
বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশালের কালাবদর নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান চলাকালে সংঘবদ্ধ জেলেদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে অভিযান পরিচালনাকারী দল ২০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। এতে ৩ জন জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
শনিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আজহারুল ইসলাম জানান, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে বরিশাল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কান্তি ঘোষ, সদর উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. জামাল হোসাইনসহ তিনটি স্পিডবোট নিয়ে তারা কালাবদর নদীতে অভিযান চালান। বিকেল সোয়া ৫টার দিকে একটি নৌকা থেকে জাল ফেলতে দেখা গেলে অভিযানিক দলটি ধাওয়া করে। তখন জেলেরা নৌকা নিয়ে পালিয়ে যায়।
এর কিছুক্ষণ পর নদীতে ফেলা জাল উত্তোলনের সময় ৭-৮টি নৌকায় প্রায় ৫০-৬০ জন জেলে লাঠিসোটা ও ইট নিয়ে অভিযানকারীদের ওপর চড়াও হয়। এসময় তারা বেপরোয়াভাবে ইট নিক্ষেপ করতে থাকে। এতে স্পিডবোটের চালক মামুন আহত হন। তখন আত্মরক্ষায় ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যদের গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। আনসার সদস্যরা ১৮ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ২ রাউন্ড সিসা বুলেট ছুড়ে।
তিনি আরও বলেন, ‘গুলিতে কয়েকজন আহত হলে তারা পালিয়ে যায়। খবর পেয়েছি, একজন মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়েছে। তবে ঠিক কতজন আহত হয়েছে, তা নিশ্চিত নই।’
আজহারুল ইসলাম আরও বলেন, ‘ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মৎস্য দফতরকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’
সদর উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. জামাল হোসাইন বলেন, ‘হামলাকারীদের কাউকে চিনতে পারিনি। তাই আপাতত কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

বরিশালের কালাবদর নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান চলাকালে সংঘবদ্ধ জেলেদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে অভিযান পরিচালনাকারী দল ২০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। এতে ৩ জন জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
শনিবার (১৮ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আজহারুল ইসলাম জানান, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে বরিশাল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কান্তি ঘোষ, সদর উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. জামাল হোসাইনসহ তিনটি স্পিডবোট নিয়ে তারা কালাবদর নদীতে অভিযান চালান। বিকেল সোয়া ৫টার দিকে একটি নৌকা থেকে জাল ফেলতে দেখা গেলে অভিযানিক দলটি ধাওয়া করে। তখন জেলেরা নৌকা নিয়ে পালিয়ে যায়।
এর কিছুক্ষণ পর নদীতে ফেলা জাল উত্তোলনের সময় ৭-৮টি নৌকায় প্রায় ৫০-৬০ জন জেলে লাঠিসোটা ও ইট নিয়ে অভিযানকারীদের ওপর চড়াও হয়। এসময় তারা বেপরোয়াভাবে ইট নিক্ষেপ করতে থাকে। এতে স্পিডবোটের চালক মামুন আহত হন। তখন আত্মরক্ষায় ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যদের গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। আনসার সদস্যরা ১৮ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ২ রাউন্ড সিসা বুলেট ছুড়ে।
তিনি আরও বলেন, ‘গুলিতে কয়েকজন আহত হলে তারা পালিয়ে যায়। খবর পেয়েছি, একজন মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়েছে। তবে ঠিক কতজন আহত হয়েছে, তা নিশ্চিত নই।’
আজহারুল ইসলাম আরও বলেন, ‘ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মৎস্য দফতরকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’
সদর উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. জামাল হোসাইন বলেন, ‘হামলাকারীদের কাউকে চিনতে পারিনি। তাই আপাতত কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
১৯ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মাদারগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জামিনুর ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।
১ দিন আগে