
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

উৎপাদন পর্যায় থেকে ভোক্তার কাছে যাওয়ার আগে পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে ১০টি নিত্যপণ্যের দাম দেড় গুণের বেশি বেড়ে যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম, উৎপাদক থেকে ক্রেতা পর্যন্ত পৌঁছাতে যার দাম বেড়ে যায় প্রায় ১১৬ শতাংশ। অর্থাৎ কৃষক যে দামে কাঁচামরিচ বিক্রি করেন, ক্রেতার কাছে পৌঁছাতে পৌঁছাতে সেই দাম কৃষকের বিক্রি করা দামের দ্বিগুণের বেশি হয়ে যায়।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাজধানীর ধানমন্ডিতে নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের অর্থনীতির উত্তরণকালীন বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য তুলে ধরেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন। তিনি জানান, নিত্যপণ্যের ক্ষেত্রে এ রকম দামবৃদ্ধিতে কাঁচামরিচের পরেই রয়েছে পেঁয়াজ, ডাল ও বেগুন।
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছাতে পণ্যের দাম কীভাবে বাড়ে, ১০টি পণ্যের ওপর তা নিয়ে জরিপ করেছে সিপিডি। এই ১০টি পণ্য হলো— চাল, ডাল, পেঁয়াজ, আলু, কাঁচামরিচ, ডিম, ব্রয়লার মুরগী, বেগুন, গরুর মাংস ও রুই মাছ।
সিপিডির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, পেঁয়াজ, আলু, শাকসবজি, ডিম ও মাছ বিপণনের ক্ষেত্রে শহরভিত্তিক আড়তদাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। খুচরা বিক্রেতারা পণ্য সংগ্রহের জন্য তাদের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। এতে বাজারে প্রতিযোগিতা কমে যাচ্ছে এবং আড়তদারদের প্রভাব বাড়ছে।
সিপিডির মতে, এই নির্ভরশীলতা বাজারে কাঠামোগত দুর্বলতা তৈরির পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়াচ্ছে। কয়েকজন মধ্যস্বত্বভোগীদের হাতে অতিরিক্ত বাজারক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হওয়ায় প্রতিযোগিতা কমছে, অপ্রতিযোগিতামূলক আচরণের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এর ফলে তারা লাভের বড় অংশ নিজেদের কাছে রেখে দিচ্ছেন, যা শেষ পর্যন্ত ভোক্তা পর্যায়ে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়াচ্ছে।
অন্যদিকে ডিম, ব্রয়লার মুরগি, গরুর মাংস ও মাছের মতো যেসব পণ্যের সরবরাহব্যবস্থা তুলনামূলকভাবে সংক্ষিপ্ত, সেসব ক্ষেত্রে উৎপাদক ও খুচরা পর্যায়ের দামের ব্যবধান তুলনামূলক কম দেখা গেছে।
ফাহমিদা খাতুন বলেন, এসব পণ্যের উৎপাদক থেকে খুচরা পর্যায়ে বিক্রেতা পর্যন্ত প্রায় এক হাজার ইন্টারমিডিয়েট এজেন্টের ওপর জরিপ করেছে সিপিডি। এই সার্ভের একটা উদ্দেশ্য ছিল, আমরা দেখতে চেয়েছি যে কোন পর্যায়ে গিয়ে দামগুলো বাড়তে থাকে এবং এখানে মূল মধ্যস্বত্বভোগী কারা এবং ইন্টারমিডেয়টরি হিসেবে কে কাজ করে। মার্কেট পাওয়ারটা কার হাতে এবং সাপ্লাই চেইনের বিভিন্ন পর্যায়ে যেতে গিয়ে ফাইনালি কত দামটা বাড়ে।
ফাহমিদা খাতুন বলেন, সরবরাহ শৃঙ্খলে উৎপাদন পর্যায় থেকে ব্যবহারকারীর কাছে যাওয়া পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে কাঁচামরিচের। ফার্ম-টু-মার্কেট ও হাউজহোল্ড পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি দাম বাড়ছে কাঁচামরিচের— একদম উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত সেটা ১১৬ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ছে।
একই সরবরাহ শৃঙ্খলে উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছাতে পেঁয়াজের দাম ৮৭ শতাংশ, মসুর ডালের দাম ৭৮ শতাংশ ও বেগুনের দাম ৭২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যাচ্ছে বলে জানান ফাহমিদা খাতুন। দীর্ঘ সরবরাহব্যবস্থা এবং উৎপাদক ও ভোক্তার মধ্যে একাধিক মধ্যস্বত্বভোগীর উপস্থিতিই এ মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ জানিয়ে তিনি বলেন, যত বেশি মধ্যস্বত্বভোগী থাকে, তত বেশি দাম বাড়ছে।
২০১৯ সাল থেকে চলতি ২০২৬ সাল পর্যন্ত এসব দ্রব্যমূল্য কীভাবে বেড়েছে, সেটিও জরিপে তুলে এনেছে সিপিডি। ড. ফাহমিদা বলেন, চালের ক্ষেত্রে আমরা দেখছি— এর দাম বাড়া-কমার হার অনেক বেশি। ১৪ মে পর্যন্ত চালের দাম ৬০ টাকায় পৌঁছেছে। তারপরে মসুর ডাল কিংবা ডিমের ক্ষেত্রেও আমরা দেখেছি— দামগুলো অনেক বেড়েছে।
