
উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

টানা বর্ষণের মধ্যে কক্সবাজারে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি মাদরাসার ওপর পাহাড়ধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে আটজনে দাঁড়িয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চলছে। হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসের ঘটনায় এখন পর্যন্ত আটজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে সাতজন শিক্ষার্থী এবং একজন শিক্ষক।’
তবে আহতের সংখ্যা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানাতে পারেননি আরআরআরসি কমিশনার। তিনি বলেন, ‘কতজন আহত হয়েছেন, সেটি এখনই বলতে পারছি না।’
এর আগে বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে উখিয়ার ৫ নম্বর ক্যাম্পের এ/৩ সাব-ব্লকে অবস্থিত একটি মহিলা হেফজখানায় (মাদরাসা) পাহাড়ধসের ঘটনাটি ঘটে। দুপুর আড়াইটার দিকে ৩ মাদরাসাছাত্রীকে নিহত এবং ১৪ ছাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল।
ঘটনার পরপর ওই ক্যাম্পের রোহিঙ্গা মাঝি (নেতা) দিল মোহাম্মদ বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার কর্মীরা পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। ভূমিধসের সময় হেফজখানার ভেতরে ৩০ জনের বেশি ছাত্রী ছিল।
দিল মোহাম্মদ বলেন, ‘ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা শিশুদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে; তাদের মধ্যে কয়েকজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। উদ্ধারকর্মী ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকেরা ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। হিফজখানার ভেতরে আরও অনেকে আটকা পড়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।’
উখিয়া থানার ওসি মুজিবুর রহমান বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত পাঁচজনের লাশ উদ্ধারের কথা জানতে পেরেছি। উদ্ধার কাজ চলছে, তবে হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে।’
এর আগে রোববার রাতে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সবচেয়ে বড় প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। প্রবল বর্ষণে আলাদা পাহাড় ধসে আটজন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে একই পরিবারের কয়েকজন সদস্যও ছিলেন। আহত হন আরও বেশ কয়েকজন।

টানা বর্ষণের মধ্যে কক্সবাজারে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি মাদরাসার ওপর পাহাড়ধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে আটজনে দাঁড়িয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চলছে। হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসের ঘটনায় এখন পর্যন্ত আটজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে সাতজন শিক্ষার্থী এবং একজন শিক্ষক।’
তবে আহতের সংখ্যা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানাতে পারেননি আরআরআরসি কমিশনার। তিনি বলেন, ‘কতজন আহত হয়েছেন, সেটি এখনই বলতে পারছি না।’
এর আগে বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে উখিয়ার ৫ নম্বর ক্যাম্পের এ/৩ সাব-ব্লকে অবস্থিত একটি মহিলা হেফজখানায় (মাদরাসা) পাহাড়ধসের ঘটনাটি ঘটে। দুপুর আড়াইটার দিকে ৩ মাদরাসাছাত্রীকে নিহত এবং ১৪ ছাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল।
ঘটনার পরপর ওই ক্যাম্পের রোহিঙ্গা মাঝি (নেতা) দিল মোহাম্মদ বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার কর্মীরা পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। ভূমিধসের সময় হেফজখানার ভেতরে ৩০ জনের বেশি ছাত্রী ছিল।
দিল মোহাম্মদ বলেন, ‘ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা শিশুদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে; তাদের মধ্যে কয়েকজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। উদ্ধারকর্মী ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকেরা ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। হিফজখানার ভেতরে আরও অনেকে আটকা পড়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।’
উখিয়া থানার ওসি মুজিবুর রহমান বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত পাঁচজনের লাশ উদ্ধারের কথা জানতে পেরেছি। উদ্ধার কাজ চলছে, তবে হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে।’
এর আগে রোববার রাতে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সবচেয়ে বড় প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। প্রবল বর্ষণে আলাদা পাহাড় ধসে আটজন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে একই পরিবারের কয়েকজন সদস্যও ছিলেন। আহত হন আরও বেশ কয়েকজন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, আবদুর রহমানের স্ত্রী ও তিন ছেলে দুবাইয়ে থাকেন। স্ত্রী বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন। কয়েকদিন ধরে বাবার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করতে না পেরে ছেলেরা সোমবার খোঁজ নিতে বলেন।
১০ ঘণ্টা আগে
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় এনসিপির ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ কর্মসূচি’ উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
১৩ ঘণ্টা আগে
হাসপাতালে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পর সেখানে হাজির হন ফরহাদ। হাসপাতালের ভেতরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে মনিরার বুকে ও পেটে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।
১ দিন আগে
সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের মিরারচর ও আকবরনগর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিমন বোস।
১ দিন আগে