
ভোলা প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ (সদর) আসনটি শরিক দল বাংলাদেশ জাতীয় পার্টিকে (বিজেপি) ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। জোটগত এই সমঝোতার অংশ হিসেবে সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন জমা দিয়েছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর। রিটার্নিং কর্মকর্তা তার আবেদন গ্রহণ করেছেন।
এর ফলে এই আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের একক প্রার্থী হিসেবে ‘গরুর গাড়ি’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ।
দলীয় সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে গোলাম নবী আলমগীরকে এই আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল। তবে যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে ভোলা-১ আসনটি আন্দালিভ রহমান পার্থকে ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দেয় বিএনপি। জোটের ঐক্য বজায় রাখতে এবং একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে গোলাম নবীকে দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেয়ার আহ্বান জানানো হয়। দলের নির্দেশনা মেনে তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন।
আন্দালিভ রহমান পার্থকে ঘিরে এবারের নির্বাচনে বেশ নাটকীয়তা লক্ষ্য করা গেছে। তফসিল ঘোষণার আগে তাকে ঢাকা-১৭ আসন থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল। তবে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তন এবং তারেক রহমান দেশে ফেরার পর দলের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তে বড় পরিবর্তন আসে। ঢাকা-১৭ আসনে স্বয়ং তারেক রহমান প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে পার্থকে তার পুরনো আসন ভোলা-১ এ স্থানান্তর করা হয়।
ভোলার স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের দাবির মুখে এবং কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের সমন্বয়ে শেষ পর্যন্ত পার্থকেই জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী করা হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গোলাম নবী আলমগীরের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে ভোলা-১ আসনে জোটের অভ্যন্তরীণ সম্ভাব্য দ্বন্দ্বের অবসান ঘটল। এখন জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনী মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ (সদর) আসনটি শরিক দল বাংলাদেশ জাতীয় পার্টিকে (বিজেপি) ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। জোটগত এই সমঝোতার অংশ হিসেবে সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে নিজের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন জমা দিয়েছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর। রিটার্নিং কর্মকর্তা তার আবেদন গ্রহণ করেছেন।
এর ফলে এই আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের একক প্রার্থী হিসেবে ‘গরুর গাড়ি’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ।
দলীয় সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে গোলাম নবী আলমগীরকে এই আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল। তবে যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে ভোলা-১ আসনটি আন্দালিভ রহমান পার্থকে ছেড়ে দেয়ার ঘোষণা দেয় বিএনপি। জোটের ঐক্য বজায় রাখতে এবং একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে গোলাম নবীকে দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেয়ার আহ্বান জানানো হয়। দলের নির্দেশনা মেনে তিনি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন।
আন্দালিভ রহমান পার্থকে ঘিরে এবারের নির্বাচনে বেশ নাটকীয়তা লক্ষ্য করা গেছে। তফসিল ঘোষণার আগে তাকে ঢাকা-১৭ আসন থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছিল। তবে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তন এবং তারেক রহমান দেশে ফেরার পর দলের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তে বড় পরিবর্তন আসে। ঢাকা-১৭ আসনে স্বয়ং তারেক রহমান প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে পার্থকে তার পুরনো আসন ভোলা-১ এ স্থানান্তর করা হয়।
ভোলার স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের দাবির মুখে এবং কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের সমন্বয়ে শেষ পর্যন্ত পার্থকেই জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী করা হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গোলাম নবী আলমগীরের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে ভোলা-১ আসনে জোটের অভ্যন্তরীণ সম্ভাব্য দ্বন্দ্বের অবসান ঘটল। এখন জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনী মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন স্থানীয় নেতা-কর্মীরা।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে
হাইওয়ে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ককে এআই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। এ জন্য মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ১ হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা।
৩ দিন আগে