
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর নিয়োগ দিয়েছে সরকার। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিয়োগ দেওয়া অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুরের জায়গায় নিয়োগ পেয়েছেন ব্যবসায়ী মোস্তাকুর রহমান। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর পদে একজন ব্যবসায়ীকে নিয়োগ দেওয়ার সমালোচনা করছেন অনেকেই। অর্থনীতিবিদ সেলিম রায়হানও এ সিদ্ধান্তের সূত্র ধরে প্রশ্ন তুলেছেন— সরকার সত্যিই ব্যাংক খাত সংস্কারে আন্তরিক কি না।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এমন প্রশ্ন তুলেছেন সেলিম রায়হান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক। পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন।
এ দিন বিকেলে মোস্তাকুর রহমানকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কেন্দ্রীয় ব্যাংক শাখা। অন্য সব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে চার বছরের জন্য নিয়োগ পেয়েছেন তিনি।
মোস্তাকুর রহমান রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠান হেরা সোয়েটারস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। করপোরেট অর্থায়ন, ব্যাংকিং সম্পর্ক, মূলধন কাঠামো ব্যবস্থাপনা, রপ্তানি অর্থায়ন এবং বৈদেশিক মুদ্রা এক্সপোজার নিয়ন্ত্রণে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।
এমন একজন ব্যবসায়ীকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলে সেলিম রায়হান লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে একজন পেশাদার হিসাববিদ ও ব্যবসায়ীকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের জন্ম দেয়— সরকার কি সত্যিই ব্যাংক খাত সংস্কারে আন্তরিক?’
তিনি লিখেছেন, ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংক শুধু আর্থিক নীতিনির্ধারণী প্রতিষ্ঠান নয়, এটি ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রক ও তদারকি সংস্থা। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে ব্যবসায়িক পটভূমির কাউকে বসানো হলে স্বার্থের সংঘাত (কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট) তৈরি হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।’
এমন আশঙ্কার ব্যাখ্যা তুলে ধরে সেলিম রায়হান লিখেছেন, ‘কারণ একজন ব্যবসায়ীর স্বাভাবিক প্রবণতা হতে পারে বাজার ও করপোরেট স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া, যেখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান দায়িত্ব হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং দুর্বল ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া।’
বাংলাদেশের ব্যাংক খাত খেলাপি ঋণ, সুশাসনের অভাব ও রাজনৈতিক প্রভাবের মতো গভীর সংকটে রয়েছে উল্লেখ করে সেলিম রায়হান মনে করেন, এ প্রেক্ষাপটে গভর্নর নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, পেশাগত স্বাধীনতা ও নিয়ন্ত্রক অভিজ্ঞতা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।
নতুন নিয়োগ সেই প্রত্যাশা পূরণ করবে, নাকি সংস্কারের ধারাকে পিছিয়ে দেবে— সেটিই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ।
সেলিম রায়হান শঙ্কা রেখেই লিখেছেন, ‘আমরা কি আবার সেই পুরোনো অবস্থায় ফিরে যাচ্ছি, যেখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতার বদলে প্রভাবশালী গোষ্ঠীর স্বার্থই প্রাধান্য পাবে? সরকারের উচিত দ্রুতই স্পষ্ট করা যে এই সিদ্ধান্ত ব্যাংক খাত সংস্কারের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর নিয়োগ দিয়েছে সরকার। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিয়োগ দেওয়া অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুরের জায়গায় নিয়োগ পেয়েছেন ব্যবসায়ী মোস্তাকুর রহমান। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর পদে একজন ব্যবসায়ীকে নিয়োগ দেওয়ার সমালোচনা করছেন অনেকেই। অর্থনীতিবিদ সেলিম রায়হানও এ সিদ্ধান্তের সূত্র ধরে প্রশ্ন তুলেছেন— সরকার সত্যিই ব্যাংক খাত সংস্কারে আন্তরিক কি না।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এমন প্রশ্ন তুলেছেন সেলিম রায়হান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক। পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন।
এ দিন বিকেলে মোস্তাকুর রহমানকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কেন্দ্রীয় ব্যাংক শাখা। অন্য সব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে চার বছরের জন্য নিয়োগ পেয়েছেন তিনি।
মোস্তাকুর রহমান রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠান হেরা সোয়েটারস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। করপোরেট অর্থায়ন, ব্যাংকিং সম্পর্ক, মূলধন কাঠামো ব্যবস্থাপনা, রপ্তানি অর্থায়ন এবং বৈদেশিক মুদ্রা এক্সপোজার নিয়ন্ত্রণে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।
এমন একজন ব্যবসায়ীকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলে সেলিম রায়হান লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে একজন পেশাদার হিসাববিদ ও ব্যবসায়ীকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের জন্ম দেয়— সরকার কি সত্যিই ব্যাংক খাত সংস্কারে আন্তরিক?’
তিনি লিখেছেন, ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংক শুধু আর্থিক নীতিনির্ধারণী প্রতিষ্ঠান নয়, এটি ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রক ও তদারকি সংস্থা। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে ব্যবসায়িক পটভূমির কাউকে বসানো হলে স্বার্থের সংঘাত (কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট) তৈরি হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।’
এমন আশঙ্কার ব্যাখ্যা তুলে ধরে সেলিম রায়হান লিখেছেন, ‘কারণ একজন ব্যবসায়ীর স্বাভাবিক প্রবণতা হতে পারে বাজার ও করপোরেট স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া, যেখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান দায়িত্ব হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং দুর্বল ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া।’
বাংলাদেশের ব্যাংক খাত খেলাপি ঋণ, সুশাসনের অভাব ও রাজনৈতিক প্রভাবের মতো গভীর সংকটে রয়েছে উল্লেখ করে সেলিম রায়হান মনে করেন, এ প্রেক্ষাপটে গভর্নর নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, পেশাগত স্বাধীনতা ও নিয়ন্ত্রক অভিজ্ঞতা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।
নতুন নিয়োগ সেই প্রত্যাশা পূরণ করবে, নাকি সংস্কারের ধারাকে পিছিয়ে দেবে— সেটিই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ।
সেলিম রায়হান শঙ্কা রেখেই লিখেছেন, ‘আমরা কি আবার সেই পুরোনো অবস্থায় ফিরে যাচ্ছি, যেখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতার বদলে প্রভাবশালী গোষ্ঠীর স্বার্থই প্রাধান্য পাবে? সরকারের উচিত দ্রুতই স্পষ্ট করা যে এই সিদ্ধান্ত ব্যাংক খাত সংস্কারের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ।’

ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক নুর উন নবী দাবি করেছেন, ইসলামী ব্যাংক নিয়ে তাদের সাত দফা দাবির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান একমত পোষণ করেছেন। তবে বাংলাদেশের ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
৩ দিন আগে
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সাল শেষে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকে ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের পরিমাণ আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়ে ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে; যা আগামী অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের আকারের চেয়েও বেশি। এটি ব্যাংকগুলোর মোট বিতরণ করা ঋণের ৫৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
৩ দিন আগে
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মোট ৭ হাজার ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা ব্যয়ে পাঁচটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন এবং দুটি সংশোধিত প্রকল্প।
৪ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক শান্তি চুক্তি নিয়ে বিস্তারিত তথ্যের অভাব এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হতে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে এমন আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বাড়তে শুরু করেছে জ্বালানি তেলের দাম।
৪ দিন আগে