
ভোলা প্রতিনিধি

ভোলা শহরের উকিলপাড়া এলাকায় পাঁচতলা একটি ভবনের ফ্ল্যাট বাসা থেকে মিতু আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছেন।
মিতু আক্তার জেলার দৌলতখান উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বশির আহমেদের মেয়ে। প্রায় পাঁচ বছর আগে দৌলতখান উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের মাস্টারবাড়ির বাসিন্দা শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে সোহাগের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। দম্পতির দুই বছরের একটি মেয়েশিশু রয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে মিতুর ওপর নির্যাতন চালানো হতো। মেয়ের সুখের কথা ভেবে পরিবার একাধিকবার নগদ টাকা, টিভি, ফ্রিজসহ আসবাবপত্র দিলেও নির্যাতন বন্ধ হয়নি। বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে একাধিকবার সালিস বৈঠক হয় এবং এক পর্যায়ে থানায় অভিযোগও দেওয়া হয়েছিল।
নিহতের স্বজনদের দাবি, বৃহস্পতিবার সকালে সোহাগ ফোন করে জানান মিতু গুরুতর অসুস্থ। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত উকিলপাড়ার বাসায় গিয়ে বিছানায় মিতুর নিথর দেহ দেখতে পান। এর আগেই স্বামী সোহাগ এবং শ্বশুরবাড়ির অন্যান্য সদস্য বাসা থেকে পালিয়ে যান।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাতেও সোহাগের মা ও ভাইবোন ওই ফ্ল্যাটে ছিলেন। তবে সকালে তাদের আর পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থল থেকে দুই বছরের মেয়েশিশুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
নিহতের পরিবার এটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছে। নিহতের চাচা লোকমান হোসেন বলেন, তারা এ ঘটনায় হত্যা মামলা করবেন এবং ন্যায়বিচার চান।
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন ছাড়া মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না। তবে ঘটনার পরই স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে। এদিকে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রাজনীতি/আরআইআর

ভোলা শহরের উকিলপাড়া এলাকায় পাঁচতলা একটি ভবনের ফ্ল্যাট বাসা থেকে মিতু আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছেন।
মিতু আক্তার জেলার দৌলতখান উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বশির আহমেদের মেয়ে। প্রায় পাঁচ বছর আগে দৌলতখান উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের মাস্টারবাড়ির বাসিন্দা শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে সোহাগের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। দম্পতির দুই বছরের একটি মেয়েশিশু রয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে মিতুর ওপর নির্যাতন চালানো হতো। মেয়ের সুখের কথা ভেবে পরিবার একাধিকবার নগদ টাকা, টিভি, ফ্রিজসহ আসবাবপত্র দিলেও নির্যাতন বন্ধ হয়নি। বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে একাধিকবার সালিস বৈঠক হয় এবং এক পর্যায়ে থানায় অভিযোগও দেওয়া হয়েছিল।
নিহতের স্বজনদের দাবি, বৃহস্পতিবার সকালে সোহাগ ফোন করে জানান মিতু গুরুতর অসুস্থ। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত উকিলপাড়ার বাসায় গিয়ে বিছানায় মিতুর নিথর দেহ দেখতে পান। এর আগেই স্বামী সোহাগ এবং শ্বশুরবাড়ির অন্যান্য সদস্য বাসা থেকে পালিয়ে যান।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাতেও সোহাগের মা ও ভাইবোন ওই ফ্ল্যাটে ছিলেন। তবে সকালে তাদের আর পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থল থেকে দুই বছরের মেয়েশিশুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
নিহতের পরিবার এটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছে। নিহতের চাচা লোকমান হোসেন বলেন, তারা এ ঘটনায় হত্যা মামলা করবেন এবং ন্যায়বিচার চান।
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন ছাড়া মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না। তবে ঘটনার পরই স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে। এদিকে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রাজনীতি/আরআইআর

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এ হামলার পেছনে রয়েছেন ক্যাডার বড় সাজ্জাদের অনুসারী ডেভিড ইমনের সহযোগীরা। সম্প্রতি ইমন মোবাইল ফোনে ডিডিএনের স্বত্বাধিকারীর কাছে এককালীন দুই কোটি টাকা ও প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন। হুমকি দিয়েছিলেন, চাঁদা না দিলে ব্যবসা গুটিয়ে দেওয়া হবে।
১ দিন আগে
নাটোরের লালপুর উপজেলার ডহরশলা এলাকায় একতা এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। আজ সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। তবে খুলনাগামী ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
১ দিন আগে
আহতদের উদ্ধার করে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন সুমন দাস (৪৫), হৃদয় হাওলাদার (২৬), হাবিবুল্লাহ শেখ (২৮), ফিরোজ শেখ (৬৫) ও মোতালেব হোসেন (৪৮)। তারা জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
২ দিন আগে
মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক জানান, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
২ দিন আগে