
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্টে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হার ২ দশমিক ৩৯ শতাংশ। অর্থবছরের শুরুর দিকে এডিপি বাস্তবায়নের হার এমনিতেই কম থাকে। তবে এবার এ দুই মাসে এডিপির বাস্তবায়ন গত বছরের জুলাই আন্দোলনের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের জুলাই-আগস্ট মাসের চেয়েও পিছিয়ে।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এডিপি বাস্তবায়নের সবশেষ এ তথ্য প্রকাশ করেছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)। তাদের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে যেখানে এডিপি বাস্তবায়ন তথা অর্থ ব্যয় মোট বরাদ্দের ২ দশমিক ৩৯ শতাংশ, সেখানে গত অর্থবছরে তা ছিল ২ দশমিক ৫৭ শতাংশ।
টাকার অঙ্ক বলছে, গত অর্থবছরের জুলাই-আগস্টে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সাত হাজার ১৪৩ কোটি ৮ লাখ টাকা খরচ হয়েছিল। এ বছরের জুলাই-আগস্টে এই খরচ কমে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৭১৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকায়।
অর্থবছরের প্রথম দুই মাসের মধ্যে এবারের আগস্টে এডিপি বাস্তবায়নের খরচ গতবারের চেয়ে কিছুটা বেশি হয়েছে। তবে দুই জুলাইয়ের হিসাবে এ বছরের জুলাই অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। আইএমইডির পরিসংখ্যান বলছে, এ অর্থবছরের জুলাইয়ে বরাদ্দের শূন্য দশমিক ৬৯ শতাংশ ব্যয় হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের একই মাসে ছিল ১ দশমিক ০৫ শতাংশ।
গত অর্থবছরের তুলনায় এ অর্থবছরে বাজেটের আকার কিছুটা কম। তারপরও এডিপি বাস্তবায়নের হার এত কম হওয়াকে ভালো লক্ষণ মনে করছেন না অর্থনীতিবিদরা। এমনকি পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের কাছ থেকেও এসেছে এ বক্তব্য।
জুলাইয়ের এডিপি বাস্তবায়ন নিয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকের পর ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেছিলেন, জুলাই মাসে প্রকল্পের বাস্তবায়নের তথ্য হাতে এসেছে। দেখলাম, এটা ১ শতাংশেরও কম। এটা গত বছরের থেকেও কম। এটা ভালো লক্ষণ না। গতবছর তো অনেক কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীর গতি ছিল। এ বছর আরও গতিশীল হওয়ার কথা। আগের বছরের অজুহাত এ বছর দেওয়া চলবে না।
অর্থনীতিবিদরা জানান, অর্থবছরের প্রথম দিকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অর্থছাড় কম হয় বলে বাস্তবায়নও কম থাকে। পরে অর্থবছর এগোতে থাকলে বরাদ্দ ও খরচ তথা বাস্তবায়ন দুই-ই বাড়ে। তারপরও গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের শুরুতে প্রকল্প বাস্তবায়নে এত ধীরগতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
কেননা গত জুলাই-আগস্টে দেশে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরিস্থিতিতে কাজ করার সুযোগই ছিল একদম কম। সে তুলনায় অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছর পূর্ণ হওয়ার পর দেশ এখন অনেকটাই স্থিতিশীল রয়েছে। ফলে এডিপি বাস্তবায়নের হার এত কম হওয়াকে অস্বাভাবিক মনে করছেন তারা।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্টে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হার ২ দশমিক ৩৯ শতাংশ। অর্থবছরের শুরুর দিকে এডিপি বাস্তবায়নের হার এমনিতেই কম থাকে। তবে এবার এ দুই মাসে এডিপির বাস্তবায়ন গত বছরের জুলাই আন্দোলনের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের জুলাই-আগস্ট মাসের চেয়েও পিছিয়ে।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এডিপি বাস্তবায়নের সবশেষ এ তথ্য প্রকাশ করেছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)। তাদের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে যেখানে এডিপি বাস্তবায়ন তথা অর্থ ব্যয় মোট বরাদ্দের ২ দশমিক ৩৯ শতাংশ, সেখানে গত অর্থবছরে তা ছিল ২ দশমিক ৫৭ শতাংশ।
টাকার অঙ্ক বলছে, গত অর্থবছরের জুলাই-আগস্টে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সাত হাজার ১৪৩ কোটি ৮ লাখ টাকা খরচ হয়েছিল। এ বছরের জুলাই-আগস্টে এই খরচ কমে দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৭১৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকায়।
অর্থবছরের প্রথম দুই মাসের মধ্যে এবারের আগস্টে এডিপি বাস্তবায়নের খরচ গতবারের চেয়ে কিছুটা বেশি হয়েছে। তবে দুই জুলাইয়ের হিসাবে এ বছরের জুলাই অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। আইএমইডির পরিসংখ্যান বলছে, এ অর্থবছরের জুলাইয়ে বরাদ্দের শূন্য দশমিক ৬৯ শতাংশ ব্যয় হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের একই মাসে ছিল ১ দশমিক ০৫ শতাংশ।
গত অর্থবছরের তুলনায় এ অর্থবছরে বাজেটের আকার কিছুটা কম। তারপরও এডিপি বাস্তবায়নের হার এত কম হওয়াকে ভালো লক্ষণ মনে করছেন না অর্থনীতিবিদরা। এমনকি পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের কাছ থেকেও এসেছে এ বক্তব্য।
জুলাইয়ের এডিপি বাস্তবায়ন নিয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকের পর ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেছিলেন, জুলাই মাসে প্রকল্পের বাস্তবায়নের তথ্য হাতে এসেছে। দেখলাম, এটা ১ শতাংশেরও কম। এটা গত বছরের থেকেও কম। এটা ভালো লক্ষণ না। গতবছর তো অনেক কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীর গতি ছিল। এ বছর আরও গতিশীল হওয়ার কথা। আগের বছরের অজুহাত এ বছর দেওয়া চলবে না।
অর্থনীতিবিদরা জানান, অর্থবছরের প্রথম দিকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অর্থছাড় কম হয় বলে বাস্তবায়নও কম থাকে। পরে অর্থবছর এগোতে থাকলে বরাদ্দ ও খরচ তথা বাস্তবায়ন দুই-ই বাড়ে। তারপরও গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের শুরুতে প্রকল্প বাস্তবায়নে এত ধীরগতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
কেননা গত জুলাই-আগস্টে দেশে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান পরিস্থিতিতে কাজ করার সুযোগই ছিল একদম কম। সে তুলনায় অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছর পূর্ণ হওয়ার পর দেশ এখন অনেকটাই স্থিতিশীল রয়েছে। ফলে এডিপি বাস্তবায়নের হার এত কম হওয়াকে অস্বাভাবিক মনে করছেন তারা।

সাম্প্রতিক আর্থিক পারফরম্যান্সের তুলনায় এই লোকসান এখন ব্যাংকের অবস্থায় বড় ধরনের অবনতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত পাঁচ বছর ইসলামী ব্যাংক মুনাফায় ছিল। এর মধ্যে ২০২৫ সালে ১৩৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, ২০২৪ সালে ১০৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা এবং ২০২৩ সালে ৬৩৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা মুনাফা করে ব্যাংকটি। এই
১৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) অর্থায়নে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০১৭ সালের জুলাইয়ে প্রকল্পটি চালু করে। স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ার প্রেক্ষাপটে রপ্তানি বহুমুখীকরণকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্
১৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গানভর ইউএসএ এলএলসি থেকে আগামী ১৩ বছর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করবে সরকার। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) পর্যায়ে মোট ৭৮ কার্গো এলএনজি আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬ সাল থেকে ২০৩৯ সাল পর্যন্ত প্রতি
২ দিন আগে
উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে। তবে বাংলাদেশের ওপর নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না।
৩ দিন আগে