প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ২০২৬ সালের ১৪ মে পর্যন্ত গরুর মাংসের দাম প্রতি কেজি ৭৯০ টাকায় পৌঁছেছে, যা ২০১৯ সালের পর সর্বোচ্চ। রুই মাছ বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ৩৬৫ টাকায়, ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল প্রতি কেজি ১৯০ টাকা।
এই সাত বছরের ব্যবধানে মসুর ডালের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ২০১৯ সালে প্রতি কেজি মসুর ডাল বিক্রি হতো ৬৩ টাকায়, যা সদ্য শেষ হওয়া মে মাসে ছিল ১১৮ টাকা। তবে এই সময়ের মধ্যে চালের বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল ছিল। ডিমও এখনো তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী আমিষের উৎস হিসেবে রয়ে গেছে বলে জানিয়েছে সিপিডি।
সিপিডি বলছে, অপ্রয়োজনীয় মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমানো গেলে ভোক্তা পর্যায়ে পণ্যের দাম কমবে, কৃষক ন্যায্য মূল্য পাবেন এবং সামগ্রিকভাবে বাজারের দক্ষতা বাড়বে। বাজারের চলমান এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক তদারকি, অল্প কিছু প্রতিষ্ঠানের বাজারনিয়ন্ত্রণমূলক আচরণ রোধ, পণ্যবাজারে স্বচ্ছতা বাড়ানো এবং উৎপাদক ও খুচরা বিক্রেতাদের মধ্যে সরাসরি সংযোগ জোরদারের সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।

উৎপাদন পর্যায় থেকে ভোক্তার কাছে যাওয়ার আগে পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে ১০টি নিত্যপণ্যের দাম দেড় গুণের বেশি বেড়ে যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম, উৎপাদক থেকে ক্রেতা পর্যন্ত পৌঁছাতে যার দাম বেড়ে যায় প্রায় ১১৬ শতাংশ। অর্থাৎ কৃষক যে দামে কাঁচামরিচ বিক্রি করেন, ক্রেতার কাছে পৌঁছাতে পৌঁছাতে সেই দাম কৃষকের বিক্রি করা দামের দ্বিগুণের বেশি হয়ে যায়।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাজধানীর ধানমন্ডিতে নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের অর্থনীতির উত্তরণকালীন বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য তুলে ধরেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন। তিনি জানান, নিত্যপণ্যের ক্ষেত্রে এ রকম দামবৃদ্ধিতে কাঁচামরিচের পরেই রয়েছে পেঁয়াজ, ডাল ও বেগুন।
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছাতে পণ্যের দাম কীভাবে বাড়ে, ১০টি পণ্যের ওপর তা নিয়ে জরিপ করেছে সিপিডি। এই ১০টি পণ্য হলো— চাল, ডাল, পেঁয়াজ, আলু, কাঁচামরিচ, ডিম, ব্রয়লার মুরগী, বেগুন, গরুর মাংস ও রুই মাছ।
সিপিডির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, পেঁয়াজ, আলু, শাকসবজি, ডিম ও মাছ বিপণনের ক্ষেত্রে শহরভিত্তিক আড়তদাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। খুচরা বিক্রেতারা পণ্য সংগ্রহের জন্য তাদের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। এতে বাজারে প্রতিযোগিতা কমে যাচ্ছে এবং আড়তদারদের প্রভাব বাড়ছে।
সিপিডির মতে, এই নির্ভরশীলতা বাজারে কাঠামোগত দুর্বলতা তৈরির পাশাপাশি মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়াচ্ছে। কয়েকজন মধ্যস্বত্বভোগীদের হাতে অতিরিক্ত বাজারক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হওয়ায় প্রতিযোগিতা কমছে, অপ্রতিযোগিতামূলক আচরণের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এর ফলে তারা লাভের বড় অংশ নিজেদের কাছে রেখে দিচ্ছেন, যা শেষ পর্যন্ত ভোক্তা পর্যায়ে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়াচ্ছে।
অন্যদিকে ডিম, ব্রয়লার মুরগি, গরুর মাংস ও মাছের মতো যেসব পণ্যের সরবরাহব্যবস্থা তুলনামূলকভাবে সংক্ষিপ্ত, সেসব ক্ষেত্রে উৎপাদক ও খুচরা পর্যায়ের দামের ব্যবধান তুলনামূলক কম দেখা গেছে।
ফাহমিদা খাতুন বলেন, এসব পণ্যের উৎপাদক থেকে খুচরা পর্যায়ে বিক্রেতা পর্যন্ত প্রায় এক হাজার ইন্টারমিডিয়েট এজেন্টের ওপর জরিপ করেছে সিপিডি। এই সার্ভের একটা উদ্দেশ্য ছিল, আমরা দেখতে চেয়েছি যে কোন পর্যায়ে গিয়ে দামগুলো বাড়তে থাকে এবং এখানে মূল মধ্যস্বত্বভোগী কারা এবং ইন্টারমিডেয়টরি হিসেবে কে কাজ করে। মার্কেট পাওয়ারটা কার হাতে এবং সাপ্লাই চেইনের বিভিন্ন পর্যায়ে যেতে গিয়ে ফাইনালি কত দামটা বাড়ে।
