
ফেনী প্রতিনিধি

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ফেনী-৩ (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) আসনে দলীয় প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টুর জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। ফেনীর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাগাজী সার্কেল) সৈয়দ মুমিদ রায়হান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) আবদুল আউয়াল মিন্টুর পক্ষে ফেনীর দাগনভূঞা থানায় ডায়েরিটি করেন তার নির্বাচনি এজেন্ট মোহাম্মদ শামছুদ্দিন।
দায়ের করা সাধারণ ডায়েরিতে (জিডি) বলা হয়েছে, গত ৪ ফেব্রুয়ারি বিকেলে দাগনভূঞা উপজেলায় জামায়াতের নির্বাচনি সভায় দলটির নেতা ঢাকা দক্ষিণের দলের শুরা সদস্য মেজবাহ উদ্দিন সাঈদ আবদুল আউয়াল মিন্টুকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডা. শফিকুর রহমান ক্ষমতায় গেলে আপনি কোথায় পালিয়ে যাবেন? শেখ হাসিনা ভাত রেখে পালিয়ে গেল, আপনাকে কী রেখে পালাতে হবে তা আমি বলতে চাই না।’
এ ছাড়া আবদুল আউয়াল মিন্টুকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মাধ্যমে মেজবাহ উদ্দিন সাঈদসহ জামায়াতের অন্য নেতারা হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছেন উল্লেখ করে আরও বলা হয়েছে, এতে তার সম্মানহানি ঘটছে ও তিনি জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ডায়েরিতে এসবের প্রতিকার চাওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াত নেতা মেজবাহ উদ্দিন সাঈদ রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘নির্বাচনকালীন আমি একটি রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছি। এখানে এটিকে ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেওয়ার কিছু নেই। আমি যা বলেছি, আপনারা ভিডিওতে বক্তব্যটি শুনতে পারেন, এটি অনলাইনে পাওয়া যাবে। আমার বিরুদ্ধে জিডি করে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নষ্ট করা হচ্ছে।’
ফেনীর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাগাজী সার্কেল) সৈয়দ মুমিদ রায়হান বলেন, বিএনপি প্রার্থী তার প্রতিনিধির মাধ্যমে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। বিষয়টি পুলিশ দেখছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি সোনাগাজী পৌরসভা চত্বরে নির্বাচনি পথসভায় আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছিলেন, জামায়াতে ইসলাম মুনাফেকের দল। এই মুনাফেকদের কোনোদিন বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হবে না। অন্তত যতদিন আমি বেঁচে আছি, এদেরকে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হবে না। তারা এই দেশের কোনো উন্নয়ন তো করবেই না, বরং এ দেশকে সিরিয়া-লেবানন বানিয়ে ফেলবে।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ফেনী-৩ (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) আসনে দলীয় প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টুর জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। ফেনীর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাগাজী সার্কেল) সৈয়দ মুমিদ রায়হান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) আবদুল আউয়াল মিন্টুর পক্ষে ফেনীর দাগনভূঞা থানায় ডায়েরিটি করেন তার নির্বাচনি এজেন্ট মোহাম্মদ শামছুদ্দিন।
দায়ের করা সাধারণ ডায়েরিতে (জিডি) বলা হয়েছে, গত ৪ ফেব্রুয়ারি বিকেলে দাগনভূঞা উপজেলায় জামায়াতের নির্বাচনি সভায় দলটির নেতা ঢাকা দক্ষিণের দলের শুরা সদস্য মেজবাহ উদ্দিন সাঈদ আবদুল আউয়াল মিন্টুকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডা. শফিকুর রহমান ক্ষমতায় গেলে আপনি কোথায় পালিয়ে যাবেন? শেখ হাসিনা ভাত রেখে পালিয়ে গেল, আপনাকে কী রেখে পালাতে হবে তা আমি বলতে চাই না।’
এ ছাড়া আবদুল আউয়াল মিন্টুকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মাধ্যমে মেজবাহ উদ্দিন সাঈদসহ জামায়াতের অন্য নেতারা হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছেন উল্লেখ করে আরও বলা হয়েছে, এতে তার সম্মানহানি ঘটছে ও তিনি জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ডায়েরিতে এসবের প্রতিকার চাওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াত নেতা মেজবাহ উদ্দিন সাঈদ রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘নির্বাচনকালীন আমি একটি রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছি। এখানে এটিকে ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেওয়ার কিছু নেই। আমি যা বলেছি, আপনারা ভিডিওতে বক্তব্যটি শুনতে পারেন, এটি অনলাইনে পাওয়া যাবে। আমার বিরুদ্ধে জিডি করে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নষ্ট করা হচ্ছে।’
ফেনীর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাগাজী সার্কেল) সৈয়দ মুমিদ রায়হান বলেন, বিএনপি প্রার্থী তার প্রতিনিধির মাধ্যমে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। বিষয়টি পুলিশ দেখছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি সোনাগাজী পৌরসভা চত্বরে নির্বাচনি পথসভায় আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছিলেন, জামায়াতে ইসলাম মুনাফেকের দল। এই মুনাফেকদের কোনোদিন বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হবে না। অন্তত যতদিন আমি বেঁচে আছি, এদেরকে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হবে না। তারা এই দেশের কোনো উন্নয়ন তো করবেই না, বরং এ দেশকে সিরিয়া-লেবানন বানিয়ে ফেলবে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে