
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর টানা কয়েকদিনের অবিরাম বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রামে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। গত কয়েকদিন ধরে চলা এই টানা বৃষ্টিতে উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে।
আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যাহত হচ্ছে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা, সেই সঙ্গে হাওরজুড়ে দেখা দিয়েছে তীব্র বন্যার আশঙ্কা।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতের সবশেষ প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, কালনী নদীর পানির সমতল পরিমাপ করা হয়েছে ২ দশমিক ৪৭ মিটার, যা প্রাক-বর্ষা বিপৎসীমার (৫ দশমিক ৩৫ মিটার) ২৮৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী ইটনা স্টেশনে ধনু-বৌলাই নদীর পানি ৩ দশমিক ১৪ মিটার ও চামড়াঘাট স্টেশনে ধনু নদীর পানি ২ দশমিক ৭৫ মিটার সমতলে অবস্থান করছে। পানি সাময়িকভাবে কিছুটা কম থাকলেও নির্বাহী প্রকৌশলীর বক্তব্য, ধারাবাহিক পানি বৃদ্ধির কারণে যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে।
এদিকে টানা বৃষ্টির কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষ। দিনমজুর ও কৃষিশ্রমিকরা ঘর থেকে বের হতে না পারায় কোনো কাজ পাচ্ছেন না। কর্মহীন হয়ে পড়ায় অনেক পরিবারে উনুন জ্বলছে না, ফলে তারা অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
একই দশা হাওরের জেলেদেরও। বৈরী আবহাওয়া ও তীব্র স্রোতের কারণে জেলেরা নদী বা হাওরে মাছ ধরতে যেতে পারছেন না। জাল-নৌকা গুটিয়ে বসে থাকায় তাদের দৈনিক আয় একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে।
অন্যদিকে অবিরাম বৃষ্টির পানি জমে উপজেলার বিভিন্ন রাস্তাঘাট, হাটবাজার ও বসতবাড়ির চারপাশ জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। পানি যেভাবে প্রতিনিয়ত বাড়ছে, তাতে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নদী ও হাওরের পানি এখনো বিপৎসীমা অতিক্রম না করলেও আকস্মিক ঢল ও বৃষ্টির ধারাবাহিকতায় তীরবর্তী মানুষ গবাদিপশু এবং ঘরবাড়ি নিয়ে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। দ্রুত এ পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ও সরকারি বা বেসরকারিভাবে জরুরি ত্রাণ সহায়তা না পৌঁছালে হাওরবাসীর দুর্ভোগ আরও চরমে পৌঁছাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, হাওরের নদ-নদীতে প্রতিদিন পানি বাড়ছে। তবে স্বস্তির বিষয়— পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে এবং এই মুহূর্তে বড় কোনো বন্যার সুনির্দিষ্ট পূর্বাভাস নেই। তবে যেহেতু প্রতিদিনই পানি বাড়ছে, তাই যেকোনো সময় বন্যার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর টানা কয়েকদিনের অবিরাম বর্ষণে কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রামে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। গত কয়েকদিন ধরে চলা এই টানা বৃষ্টিতে উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে।
আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যাহত হচ্ছে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা, সেই সঙ্গে হাওরজুড়ে দেখা দিয়েছে তীব্র বন্যার আশঙ্কা।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতের সবশেষ প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, কালনী নদীর পানির সমতল পরিমাপ করা হয়েছে ২ দশমিক ৪৭ মিটার, যা প্রাক-বর্ষা বিপৎসীমার (৫ দশমিক ৩৫ মিটার) ২৮৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী ইটনা স্টেশনে ধনু-বৌলাই নদীর পানি ৩ দশমিক ১৪ মিটার ও চামড়াঘাট স্টেশনে ধনু নদীর পানি ২ দশমিক ৭৫ মিটার সমতলে অবস্থান করছে। পানি সাময়িকভাবে কিছুটা কম থাকলেও নির্বাহী প্রকৌশলীর বক্তব্য, ধারাবাহিক পানি বৃদ্ধির কারণে যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে।
এদিকে টানা বৃষ্টির কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষ। দিনমজুর ও কৃষিশ্রমিকরা ঘর থেকে বের হতে না পারায় কোনো কাজ পাচ্ছেন না। কর্মহীন হয়ে পড়ায় অনেক পরিবারে উনুন জ্বলছে না, ফলে তারা অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
একই দশা হাওরের জেলেদেরও। বৈরী আবহাওয়া ও তীব্র স্রোতের কারণে জেলেরা নদী বা হাওরে মাছ ধরতে যেতে পারছেন না। জাল-নৌকা গুটিয়ে বসে থাকায় তাদের দৈনিক আয় একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে।
অন্যদিকে অবিরাম বৃষ্টির পানি জমে উপজেলার বিভিন্ন রাস্তাঘাট, হাটবাজার ও বসতবাড়ির চারপাশ জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। পানি যেভাবে প্রতিনিয়ত বাড়ছে, তাতে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নদী ও হাওরের পানি এখনো বিপৎসীমা অতিক্রম না করলেও আকস্মিক ঢল ও বৃষ্টির ধারাবাহিকতায় তীরবর্তী মানুষ গবাদিপশু এবং ঘরবাড়ি নিয়ে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। দ্রুত এ পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ও সরকারি বা বেসরকারিভাবে জরুরি ত্রাণ সহায়তা না পৌঁছালে হাওরবাসীর দুর্ভোগ আরও চরমে পৌঁছাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, হাওরের নদ-নদীতে প্রতিদিন পানি বাড়ছে। তবে স্বস্তির বিষয়— পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে রয়েছে এবং এই মুহূর্তে বড় কোনো বন্যার সুনির্দিষ্ট পূর্বাভাস নেই। তবে যেহেতু প্রতিদিনই পানি বাড়ছে, তাই যেকোনো সময় বন্যার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিদের প্রবেশপথে ককটেলটি বিস্ফোরণ করা হয়। তবে কে বা কারা ককটেলটি ছুড়ে পালিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে বলতে পারেননি সেখানে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা।
৬ ঘণ্টা আগে
ধাক্কায় শুভঙ্কর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় বাসটির পেছনের একটি চাকা তার মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান এসআই অনিরুদ্ধ।
৬ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
১ দিন আগে