জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে মাসিক ভাতা দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া এ, বি ও সি ক্যাটাগরিতে আহতরা যথাক্রমে ২০, ১৫ ও ১০ হাজার টাকা মাসিক ভাতা পাচ্ছেন। আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এই ভাতার পরিমাণ অব্যাহত রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতের জন্য ৪২ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ৪০ হাজার ৬৬১ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে প্রতিরক্ষা বাজেট প্রায় এক হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বেড়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, ভাতা বৃদ্ধির ফলে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবার মাসে ৪০ হাজার টাকা, বীর উত্তম পরিবারের সদস্যরা ৩০ হাজার টাকা এবং বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্তদের পরিবার ২৫ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন।
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা দেশের জিডিপির ১ দশমিক ০১ শতাংশ। গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ৩৫ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা (জিডিপির ০ দশমিক ৫৮%)। এ হিসেবে আসন্ন অর্থবছরে এই খাতে বরাদ্দ ৩৩ হাজার ৯৩২ কো
নতুন বাজেট প্রস্তাবনায় এমন এক প্যাকেট সিগারেটের ন্যূনতম দাম ধরা হয়েছে ২১০ টাকা বা প্রতি পিস ২১ টাকা। সে হিসাবে একেকটি সিগারেটের দাম বাড়ছে আড়াই টাকা। আর বাজারে থাকা ২০ পিস সিগারেটের এক প্যাকেটের দাম বাড়বে ৫০ টাকা।
বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের জন্য ২৯১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আগের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ২৫০ কোটি টাকা। ফলে সুপ্রিম কোর্টের বরাদ্দও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ছিল ৮৭ হাজার ২০৬ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট সংসদে পেশ করতে শুরু করেছেন বিএনপি সরকারের অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বক্তৃতায় ঋণভিত্তিক অর্থনীতি থেকে দেশকে বিনিয়োগভিত্তিক অর্থনীতির দিকে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন তিনি।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটে মন্ত্রণালয়টির জন্য বরাদ্দ ছিল ২৭ হাজার ১ কোটি টাকা, যা সংশোধিত বাজেটে বেড়ে ২৭ হাজার ১৭৪ কোটি টাকায় দাঁড়ায়। সেই হিসাবে নতুন অর্থবছরে বরাদ্দ বেড়েছে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। তার অনুমোদন দিয়ে বাজেট বক্তৃতা শুরু করেছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ১০টি বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, “দেশের উন্নয়ন ও রাষ্ট্রীয় সেবা কার্যক্রম পরিচালনায় করদাতাদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি জানান, করদাতাদের যথাযথ সম্মান ও স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিতে সরকার নতুন নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে।
দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কিছুক্ষণ আগে আমাদের জানিয়েছেন, আজ থেকে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মার্কেট, বিপণি বিতান ও দোকানপাট খোলা রাখা যাবে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট জাতীয় সংসদে উত্থাপন করতে যাচ্ছে বিএনপি সরকার। অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই বাজেট উত্থাপন করবেন। এরই মধ্যে মন্ত্রিসভায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এখন সংসদে উত্থাপনের অপেক্ষা।
আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত এই বাজেট বিকেলে জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
দেশের অধিকাংশ মানুষের কাছে পরিসংখ্যানের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্য প্রশ্ন— বাজেট ঘোষণার পর বাজারে চাল-ডাল-তেলের দাম বাড়বে নাকি কমবে? সংসারের খরচ সামলানো সহজ হবে, নাকি আরও কঠিন? চাকরির সুযোগ বাড়বে কি? চিকিৎসা ও শিক্ষার ব্যয় কিছুটা কমবে কি?
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী যে বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন, তার সম্ভাব্য আকার ধরা হচ্ছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট হবে। স্বাধীনতার পর প্রথম বাজেটের তুলনায় এর আকার হাজার গুণেরও বেশি।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর সরকারের প্রথম বাজেট থেকে শুরু করে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের অন্তর্বর্তী সরকারের বাজেট পর্যন্ত মোট ৫৫টি বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব বাজেট দিয়েছেন ১৪ জন ব্যক্তি। তাদের কেউ ছিলেন নির্বাচিত সরকারের অর্থমন্ত্রী, কেউ সামরিক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা, কেউ আবার রাষ্ট্রপতি বা সা