
বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বরে ককটেলসদৃশ একটি বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটেছে। আজ বুধবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে আদালতের মূল ফটকের কাছে জুডিশিয়াল ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে কোনো হতাহত না হলেও বিচারপ্রার্থীসহ অন্যদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহসহ আদালতের বিচারকরা। ঘটনার পর আদালত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে।
আদালতের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম জানান, বিস্ফোরণের সময় বিকট শব্দ হয়। প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, ট্রান্সফরমার বা গাড়ির টায়ার বিস্ফোরিত হয়েছে। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে ককটেলসদৃশ বস্তুর বিস্ফোরণের বিষয়টি জানা যায়। এ সময় আদালত এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বিস্ফোরণের ধরন সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে কাচের গুঁড়া, প্লাস্টিক ও বারুদের উপকরণ সংগ্রহ করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম সিন ইউনিট।
এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, তাদের বোম্ব ডিসপোজাল টিম ঘটনাস্থলে এসে আলামত পরীক্ষা করার পর বিস্ফোরণটি কী ধরনের এবং এতে কোনো বোমা বা বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ঘটনাস্থল ঘুরে দেখা যায়, আদালতের মূল ফটকের ভেতরে বিস্ফোরণস্থলের মাটি বৃষ্টির কারণে ভেজা ও কিছুটা কর্দমাক্ত। মাটির ওপরের অংশ হলুদ হয়ে আছে। চারপাশে নিরাপত্তাবেষ্টনী তৈরি করে আলামত সংগ্রহের কাজ করেন সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটের সদস্যরা।
প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানান, অজ্ঞাতপরিচয় একজন বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এ সময় বিকট শব্দের সঙ্গে চারদিকে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পুরো এলাকা ঘিরে ফেলেন।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আল মামুন উল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হচ্ছে।’
বিএমপির উপপুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার বলেন, ‘সিআইডি টিম ঘটনাটি তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত বলা যাবে। আদালত এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।’
বরিশাল মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট নাজিম উদ্দীন আহমেদ পান্না বলেন, অগণতান্ত্রিক শক্তি এ নাশকতার পেছনে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বরে ককটেলসদৃশ একটি বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটেছে। আজ বুধবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে আদালতের মূল ফটকের কাছে জুডিশিয়াল ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে কোনো হতাহত না হলেও বিচারপ্রার্থীসহ অন্যদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহসহ আদালতের বিচারকরা। ঘটনার পর আদালত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট মোতায়েন করা হয়েছে।
আদালতের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম জানান, বিস্ফোরণের সময় বিকট শব্দ হয়। প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, ট্রান্সফরমার বা গাড়ির টায়ার বিস্ফোরিত হয়েছে। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে ককটেলসদৃশ বস্তুর বিস্ফোরণের বিষয়টি জানা যায়। এ সময় আদালত এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বিস্ফোরণের ধরন সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে কাচের গুঁড়া, প্লাস্টিক ও বারুদের উপকরণ সংগ্রহ করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম সিন ইউনিট।
এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, তাদের বোম্ব ডিসপোজাল টিম ঘটনাস্থলে এসে আলামত পরীক্ষা করার পর বিস্ফোরণটি কী ধরনের এবং এতে কোনো বোমা বা বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ঘটনাস্থল ঘুরে দেখা যায়, আদালতের মূল ফটকের ভেতরে বিস্ফোরণস্থলের মাটি বৃষ্টির কারণে ভেজা ও কিছুটা কর্দমাক্ত। মাটির ওপরের অংশ হলুদ হয়ে আছে। চারপাশে নিরাপত্তাবেষ্টনী তৈরি করে আলামত সংগ্রহের কাজ করেন সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিটের সদস্যরা।
প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানান, অজ্ঞাতপরিচয় একজন বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এ সময় বিকট শব্দের সঙ্গে চারদিকে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পুরো এলাকা ঘিরে ফেলেন।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আল মামুন উল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হচ্ছে।’
বিএমপির উপপুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার বলেন, ‘সিআইডি টিম ঘটনাটি তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত বলা যাবে। আদালত এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।’
বরিশাল মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট নাজিম উদ্দীন আহমেদ পান্না বলেন, অগণতান্ত্রিক শক্তি এ নাশকতার পেছনে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঢাকার সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকায় কিছু হাতবোমা ও বোমা তৈরির উপকরণ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বনগাঁও ইউনিয়নেও বোমাসদৃশ একটি প্রেসার কুকার উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল ও আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।
৪ ঘণ্টা আগে
আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদের পরই পুলিশ ওই ভবন ঘিরে ফেলে। ঢাকা থেকে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও সিটিটিসিকে ডাকা হয়। সবার উপস্থিতিতে রাতে শুরু হয় অভিযান। পরে ওই বাসায় আরও ৯টি পাইপ বোমা, গান পাউডার, সায়ানাইডসহ বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া যায়। আরিফের কাছে পাওয়া ছয়টিসহ সব মিলিয়ে ১৫টি পাইপ বোমা নিষ্ক্রিয় করে বোম্
৫ ঘণ্টা আগে
ঘটনার পর খবর পেয়ে তার ভাই ফরহাদসহ তিনভাই ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুলিবিদ্ধ ফখরুলকে উদ্ধার করে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
৫ ঘণ্টা আগে