
ফেনী প্রতিনিধি

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ফেনী-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, জামায়াতে ইসলাম মুনাফেকের দল। এই মুনাফেকদের কোনোদিন বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হবে না। অন্তত যতদিন আমি বেঁচে আছি, এদেরকে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হবে না। তারা উন্নয়ন তো করবেই না, বরং এ দেশকে সিরিয়া-লেবানন বানিয়ে ফেলবে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভা চত্বরে নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আবদুল আউয়াল মিন্টু জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আপনাদের প্রতি আমার আকুল আবেদন, ভবিষ্যতে জামায়াতে ইসলামীর কেউ যেন কোনো মেম্বার পদেও নির্বাচিত হতে না পারে। জামায়াত জনগণের উন্নয়ন চায় না বরং তারা সবসময় সুযোগসন্ধানী ও বিভেদের রাজনীতিতে লিপ্ত।’
তিনি আরও বলেন, ‘তারা মিথ্যা কথা বলে ও মুনাফেকি করে। সুযোগ পেলেই তারা ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে। তবে আল্লাহর রহমতে দাগনভূঞা ও সোনাগাজীতে তাদের আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।’
নির্বাচনী সভায় ভোটারদের উদ্দেশ্যে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘আপনাদের কাছে ধানের শীষে ভোট চাইতে এসেছি। ধানের শীষে ভোট দিয়ে যদি আমরা বিএনপিকে রাষ্ট্রক্ষমতায় আনতে পারি এবং তারেক রহমান সরকারপ্রধান হন, তবে ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।’
তিনি তৃণমূল পর্যায়ের প্রচারণার ওপর জোর দিয়ে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মা-বোনদের বলবেন যেন আগামী ১২ তারিখে ধানের শীষে ভোট দেন। আমি যদি সুযোগ পাই, তবে সেই সুযোগের সৎ ব্যবহার করে এলাকার উন্নয়ন নিশ্চিত করব।’
পথসভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাহানা আক্তার সানু এবং ফেনী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী হাবিব উল্যাহ মানিক।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সোনাগাজী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন বাবলু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন সেন্টু, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সৈয়দ আলম ভূঞা এবং উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক খুরশিদ আলম ভূঞাসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ফেনী-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, জামায়াতে ইসলাম মুনাফেকের দল। এই মুনাফেকদের কোনোদিন বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হবে না। অন্তত যতদিন আমি বেঁচে আছি, এদেরকে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হবে না। তারা উন্নয়ন তো করবেই না, বরং এ দেশকে সিরিয়া-লেবানন বানিয়ে ফেলবে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভা চত্বরে নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আবদুল আউয়াল মিন্টু জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আপনাদের প্রতি আমার আকুল আবেদন, ভবিষ্যতে জামায়াতে ইসলামীর কেউ যেন কোনো মেম্বার পদেও নির্বাচিত হতে না পারে। জামায়াত জনগণের উন্নয়ন চায় না বরং তারা সবসময় সুযোগসন্ধানী ও বিভেদের রাজনীতিতে লিপ্ত।’
তিনি আরও বলেন, ‘তারা মিথ্যা কথা বলে ও মুনাফেকি করে। সুযোগ পেলেই তারা ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে। তবে আল্লাহর রহমতে দাগনভূঞা ও সোনাগাজীতে তাদের আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।’
নির্বাচনী সভায় ভোটারদের উদ্দেশ্যে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ‘আপনাদের কাছে ধানের শীষে ভোট চাইতে এসেছি। ধানের শীষে ভোট দিয়ে যদি আমরা বিএনপিকে রাষ্ট্রক্ষমতায় আনতে পারি এবং তারেক রহমান সরকারপ্রধান হন, তবে ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।’
তিনি তৃণমূল পর্যায়ের প্রচারণার ওপর জোর দিয়ে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মা-বোনদের বলবেন যেন আগামী ১২ তারিখে ধানের শীষে ভোট দেন। আমি যদি সুযোগ পাই, তবে সেই সুযোগের সৎ ব্যবহার করে এলাকার উন্নয়ন নিশ্চিত করব।’
পথসভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাহানা আক্তার সানু এবং ফেনী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী হাবিব উল্যাহ মানিক।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সোনাগাজী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন বাবলু, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন সেন্টু, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সৈয়দ আলম ভূঞা এবং উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক খুরশিদ আলম ভূঞাসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছে বিএনপি, জামায়াত-এনসিপি নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। পাশাপাশি গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীর অংশগ্রহণ ভোটের অঙ্কে যোগ করেছে বাড়তি মাত্রা।
৪ ঘণ্টা আগে
এ আসনে ভোটের মাঠে পাঁচজন প্রার্থী থাকলেও মূল লড়াই হবে বিএনপির কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন ও জামায়াতের আবু তাহির মুহাম্মদ আব্দুস সালাম আল মাদানীর মধ্যে। তাদের ঘিরেই সাধারণ ভোটারদের মাঝে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
৬ ঘণ্টা আগে
রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, সব আতঙ্ক দূর করে নূন্যতম গ্রহণযোগ্য সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশন ও সরকারকে দৃশ্যমান দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বাজারে নির্বাচনে কারসাজির কথা আলোচিত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন ও জেলা রিটার্নিং অফিসারকে এ বিষয়ে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। ভোট শেষ হওয়ার পর রাতে সব
১৬ ঘণ্টা আগে
স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকালে ফুটবল প্রতীকের সমর্থক জেলা বিএনপির সদস্য আতাউর রহমান মল্লিকের লোকজন মুন্সীকান্দি এলাকায় ভোট চাইতে যান। এ সময় ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী কামরুজ্জামান রতন সমর্থক স্থানীয় বিএনপি নেতা উজির আলী ও আওলাদ মোল্লার লোকজন ককটেল নিয়ে হামলা করে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে ফুটবল প্রতীকের সমর্
১৮ ঘণ্টা আগে