
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে এক স্কুলছাত্রী ৪ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। এ ঘটনায় তার পরিবার হত্যার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। এদিকে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে হৃদয় নামে এক অটোরিকশাচালককে আটক করেছে পুলিশ। তবে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত নিখোঁজ ওই ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা যায়নি।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ কোহিনুর (১৬) মিঠামইন উপজেলা সদরের তমিজা খাতুন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবার নাম মৃত ফজলু মিয়া। সে মিঠামইন হেলিপ্যাডসংলগ্ন মাইনুদ্দিনের কলোনিতে মা নাহার বেগম ও ভাইয়ের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকত।
কোহিনুরের মা নাহার বেগম জানান, গত শনিবার (২৭ জুন) বিকেল ৪টার দিকে প্রতিদিনের মতো প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয় কোহিনুর। তবে সন্ধ্যা হয়ে গেলেও সে আর বাড়ি ফেরেনি। পরে প্রাইভেট শিক্ষক হিন্দুপাড়ার কমল ম্যাডামের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ওই দিন কোহিনুর প্রাইভেটে যায়নি।
এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা মিঠামইন থানায় মেয়ে নিখোঁজের বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (অভিযোগ) করেন।
পরিবারের দাবি, ঘটনার দিন স্থানীয় কয়েকজন কোহিনুরকে অটোরিকশাচালক হৃদয়ের সঙ্গে কথা বলতে দেখেছেন। তাদের মধ্যে পূর্বপরিচয় ও সম্পর্ক ছিল বলেও অভিযোগ করেন মা নাহার বেগম।
এদিকে গতকাল সোমবার রাত ১০টার দিকে ঘোড়াউত্রা নদীর তীরে হামিদপল্লীর পেছনে স্থানীয় লোকজন একটি মরদেহ ভাসতে দেখার দাবি করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও কোনো মরদেহ উদ্ধার করতে পারেনি।
তবে স্থানীয় কয়েকজন মরদেহের একটি ভিডিও ধারণ করেন, যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিও দেখে নাহার বেগম দাবি করেন, ভাসমান মরদেহটি তার মেয়ে কোহিনুরের। তবে নদীর স্রোতে মরদেহটি ভেসে যাওয়ায় সেটি আর উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে হৃদয় নামে এক অটোরিকশাচালককে আটক করা হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, হৃদয়ের সঙ্গে কোহিনুরের পরিচয় ও সম্পর্ক ছিল। মরদেহ উদ্ধারে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন নদীতে মরদেহের সন্ধানে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের অগ্রগতি এবং মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
রাজনীতি/আরআইআর

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে এক স্কুলছাত্রী ৪ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। এ ঘটনায় তার পরিবার হত্যার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। এদিকে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে হৃদয় নামে এক অটোরিকশাচালককে আটক করেছে পুলিশ। তবে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত নিখোঁজ ওই ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা যায়নি।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ কোহিনুর (১৬) মিঠামইন উপজেলা সদরের তমিজা খাতুন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবার নাম মৃত ফজলু মিয়া। সে মিঠামইন হেলিপ্যাডসংলগ্ন মাইনুদ্দিনের কলোনিতে মা নাহার বেগম ও ভাইয়ের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকত।
কোহিনুরের মা নাহার বেগম জানান, গত শনিবার (২৭ জুন) বিকেল ৪টার দিকে প্রতিদিনের মতো প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয় কোহিনুর। তবে সন্ধ্যা হয়ে গেলেও সে আর বাড়ি ফেরেনি। পরে প্রাইভেট শিক্ষক হিন্দুপাড়ার কমল ম্যাডামের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ওই দিন কোহিনুর প্রাইভেটে যায়নি।
এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা মিঠামইন থানায় মেয়ে নিখোঁজের বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (অভিযোগ) করেন।
পরিবারের দাবি, ঘটনার দিন স্থানীয় কয়েকজন কোহিনুরকে অটোরিকশাচালক হৃদয়ের সঙ্গে কথা বলতে দেখেছেন। তাদের মধ্যে পূর্বপরিচয় ও সম্পর্ক ছিল বলেও অভিযোগ করেন মা নাহার বেগম।
এদিকে গতকাল সোমবার রাত ১০টার দিকে ঘোড়াউত্রা নদীর তীরে হামিদপল্লীর পেছনে স্থানীয় লোকজন একটি মরদেহ ভাসতে দেখার দাবি করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও কোনো মরদেহ উদ্ধার করতে পারেনি।
তবে স্থানীয় কয়েকজন মরদেহের একটি ভিডিও ধারণ করেন, যা পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিও দেখে নাহার বেগম দাবি করেন, ভাসমান মরদেহটি তার মেয়ে কোহিনুরের। তবে নদীর স্রোতে মরদেহটি ভেসে যাওয়ায় সেটি আর উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে হৃদয় নামে এক অটোরিকশাচালককে আটক করা হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, হৃদয়ের সঙ্গে কোহিনুরের পরিচয় ও সম্পর্ক ছিল। মরদেহ উদ্ধারে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন নদীতে মরদেহের সন্ধানে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছিল। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের অগ্রগতি এবং মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
রাজনীতি/আরআইআর

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে