
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে রাজু আহমেদ (৩০) নামের এক সাবেক বিএনপি কর্মীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
রোববার (২৬ জুলাই) রাতে উপজেলার মেঘনা নদীবেষ্টিত চরাঞ্চলের চরকিশোরগঞ্জ-চরহোগলা গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহতের পরিবারের দাবি, রাজনৈতিক বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তবে পুলিশ বলছে, এটি রাজনৈতিক বিরোধ নাকি পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে সংঘটিত হয়েছে, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, রাজু একসময় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও প্রায় তিন মাস আগে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান। এরপর স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহাদাত প্রধানের সঙ্গে তার পূর্বের রেষারেষির জেরে বিরোধ সৃষ্টি হয়। ওই বিরোধের জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে রাজুকে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে।
জানা গেছে, রোববার রাতে রাজুর ফুফাতো ভাইয়ের সঙ্গে স্থানীয় নুরুল ও জাকিরের আধিপত্য বিস্তার এবং রাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি মারামারিতে রূপ নেয়। এ সময় রাজু সেখানে গিয়ে তাদের বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। পরে নুরুল ও জাকিরের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রাজুর বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা রাজুর ফুফাতো ভাইকে না পেয়ে রাজুকে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করে।
রাজু আহমেদকে বাঁচাতে তার পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পরিবারের আরও দুই সদস্যসহ তিনজনকে পিটিয়ে আহত করে। পরে এলাকাবাসী মুমূর্ষু অবস্থায় রাজু আহমেদকে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাহাদাত হোসেন বলেন, ঘটনার সময় আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। বাবার সঙ্গে নারায়ণগঞ্জে অবস্থান করছিলাম। নুরুল ও জাকিরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জের ধরেই এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। আমি বা আমার পরিবারের কোনো সদস্য এ ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নই।
সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনাটি রাজনৈতিক বিরোধ নাকি পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে ঘটেছে, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে রাজু আহমেদ (৩০) নামের এক সাবেক বিএনপি কর্মীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন।
রোববার (২৬ জুলাই) রাতে উপজেলার মেঘনা নদীবেষ্টিত চরাঞ্চলের চরকিশোরগঞ্জ-চরহোগলা গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহতের পরিবারের দাবি, রাজনৈতিক বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তবে পুলিশ বলছে, এটি রাজনৈতিক বিরোধ নাকি পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে সংঘটিত হয়েছে, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, রাজু একসময় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও প্রায় তিন মাস আগে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান। এরপর স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহাদাত প্রধানের সঙ্গে তার পূর্বের রেষারেষির জেরে বিরোধ সৃষ্টি হয়। ওই বিরোধের জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে রাজুকে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে।
জানা গেছে, রোববার রাতে রাজুর ফুফাতো ভাইয়ের সঙ্গে স্থানীয় নুরুল ও জাকিরের আধিপত্য বিস্তার এবং রাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি মারামারিতে রূপ নেয়। এ সময় রাজু সেখানে গিয়ে তাদের বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। পরে নুরুল ও জাকিরের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রাজুর বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা রাজুর ফুফাতো ভাইকে না পেয়ে রাজুকে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করে।
রাজু আহমেদকে বাঁচাতে তার পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পরিবারের আরও দুই সদস্যসহ তিনজনকে পিটিয়ে আহত করে। পরে এলাকাবাসী মুমূর্ষু অবস্থায় রাজু আহমেদকে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাহাদাত হোসেন বলেন, ঘটনার সময় আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। বাবার সঙ্গে নারায়ণগঞ্জে অবস্থান করছিলাম। নুরুল ও জাকিরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জের ধরেই এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। আমি বা আমার পরিবারের কোনো সদস্য এ ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নই।
সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনাটি রাজনৈতিক বিরোধ নাকি পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে ঘটেছে, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে