
যশোর প্রতিনিধি

যশোরের বাঘারপাড়ায় নিজ ঘর থেকে এক গৃহবধূ ও তার ছয় বছরের ছেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৮ আগস্ট) রাতে উপজেলার খলশী গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ বলছে, ঘটনাটি সন্দেহজনক; ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।
নিহতরা হলেন খলশী গ্রামের জাফর শিকদারের ছেলে জাকির হোসেনের স্ত্রী জুবায়দা খাতুন (৩২) ও তাদের ছেলে জিসান (৬)।
বাঘারপাড়া থানার এসআই পলাশ বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে না। ময়নাতদন্তের আগে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।’
স্থানীয় পশু চিকিৎসক আক্তার হোসেন জানান, শনিবার রাত ৯টার দিকে তিনি খবর পান, জাকির হোসেনের স্ত্রী ও ছেলে ঘরের খাটের ওপর নিথর অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি জিসানের হাত-পা গামছা দিয়ে বাঁধা অবস্থায় দেখতে পান। একই খাটে তার মা জুবায়দার মরদেহও ছিল।
আক্তার হোসেন বলেন, ‘সে সময় জাকির বহরামপুর বাজারে তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ছিলেন। আর জুবায়দার গলায় একটি ওড়না পেচানো ছিল।’
পরে তিনি বিষয়টি জাকির হোসেনকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মা ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে।
জুবায়দার ছোট বোন পিনজিরা বলেন, ‘জাকির হোসেন দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। প্রায় এক বছর আগে তিনি দেশে ফিরে আসেন।’
স্থানীয় প্রতিবেশীরা জানান, জুবায়দার পরিবারের সঙ্গে কারও শত্রুতার কথা তারা জানেন না। তাদের ধারণা, জুবায়দা হয়তো ছেলেকে হত্যার পর আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।
বাঘারপাড়া থানার ওসি শাহ জালাল আলম বলেন, ‘ঘটনাটি সন্দেহজনক। মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই তাদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

যশোরের বাঘারপাড়ায় নিজ ঘর থেকে এক গৃহবধূ ও তার ছয় বছরের ছেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৮ আগস্ট) রাতে উপজেলার খলশী গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ বলছে, ঘটনাটি সন্দেহজনক; ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।
নিহতরা হলেন খলশী গ্রামের জাফর শিকদারের ছেলে জাকির হোসেনের স্ত্রী জুবায়দা খাতুন (৩২) ও তাদের ছেলে জিসান (৬)।
বাঘারপাড়া থানার এসআই পলাশ বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে মনে হচ্ছে না। ময়নাতদন্তের আগে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।’
স্থানীয় পশু চিকিৎসক আক্তার হোসেন জানান, শনিবার রাত ৯টার দিকে তিনি খবর পান, জাকির হোসেনের স্ত্রী ও ছেলে ঘরের খাটের ওপর নিথর অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি জিসানের হাত-পা গামছা দিয়ে বাঁধা অবস্থায় দেখতে পান। একই খাটে তার মা জুবায়দার মরদেহও ছিল।
আক্তার হোসেন বলেন, ‘সে সময় জাকির বহরামপুর বাজারে তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ছিলেন। আর জুবায়দার গলায় একটি ওড়না পেচানো ছিল।’
পরে তিনি বিষয়টি জাকির হোসেনকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মা ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে।
জুবায়দার ছোট বোন পিনজিরা বলেন, ‘জাকির হোসেন দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। প্রায় এক বছর আগে তিনি দেশে ফিরে আসেন।’
স্থানীয় প্রতিবেশীরা জানান, জুবায়দার পরিবারের সঙ্গে কারও শত্রুতার কথা তারা জানেন না। তাদের ধারণা, জুবায়দা হয়তো ছেলেকে হত্যার পর আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন।
বাঘারপাড়া থানার ওসি শাহ জালাল আলম বলেন, ‘ঘটনাটি সন্দেহজনক। মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই তাদের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অভিযান চালিয়ে বিদেশি দুটি পিস্তল, একটি বিদেশি রিভলবার, দুটি ম্যাগাজিন, ১১টি গুলি, তিনটি গুলির খোসা ও একটি হাতবোমা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া ৮৫ কেজি ৩৫ গ্রাম গাঁজা, ২ হাজার ৬৪১টি ইয়াবা ও ২৫ পুরিয়া হেরোইন উদ্ধার করা হয়।
১ দিন আগে
নিহত রাশেদুল ফুলপুর উপজেলার কৃষ্ণ মহেশপট্টি গ্রামের বাসিন্দা। বাবার সঙ্গে তিনি ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করতেন। তবে ইটভাটায় কাজ না থাকায় প্রায় দেড় মাস ধরে বাড়িতেই ছিলেন তিনি। এ সময় পাশের এলাকার তিন যুবকের সঙ্গে তার চলাফেরা ও আড্ডা বেড়ে যায়। তাদের সঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় শ্রমিক হিসেবেও কাজ করতেন রাশেদুল।
১ দিন আগে
সার পেতে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে এক পরিবেশকের গুদামে ভাঙচুর করেছেন ক্ষুব্ধ কৃষকেরা। একই দাবিতে জেলার ভূরুঙ্গামারীতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন কৃষকেরা। পর্যাপ্ত সার সরবরাহ ও কথিত সার সিন্ডিকেট ভাঙার দাবিতে লালমনিরহাটেও মহাসড়ক অবরোধ করা হয়েছে।
২ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে মামলা-মোকদ্দমা তুলনামূলক কম এবং এখানকার মানুষ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে থাকতে চান। সেই পরিবেশ ধরে রাখতে সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল আচরণ জরুরি।
২ দিন আগে