
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র হিসেবে রোববার (৩ নভেম্বর) শপথ নিচ্ছেন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন।
বাংলাদেশ সচিবালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এদিন বেলা সাড়ে ১১টায় তাকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ।
অনুষ্ঠানে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। ডা. শাহাদাত হোসেনের শপথ গ্রহণ উপলক্ষে চট্টগ্রাম থেকেও অনেক নেতাকর্মী ঢাকা যাচ্ছেন।
ডা. শাহাদাতের একান্ত সচিব মারুফুল হক চৌধুরী বলেন, শপথ গ্রহণ শেষে চসিক মেয়র বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে যাবেন। সেখানে মাজার জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন তিনি। ৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম ফিরে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন চসিকের নতুন মেয়র।
গত ৮ অক্টোবর রাতে ডা. শাহাদাত হোসেনকে চসিক মেয়র ঘোষণা দিয়েছে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রশাসন শাখা। এর আগে ১ অক্টোবর ডা. শাহাদাত হোসেনকে চসিক মেয়র হিসেবে ঘোষণা দেয় চট্টগ্রামের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল। ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফল বাতিল চেয়ে দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এ রায় দেওয়া হয়।
ইসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের ১ অক্টোবরের আদেশে চসিক নির্বাচনে মেয়র পদে ‘নৌকা’ প্রতীকের প্রার্থী মো. রেজাউল করিম চৌধুরীকে নির্বাচিত ঘোষণা বাতিল করে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী শাহাদাত হোসেনকে নির্বাচিত মেয়র ঘোষণা করা হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালের ৩১ জানুয়ারির গেজেটে উল্লেখ করা নির্বাচনের ফলাফলের ১ নম্বর কলামের ১ নম্বর ক্রমিকের বিপরীতে ২ নম্বর কলামে ‘মো. রেজাউল করিম চৌধুরী’র পরিবর্তে ‘শাহাদাত হোসেন’ এবং ৩ নম্বর কলামে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের’ পরিবর্তে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’ দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হলো।
নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি মামলা করেছিলেন ডা. শাহাদাত। তার অভিযোগ, ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত চসিক নির্বাচনের ফলাফলে ইসি কর্মকর্তারা ‘কারচুপি’ করেছিলেন। তিনটি ভোটকেন্দ্রে তার শূন্য ভোট দেখানো হলেও তিনদিন পর ২৮টি কেন্দ্রে তার শূন্য ভোট দেখানো হয়-যা অবিশ্বাস্য ও অকল্পনীয়।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র হিসেবে রোববার (৩ নভেম্বর) শপথ নিচ্ছেন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন।
বাংলাদেশ সচিবালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এদিন বেলা সাড়ে ১১টায় তাকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ।
অনুষ্ঠানে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। ডা. শাহাদাত হোসেনের শপথ গ্রহণ উপলক্ষে চট্টগ্রাম থেকেও অনেক নেতাকর্মী ঢাকা যাচ্ছেন।
ডা. শাহাদাতের একান্ত সচিব মারুফুল হক চৌধুরী বলেন, শপথ গ্রহণ শেষে চসিক মেয়র বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে যাবেন। সেখানে মাজার জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন তিনি। ৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম ফিরে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন চসিকের নতুন মেয়র।
গত ৮ অক্টোবর রাতে ডা. শাহাদাত হোসেনকে চসিক মেয়র ঘোষণা দিয়েছে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রশাসন শাখা। এর আগে ১ অক্টোবর ডা. শাহাদাত হোসেনকে চসিক মেয়র হিসেবে ঘোষণা দেয় চট্টগ্রামের নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল। ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফল বাতিল চেয়ে দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এ রায় দেওয়া হয়।
ইসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের ১ অক্টোবরের আদেশে চসিক নির্বাচনে মেয়র পদে ‘নৌকা’ প্রতীকের প্রার্থী মো. রেজাউল করিম চৌধুরীকে নির্বাচিত ঘোষণা বাতিল করে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী শাহাদাত হোসেনকে নির্বাচিত মেয়র ঘোষণা করা হয়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালের ৩১ জানুয়ারির গেজেটে উল্লেখ করা নির্বাচনের ফলাফলের ১ নম্বর কলামের ১ নম্বর ক্রমিকের বিপরীতে ২ নম্বর কলামে ‘মো. রেজাউল করিম চৌধুরী’র পরিবর্তে ‘শাহাদাত হোসেন’ এবং ৩ নম্বর কলামে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের’ পরিবর্তে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’ দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হলো।
নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি মামলা করেছিলেন ডা. শাহাদাত। তার অভিযোগ, ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত চসিক নির্বাচনের ফলাফলে ইসি কর্মকর্তারা ‘কারচুপি’ করেছিলেন। তিনটি ভোটকেন্দ্রে তার শূন্য ভোট দেখানো হলেও তিনদিন পর ২৮টি কেন্দ্রে তার শূন্য ভোট দেখানো হয়-যা অবিশ্বাস্য ও অকল্পনীয়।

চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে আটকের কয়েক ঘণ্টা পর রাতেই ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। গতকাল রোববার দুপুরে আটকের পর মুচলেকা নিয়ে তাকে রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
যে ঘর লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে, সেটি রামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার মজুমদারের। গুলি ছোড়া যুবকের নাম সুমন মজুমদার। তিনি যুবদল নেতা আবদুস সাত্তার মজুমদারের ছোট ভাই। এলাকায় তিনি পৃথক ঘরে বসবাস করেন।
১ দিন আগে
রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় তাকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পরে সন্ধ্যায় যুবদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সহসভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
২ দিন আগে
এ সময় তাকে তার মায়ের সামনেই মারধর করা হয় বলে স্বজনদের অভিযোগ। তবে ডিবি পুলিশের দাবি, ওই যুবককে কোনো নির্যাতন করা হয়নি। বরং তার সঙ্গে ভালো আচরণ করা হয়েছে এবং তাকে খাবারও দেওয়া হয়েছিল।
২ দিন আগে