ফাহমিদা খাতুন বলেন, সরবরাহ শৃঙ্খলে উৎপাদন পর্যায় থেকে ব্যবহারকারীর কাছে যাওয়া পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে কাঁচামরিচের। ফার্ম-টু-মার্কেট ও হাউজহোল্ড পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি দাম বাড়ছে কাঁচামরিচের— একদম উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত সেটা ১১৬ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ছে।
একই সরবরাহ শৃঙ্খলে উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছাতে পেঁয়াজের দাম ৮৭ শতাংশ, মসুর ডালের দাম ৭৮ শতাংশ ও বেগুনের দাম ৭২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যাচ্ছে বলে জানান ফাহমিদা খাতুন। দীর্ঘ সরবরাহব্যবস্থা এবং উৎপাদক ও ভোক্তার মধ্যে একাধিক মধ্যস্বত্বভোগীর উপস্থিতিই এ মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ জানিয়ে তিনি বলেন, যত বেশি মধ্যস্বত্বভোগী থাকে, তত বেশি দাম বাড়ছে।
২০১৯ সাল থেকে চলতি ২০২৬ সাল পর্যন্ত এসব দ্রব্যমূল্য কীভাবে বেড়েছে, সেটিও জরিপে তুলে এনেছে সিপিডি। ড. ফাহমিদা বলেন, চালের ক্ষেত্রে আমরা দেখছি— এর দাম বাড়া-কমার হার অনেক বেশি। ১৪ মে পর্যন্ত চালের দাম ৬০ টাকায় পৌঁছেছে। তারপরে মসুর ডাল কিংবা ডিমের ক্ষেত্রেও আমরা দেখেছি— দামগুলো অনেক বেড়েছে।
প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ২০২৬ সালের ১৪ মে পর্যন্ত গরুর মাংসের দাম প্রতি কেজি ৭৯০ টাকায় পৌঁছেছে, যা ২০১৯ সালের পর সর্বোচ্চ। রুই মাছ বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ৩৬৫ টাকায়, ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল প্রতি কেজি ১৯০ টাকা।
এই সাত বছরের ব্যবধানে মসুর ডালের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ২০১৯ সালে প্রতি কেজি মসুর ডাল বিক্রি হতো ৬৩ টাকায়, যা সদ্য শেষ হওয়া মে মাসে ছিল ১১৮ টাকা। তবে এই সময়ের মধ্যে চালের বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল ছিল। ডিমও এখনো তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী আমিষের উৎস হিসেবে রয়ে গেছে বলে জানিয়েছে সিপিডি।
সিপিডি বলছে, অপ্রয়োজনীয় মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমানো গেলে ভোক্তা পর্যায়ে পণ্যের দাম কমবে, কৃষক ন্যায্য মূল্য পাবেন এবং সামগ্রিকভাবে বাজারের দক্ষতা বাড়বে। বাজারের চলমান এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক তদারকি, অল্প কিছু প্রতিষ্ঠানের বাজারনিয়ন্ত্রণমূলক আচরণ রোধ, পণ্যবাজারে স্বচ্ছতা বাড়ানো এবং উৎপাদক ও খুচরা বিক্রেতাদের মধ্যে সরাসরি সংযোগ জোরদারের সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।

ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক নুর উন নবী দাবি করেছেন, ইসলামী ব্যাংক নিয়ে তাদের সাত দফা দাবির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান একমত পোষণ করেছেন। তবে বাংলাদেশের ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
৩ দিন আগে
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সাল শেষে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের পরিমাণ আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়ে ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে; যা আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকারের চেয়েও বেশি। এটি ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের ৫৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
৩ দিন আগে
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ৭ হাজার ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে পাঁচটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন এবং দুটি সংশোধিত প্রকল্প।
৪ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক শান্তি চুক্তি নিয়ে বিস্তারিত তথ্যের অভাব এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হতে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে এমন আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বাড়তে শুরু করেছে জ্বালানি তেলের দাম।
৪ দিন আগে