
বান্দরবান প্রতিনিধি

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী শাহ নুরুদ্দিন দাখিল মাদ্রাসার সুপার নুরুল হাকিমের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এদিকে, এই যৌন হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন করতে গিয়ে কিছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবক হামলার শিকার হয়েছেন। তবে মাদ্রাসার সুপার নুরুল হাকিম তার বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
গত রোববার মানববন্ধন করার উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে আহত কয়েকজন শিক্ষার্থীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এই হামলার ঘটনায় গত সোমবার এক শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে মাদ্রাসা সুপার নুরুল হাকিমসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার বাদী শিক্ষার্থীর মা অভিযোগ করেছেন, সুপার নুরুল হাকিম নবম ও দশম শ্রেণির মেয়ে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানি করেছেন। তিনি আরও জানান, এই বিষয়ে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটিকে জানানো হলেও কোনো বিচার পাওয়া যায়নি।
বাদীপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, গত রোববার মানববন্ধনের জন্য মিছিল বাইশারী বাজার থেকে মাদ্রাসার দিকে যাওয়ার সময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওপর লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে।
যৌন হয়রানির বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহাবুব ইলাহিকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা। তবে তদন্ত কমিটির একজন জানিয়েছেন, মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মেলেনি।
বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলম কোম্পানি বলেন, মনে হয় নুরুল হাকিমের বিরুদ্ধে এক পক্ষ ষড়যন্ত্র করছে।
মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. রফিক বসরী বলেন, নুরুল হাকিমের বিরুদ্ধে বিচার চাইতে এসে বিচার পাননি– এমন অভিযোগ সত্য নয়। অভিযোগকারীদের কাছে সময় চাওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা সময় দেননি।
মাদ্রাসার সুপার নুরুল হাকিম বলেন, তার বয়স ষাটের কাছাকাছি। ২৫ বছর ধরে তিলে তিলে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছেন। এখন তার বিরুদ্ধে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করা হচ্ছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি আবদুল বাতেন বলেন, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী শাহ নুরুদ্দিন দাখিল মাদ্রাসার সুপার নুরুল হাকিমের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এদিকে, এই যৌন হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন করতে গিয়ে কিছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবক হামলার শিকার হয়েছেন। তবে মাদ্রাসার সুপার নুরুল হাকিম তার বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
গত রোববার মানববন্ধন করার উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে আহত কয়েকজন শিক্ষার্থীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এই হামলার ঘটনায় গত সোমবার এক শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে মাদ্রাসা সুপার নুরুল হাকিমসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার বাদী শিক্ষার্থীর মা অভিযোগ করেছেন, সুপার নুরুল হাকিম নবম ও দশম শ্রেণির মেয়ে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানি করেছেন। তিনি আরও জানান, এই বিষয়ে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটিকে জানানো হলেও কোনো বিচার পাওয়া যায়নি।
বাদীপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, গত রোববার মানববন্ধনের জন্য মিছিল বাইশারী বাজার থেকে মাদ্রাসার দিকে যাওয়ার সময় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ওপর লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে।
যৌন হয়রানির বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মাহাবুব ইলাহিকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা। তবে তদন্ত কমিটির একজন জানিয়েছেন, মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মেলেনি।
বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলম কোম্পানি বলেন, মনে হয় নুরুল হাকিমের বিরুদ্ধে এক পক্ষ ষড়যন্ত্র করছে।
মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. রফিক বসরী বলেন, নুরুল হাকিমের বিরুদ্ধে বিচার চাইতে এসে বিচার পাননি– এমন অভিযোগ সত্য নয়। অভিযোগকারীদের কাছে সময় চাওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা সময় দেননি।
মাদ্রাসার সুপার নুরুল হাকিম বলেন, তার বয়স ষাটের কাছাকাছি। ২৫ বছর ধরে তিলে তিলে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছেন। এখন তার বিরুদ্ধে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করা হচ্ছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি আবদুল বাতেন বলেন, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে।

মামলার আইনজীবী অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম মল্লিক জানান, হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নেওয়ার পর নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করবেন আমির হামজা। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন আদালত।
১ দিন আগে
বিজিবি জানিয়েছে, গয়টাপাড়া সীমান্ত দিয়ে এক নারী, দুই শিশু ও তিন যুবককে এবং ইজলামারী সীমান্ত দিয়ে আরও তিনজনকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়। পরিস্থিতি আঁচ করতে পেরে বিজিবি সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় দ্রুত প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
১ দিন আগে
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিম সরকার দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা লেগে আপন দুই ভাই নিহত হওয়ার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
১ দিন আগে
শনিবার (১৩ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার পাহাড়তলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মাসুদুল হক চৌধুরী রাঙ্গুনিয়া উপজেলার যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।
২ দিন আগে