
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পটুয়াখালী–২ (বাউফল) আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর স্থানীয় সব নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থেকে নির্বাচনি প্রচার চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শহিদুল আলম তালুকদার।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে বাউফল উপজেলা পাবলিক মাঠে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় আয়োজিত দোয়া ও মোনাজাতের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এ আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে সকালে ঢাকা থেকে একটি দ্বিতল লঞ্চে করে নুরাইপুর ঘাটে পৌঁছান শহিদুল আলম। সেখানে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পর জনসমাগম নিয়ে তিনি পাবলিক মাঠে যান। সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হতে থাকেন।
দুপুর সোয়া ১টার দিকে শুরু হয় দোয়া অনুষ্ঠান। দোয়া পরিচালনা করেন ওলামা দল বাউফল উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা হাবিবুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শহিদুল আলম বলেন, ‘মনোনয়ন প্রতিযোগিতায় কয়েকজন ছিলাম। দল আমাকে যোগ্য মনে করেই মনোনয়ন দিয়েছে। এখন ভেদাভেদ ভুলে ধানের শীষের বিজয়ে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সুন্দর দেশ গড়তে হবে।’
এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন ঘিরে গত কয়েকদিন ধরেই দলীয় কোন্দল মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। নেতাকর্মীদের একাংশ প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে বিক্ষোভসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে।
এর মধ্যে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) গভীর রাতে বাউফল পাবলিক মাঠে দোয়া অনুষ্ঠানের জন্য নির্মিত মঞ্চে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ছাড়া গত রোববার (৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় স্থানীয় হাছন দালাল মার্কেটে উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে আহ্বায়ক আবদুল জব্বার মৃধার সভাপতিত্বে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দলের কেন্দ্রীয় সহদপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেনকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানান অন্য পক্ষের নেতাকর্মীরা।
গত বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ৩৬ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর মধ্যে পটুয়াখালী–২ আসনে শহিদুল আলম তালুকদারের নামও ছিল।
১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে অল্প ব্যবধানে পরাজিত হন শহিদুল। ২০০১ সালে একই আসনে জয়ী হন। এরপর ২০০৮ সালে মনোনয়ন পেলেও মামলা জটিলতায় তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি।

পটুয়াখালী–২ (বাউফল) আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর স্থানীয় সব নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থেকে নির্বাচনি প্রচার চালানোর আহ্বান জানিয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শহিদুল আলম তালুকদার।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে বাউফল উপজেলা পাবলিক মাঠে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় আয়োজিত দোয়া ও মোনাজাতের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এ আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে সকালে ঢাকা থেকে একটি দ্বিতল লঞ্চে করে নুরাইপুর ঘাটে পৌঁছান শহিদুল আলম। সেখানে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পর জনসমাগম নিয়ে তিনি পাবলিক মাঠে যান। সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হতে থাকেন।
দুপুর সোয়া ১টার দিকে শুরু হয় দোয়া অনুষ্ঠান। দোয়া পরিচালনা করেন ওলামা দল বাউফল উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা হাবিবুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শহিদুল আলম বলেন, ‘মনোনয়ন প্রতিযোগিতায় কয়েকজন ছিলাম। দল আমাকে যোগ্য মনে করেই মনোনয়ন দিয়েছে। এখন ভেদাভেদ ভুলে ধানের শীষের বিজয়ে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সুন্দর দেশ গড়তে হবে।’
এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন ঘিরে গত কয়েকদিন ধরেই দলীয় কোন্দল মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। নেতাকর্মীদের একাংশ প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে বিক্ষোভসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে।
এর মধ্যে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) গভীর রাতে বাউফল পাবলিক মাঠে দোয়া অনুষ্ঠানের জন্য নির্মিত মঞ্চে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ছাড়া গত রোববার (৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় স্থানীয় হাছন দালাল মার্কেটে উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে আহ্বায়ক আবদুল জব্বার মৃধার সভাপতিত্বে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দলের কেন্দ্রীয় সহদপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেনকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানান অন্য পক্ষের নেতাকর্মীরা।
গত বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ৩৬ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর মধ্যে পটুয়াখালী–২ আসনে শহিদুল আলম তালুকদারের নামও ছিল।
১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে অল্প ব্যবধানে পরাজিত হন শহিদুল। ২০০১ সালে একই আসনে জয়ী হন। এরপর ২০০৮ সালে মনোনয়ন পেলেও মামলা জটিলতায় তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে