী ক্রীড়াবিদরা তাদের অভিজ্ঞতা, সংগ্রাম ও স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন। বর্তমান ও সাবেক জাতীয় দলের খেলোয়াড়, কোচ এবং ক্রীড়া কর্মকর্তারা আলোচনায় অংশ নিয়ে নারী ক্রীড়ার বিকাশে বিদ্যমান কাঠামোগত, আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নানা সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন।
আলোচনায় উঠে আসে উন্নত প্রশিক্ষণ সুবিধার সীমাবদ্ধতা, আর্থিক নিরাপত্তার অভাব, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিবন্ধকতা এবং গণমাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রচারের ঘাটতির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনেক ক্রীড়াবিদ প্রতিযোগিতামূলক ক্যারিয়ার শেষে নারী খেলোয়াড়দের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও সহায়তা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।
গোলটেবিল আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি মনোযোগ দিয়ে ক্রীড়াবিদ ও কোচদের বক্তব্য শোনেন এবং তাদের উত্থাপিত বিষয়গুলোর নোট নেন। তিনি আশ্বাস দেন, নারী ক্রীড়াবিদদের জন্য আরও ভালো পরিবেশ ও সুযোগ তৈরিতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
একই সঙ্গে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে বাংলাদেশের নারী ক্রীড়াবিদদের ধারাবাহিক সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। তাদের নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও দৃঢ়তার প্রশংসা করে বলেন, নারী ক্রীড়াবিদদের অর্জন দেশের জন্য গর্ব ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়িয়েছে।
এই গোলটেবিল আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল জাতীয় গৌরব ও সামাজিক পরিবর্তনে নারী ক্রীড়াবিদদের অবদান তুলে ধরা এবং সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার দিকগুলো চিহ্নিত করা।
আয়োজকদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ ক্রীড়াবিদ, নীতিনির্ধারক, ক্রীড়া সংগঠক ও গণমাধ্যমের মধ্যে গঠনমূলক সংলাপ তৈরি করবে এবং বাস্তব জীবনের অনুপ্রেরণামূলক গল্পের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মেয়েদের খেলাধুলায় এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান নির্বাচক সালমা খাতুন, জাতীয় দলের পেসার মারুফা আক্তার এবং অলরাউন্ডার শর্না আক্তার।
এ ছাড়াও ছিলেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২১ হকি দলের অধিনায়ক অর্পিতা পাল, একই দলের গোলরক্ষক হিমাদ্রি বড়ুয়া সুখ এবং বাংলাদেশ নারী জাতীয় ক্রিকেট দলের ম্যানেজার এস এম গোলাম ফাইয়াজ।
বাংলাদেশ নারী জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় সানজিদা আক্তার, জাতীয় শুটিং দলের কামরুন্নাহার কলি ও তাসমায়াতি এমা আলী এবং দাবা থেকে নারী ফিদে মাস্টার নওশিন আঞ্জুম আলোচনায় অংশ নেন।
আরও অংশ নেন জাতীয় আর্চারি দলের বন্না আক্তার, জাতীয় বক্সার সানজিদা জান্নাত, টেবিল টেনিস খেলোয়াড় খয় খয় সাই মারমা, সাদিয়া রহমান মৌ ও সোনাম সুলতানা সোমা এবং ভারোত্তোলক মাবিয়া আক্তার।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তরুণ ফুটবলারদের মধ্যেও অনেকে। তাদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক অর্পিতা বিশ্বাস এবং অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবল দলের খেলোয়াড় সিনহা জাহান সিখা।
কোচিং কমিউনিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন নারী ফুটবল কোচ লিনা চাকমা, ফুটবল কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন এবং নারী ফুটবল কোচ মাহমুদা শরিফা অদিতি।
আলোচনার শেষ পর্যায়ে ক্রীড়াবিদরা বলেন, নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও দৃঢ়তা, পরিশ্রম ও অদম্য মানসিক শক্তির জোরেই বাংলাদেশে নারী ক্রীড়ার উত্থান ঘটছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নীতিগত সহায়তা, উন্নত অবকাঠামো এবং প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন আরও জোরদার হলে ভবিষ্যতে দেশের নারী ক্রীড়া নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

এর আগে গত শুক্রবার সোনার দাম বাড়ানো হয়েছিল। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে আবারও দাম কমানোর ঘোষণা এলো। বাজুস জানিয়েছে, নতুন দামের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় সোনার গয়না কেনার সময় ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না।
৪ দিন আগে
সার্কুলারে বলা হয়, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তা বা রপ্তানি ভর্তুকির আবেদনপত্র বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১-এর অনাপত্তি সাপেক্ষে ব্যাংকের হিসাব নিরীক্ষায় নিয়োজিত সমসংখ্যক অডিট ফার্ম দিয়ে নিরীক্ষা করানো যাবে।
৪ দিন আগে
বাংলা কিউআর-এর ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং এ বিষয়ে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বাংলা কিউআর ব্যবহার করে কেনাকাটা করেছেন।
৬ দিন আগে
তিনি বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ, সরাসরি বিনিয়োগ, ক্যাপিটাল মার্কেটে বিনিয়োগ এবং ফান্ড ম্যানেজারদের বিনিয়োগ- সবই বাংলাদেশে আসছে। বাজেট প্রথমত বাংলাদেশের জন্য। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি অঞ্চলের যে সম্ভাবনা আছে, সেটিকে মাথায় রেখে বাজেট করা হয়েছে এবং সেই সম্ভাবনাগুলো কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সেটিকে গুরুত্ব দেওয়া হ
৬ দিন আগে