
নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইলে তেল না পেয়ে বাগবিতণ্ডার জেরে একটি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজারকে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা পাম্পের আরেক কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন ।
শনিবার (২৮ মার্চ) দিবাগত রাত ২টার দিকে নড়াইল-যশোর মহাসড়কের তুলারামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নাহিদ সর্দার (৩৩) স্থানীয় তানভীর ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার ছিলেন। তুলারামপুর ইউনিয়নের পেড়লী গ্রামের আকরাম সর্দারের ছেলে। আহত জিহাদুল ইসলাম (২৭) তুলারামপুর গ্রামের জহুরুল মোল্লার ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, ট্রাকচালক সুজাত তেল না পেয়ে নাহিদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। পরে কাজ শেষে নাহিদ মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে ট্রাকটি তাকে ধাওয়া করে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে এবং ঘাতক চালককে গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে।
পেট্রোল পাম্পের ক্যাশিয়ার মো. জসিমউদদীন বলেন, “সুজাত নামের এক ট্রাকচালক পাম্পে তেল নিতে আসে কিন্তু তেল না থাকায় তাকে আমরা দিতে পারিনি। এ নিয়ে নাহিদ ভাইয়ের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়।
“একপর্যায়ে ওই ট্রাকচালক রেগে গিয়ে বলে ‘তোদের পাম্পে তেল আছে, তুই দিচ্ছিস না; তোকে আজকে ট্রাকের তলে চাপা দিব’।”
পাম্পের আরেক কর্মচারী মো. সোহান ইসলাম বলেন, “নাহিদ ভাইকে ট্রাকচাপার হুমকি দিয়ে চালক পাম্পেই অবস্থান করছিল। রাত আনুমানিক সোয়া ২টা দিকে নাহিদ ভাই পাম্পের কাজ সেরে তার ভাইয়ের বন্ধু জিহাদুল ইসলামকে নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ির দিকে রওনা দেন। এ সময় সুজাতও ট্রাক ঘুরিয়ে তার পেছনে রওনা দেয়।
“এ নিয়ে আমাদের সন্দেহ হলে আমি আর ক্যাশিয়ার জসিমউদ্দীন ভাই মোটরসাইকেল নিয়ে ট্রাকের পেছনে যাই, গিয়ে দেখি নাহিদ ভাইকে চাপা দিয়ে ট্রাকটি নিয়ে চলে যাচ্ছে চালক।”
এ ঘটনায় নাহিদ ঘটনাস্থলেই নিহত হয় এবং জিহাদুল গুরুতর আহত হয়। তাদের উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
নড়াইল থানা পুলিশের ওসি মো. ওলি মিয়া বলেন, “পাম্পসহ আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। তাতে তেল নিয়ে বিতণ্ডা থেকেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবুও পূর্বের কোনো বিরোধ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
নাহিদের মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মামলার পক্রিয়া ও তদন্ত চলমান আছে, দ্রুতই দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান ওসি।

নড়াইলে তেল না পেয়ে বাগবিতণ্ডার জেরে একটি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজারকে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা পাম্পের আরেক কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন ।
শনিবার (২৮ মার্চ) দিবাগত রাত ২টার দিকে নড়াইল-যশোর মহাসড়কের তুলারামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নাহিদ সর্দার (৩৩) স্থানীয় তানভীর ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার ছিলেন। তুলারামপুর ইউনিয়নের পেড়লী গ্রামের আকরাম সর্দারের ছেলে। আহত জিহাদুল ইসলাম (২৭) তুলারামপুর গ্রামের জহুরুল মোল্লার ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, ট্রাকচালক সুজাত তেল না পেয়ে নাহিদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন। পরে কাজ শেষে নাহিদ মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে ট্রাকটি তাকে ধাওয়া করে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে এবং ঘাতক চালককে গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে।
পেট্রোল পাম্পের ক্যাশিয়ার মো. জসিমউদদীন বলেন, “সুজাত নামের এক ট্রাকচালক পাম্পে তেল নিতে আসে কিন্তু তেল না থাকায় তাকে আমরা দিতে পারিনি। এ নিয়ে নাহিদ ভাইয়ের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়।
“একপর্যায়ে ওই ট্রাকচালক রেগে গিয়ে বলে ‘তোদের পাম্পে তেল আছে, তুই দিচ্ছিস না; তোকে আজকে ট্রাকের তলে চাপা দিব’।”
পাম্পের আরেক কর্মচারী মো. সোহান ইসলাম বলেন, “নাহিদ ভাইকে ট্রাকচাপার হুমকি দিয়ে চালক পাম্পেই অবস্থান করছিল। রাত আনুমানিক সোয়া ২টা দিকে নাহিদ ভাই পাম্পের কাজ সেরে তার ভাইয়ের বন্ধু জিহাদুল ইসলামকে নিয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ির দিকে রওনা দেন। এ সময় সুজাতও ট্রাক ঘুরিয়ে তার পেছনে রওনা দেয়।
“এ নিয়ে আমাদের সন্দেহ হলে আমি আর ক্যাশিয়ার জসিমউদ্দীন ভাই মোটরসাইকেল নিয়ে ট্রাকের পেছনে যাই, গিয়ে দেখি নাহিদ ভাইকে চাপা দিয়ে ট্রাকটি নিয়ে চলে যাচ্ছে চালক।”
এ ঘটনায় নাহিদ ঘটনাস্থলেই নিহত হয় এবং জিহাদুল গুরুতর আহত হয়। তাদের উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
নড়াইল থানা পুলিশের ওসি মো. ওলি মিয়া বলেন, “পাম্পসহ আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। তাতে তেল নিয়ে বিতণ্ডা থেকেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবুও পূর্বের কোনো বিরোধ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”
নাহিদের মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মামলার পক্রিয়া ও তদন্ত চলমান আছে, দ্রুতই দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান ওসি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে