
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আগামী করবর্ষে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা ২৫ হাজার টাকা বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সময়ে একজন ব্যক্তি বছরে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করলে তাকে কোনো আয়কর দিতে হবে না। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রস্তাব জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশনের আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ-সংক্রান্ত সংশোধনীর প্রস্তাব অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সামনে উত্থাপন করেন।
এর আগে চলতি অর্থবছরের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার যে করমুক্ত আয়সীমা নির্ধারণ করেছিল, বিএনপি সরকারও বাজেটে আগামী করবর্ষের জন্য একই সীমা বহাল রাখার প্রস্তাব দিয়েছিল। পরে প্রধানমন্ত্রীর সংশোধনী অনুযায়ী তা ২৫ হাজার টাকা বাড়ানো হয়।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, করমুক্ত আয়সীমা অতিক্রম করার পর পরবর্তী ৩ লাখ টাকা আয়ের ওপর ১০ শতাংশ হারে কর দিতে হবে। এর ফলে মূল্যস্ফীতির এই সময়ে সীমিত আয়ের মানুষের ওপর করের চাপ বহাল থাকছে। এর আগে করমুক্ত আয়সীমা পার হওয়ার পর প্রথম ধাপে করহার ছিল ৫ শতাংশ।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সোমবার সকালে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় প্রথমে অংশ নেন বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান। পরে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বক্তব্য দেন।
এ দিন বাজেট অধিবেশনে করদাতাদের স্বস্তি দিতে ব্যক্তিগত আয়কর অব্যাহতির সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ করবর্ষে করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার, ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ করবর্ষে ৪ লাখ এবং ২০৩০-৩১ করবর্ষে সাড়ে ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই সীমা যথাক্রমে ৪ লাখ, সাড়ে ৪ লাখ এবং ৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব রাখেন সংসদ নেতা। পরে অর্থবিলের সংশোধনীতে সরকারি দলের সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী এ নিয়ে প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।
এর ফলে ২০২৬-২৭ এবং ২০২৭-২৮ করবের্ষর জন্য করমুক্ত আয়সীমার সঙ্গে পরবর্তী করধাপেও পরিবর্তন এসেছে। ২০২৬-২৭ করবর্ষে করমুক্ত আয়সীমা হবে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত; পরবর্তী ৩ লাখ টাকার জন্য ১০ শতাংশ, এর পরের ৪ লাখ টাকা আয়ের জন্য ১৫ শতাংশ, এর পরের ৫ লাখ টাকার জন্য ২০ শতাংশ, পরের ২০ লাখ টাকার জন্য ২৫ শতাংশ এবং পরের যেকোনো আয়ের ওপর ৩৫ শতাংশ আয়কর বসানো হয়েছে।
এবারের প্রস্তাবিত বাজেটেই ৩৫ শতাংশ করহার করার প্রস্তাব এসেছিল। এর পরের দুই করবর্ষের জন্য ৫০ হাজার টাকা বাড়িয়ে করমুক্ত সীমা সাড়ে ৪ লাখ করা হয়েছে। ২০৩০-৩১ করবর্ষের জন্য করমুক্ত আয়সীমা করা হয়েছে ৫ লাখ টাকা।

আগামী করবর্ষে ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা ২৫ হাজার টাকা বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সময়ে একজন ব্যক্তি বছরে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করলে তাকে কোনো আয়কর দিতে হবে না। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রস্তাব জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশনের আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ-সংক্রান্ত সংশোধনীর প্রস্তাব অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সামনে উত্থাপন করেন।
এর আগে চলতি অর্থবছরের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার যে করমুক্ত আয়সীমা নির্ধারণ করেছিল, বিএনপি সরকারও বাজেটে আগামী করবর্ষের জন্য একই সীমা বহাল রাখার প্রস্তাব দিয়েছিল। পরে প্রধানমন্ত্রীর সংশোধনী অনুযায়ী তা ২৫ হাজার টাকা বাড়ানো হয়।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, করমুক্ত আয়সীমা অতিক্রম করার পর পরবর্তী ৩ লাখ টাকা আয়ের ওপর ১০ শতাংশ হারে কর দিতে হবে। এর ফলে মূল্যস্ফীতির এই সময়ে সীমিত আয়ের মানুষের ওপর করের চাপ বহাল থাকছে। এর আগে করমুক্ত আয়সীমা পার হওয়ার পর প্রথম ধাপে করহার ছিল ৫ শতাংশ।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সোমবার সকালে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় প্রথমে অংশ নেন বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান। পরে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বক্তব্য দেন।
এ দিন বাজেট অধিবেশনে করদাতাদের স্বস্তি দিতে ব্যক্তিগত আয়কর অব্যাহতির সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ করবর্ষে করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার, ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ করবর্ষে ৪ লাখ এবং ২০৩০-৩১ করবর্ষে সাড়ে ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই সীমা যথাক্রমে ৪ লাখ, সাড়ে ৪ লাখ এবং ৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব রাখেন সংসদ নেতা। পরে অর্থবিলের সংশোধনীতে সরকারি দলের সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরী এ নিয়ে প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।
এর ফলে ২০২৬-২৭ এবং ২০২৭-২৮ করবের্ষর জন্য করমুক্ত আয়সীমার সঙ্গে পরবর্তী করধাপেও পরিবর্তন এসেছে। ২০২৬-২৭ করবর্ষে করমুক্ত আয়সীমা হবে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত; পরবর্তী ৩ লাখ টাকার জন্য ১০ শতাংশ, এর পরের ৪ লাখ টাকা আয়ের জন্য ১৫ শতাংশ, এর পরের ৫ লাখ টাকার জন্য ২০ শতাংশ, পরের ২০ লাখ টাকার জন্য ২৫ শতাংশ এবং পরের যেকোনো আয়ের ওপর ৩৫ শতাংশ আয়কর বসানো হয়েছে।
এবারের প্রস্তাবিত বাজেটেই ৩৫ শতাংশ করহার করার প্রস্তাব এসেছিল। এর পরের দুই করবর্ষের জন্য ৫০ হাজার টাকা বাড়িয়ে করমুক্ত সীমা সাড়ে ৪ লাখ করা হয়েছে। ২০৩০-৩১ করবর্ষের জন্য করমুক্ত আয়সীমা করা হয়েছে ৫ লাখ টাকা।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বছর বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
৩ দিন আগে
সংশোধিত বিধানে কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১ থাকবে। পাশাপাশি কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার প্রকৃত মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণের বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না।
৩ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
৩ দিন আগে