
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রভাব পড়েছে দেশের ডলারের বাজারে। আজ মঙ্গলবার ১২২ টাকা ৯০ পয়সা পর্যন্ত দামে প্রবাসী আয় কিনেছে ব্যাংকগুলো। ফলে আমদানিতে ডলারের দাম ১২৩ টাকা পর্যন্ত উঠে গেছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোয় খোঁজ নিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।
আজ সকালে এক আমদানিকারক বলেন, ব্যাংকগুলো মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সুযোগ নিচ্ছে। হঠাৎ করে আমদানিতে ডলারের দাম ৫০ পয়সা বাড়িয়ে দিয়েছে। এতে আমদানি খরচ বেড়ে যাচ্ছে। এখন ভোক্তাপর্যায়ে দাম বেড়ে যাবে।
ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তারা জানান, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স হাউসগুলো ডলারের বিপরীতে বেশি দাম প্রস্তাব করছে। আগে যেখানে প্রায় ১২২ টাকায় প্রবাসী আয়ের ডলার কেনা যেত, এখন তা প্রায় ১২৩ টাকার কাছাকাছি চলে এসেছে। এতে আমদানির ক্ষেত্রেও ডলারের দাম বেড়ে গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত মুদ্রা বিনিময় হার সংক্রান্ত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে ডলারের গড় দরও বেড়েছে। গত ৩ মার্চ ডলারের গড় দাম ছিল ১২২ টাকা ৩৩ পয়সা, যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২২ টাকা ৫৮ পয়সায়।
বেসরকারি একটি ব্যাংকের শীর্ষ পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ডলারের দাম ১২৩ টাকার বেশি না বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে মৌখিক বার্তা দেওয়া হয়েছে। সে কারণে এখনো বাজারে ডলারের দাম ওই সীমার ওপরে যায়নি। তবে আমদানি দায় পরিশোধের চাপ বাড়লে এবং সরবরাহ কমে গেলে দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তখন রিজার্ভ থেকেও ডলার সহায়তা দিতে হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, ডলারের বাজারকে আরও স্থিতিশীল রাখতে বাজারভিত্তিক বিনিময় হার চালু করে সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রভাব পড়েছে দেশের ডলারের বাজারে। আজ মঙ্গলবার ১২২ টাকা ৯০ পয়সা পর্যন্ত দামে প্রবাসী আয় কিনেছে ব্যাংকগুলো। ফলে আমদানিতে ডলারের দাম ১২৩ টাকা পর্যন্ত উঠে গেছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোয় খোঁজ নিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।
আজ সকালে এক আমদানিকারক বলেন, ব্যাংকগুলো মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সুযোগ নিচ্ছে। হঠাৎ করে আমদানিতে ডলারের দাম ৫০ পয়সা বাড়িয়ে দিয়েছে। এতে আমদানি খরচ বেড়ে যাচ্ছে। এখন ভোক্তাপর্যায়ে দাম বেড়ে যাবে।
ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তারা জানান, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স হাউসগুলো ডলারের বিপরীতে বেশি দাম প্রস্তাব করছে। আগে যেখানে প্রায় ১২২ টাকায় প্রবাসী আয়ের ডলার কেনা যেত, এখন তা প্রায় ১২৩ টাকার কাছাকাছি চলে এসেছে। এতে আমদানির ক্ষেত্রেও ডলারের দাম বেড়ে গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত মুদ্রা বিনিময় হার সংক্রান্ত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে ডলারের গড় দরও বেড়েছে। গত ৩ মার্চ ডলারের গড় দাম ছিল ১২২ টাকা ৩৩ পয়সা, যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২২ টাকা ৫৮ পয়সায়।
বেসরকারি একটি ব্যাংকের শীর্ষ পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ডলারের দাম ১২৩ টাকার বেশি না বাড়াতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে মৌখিক বার্তা দেওয়া হয়েছে। সে কারণে এখনো বাজারে ডলারের দাম ওই সীমার ওপরে যায়নি। তবে আমদানি দায় পরিশোধের চাপ বাড়লে এবং সরবরাহ কমে গেলে দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তখন রিজার্ভ থেকেও ডলার সহায়তা দিতে হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, ডলারের বাজারকে আরও স্থিতিশীল রাখতে বাজারভিত্তিক বিনিময় হার চালু করে সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, এপ্রিলের ১৯ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২ দশমিক ১২ বিলিয়ন (২১২ কোটি ৭০ লাখ) মার্কিন ডলার। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) যার পরিমাণ ২৫ হাজার ৯৪৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা।
৩ দিন আগে
দেশের বাজারে আবারো এলপিজি গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে। ভোক্তাপর্যায়ে প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৭২৮ টাকা থেকে ২১২ টাকা বাড়িয়ে ১৯৪০ টাকা নির্ধারণ করেছে।
৪ দিন আগে
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে বলে শনিবার (১৮ এপ্রিল) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। পরে মূল্য সমন্বয় করে প্রজ্ঞাপনও জারি হয়।
৪ দিন আগে
বৈঠকে দুই দেশ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে মতবিনিময় করে।
৪ দিন আগে