
বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবান শহরের যৌথখামার এলাকায় গোপন বৈঠককালে গ্রেপ্তার জামায়াত-শিবিরের ৭ সক্রিয় সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
শনিবার (২৯ জুন) সকালে বান্দরবান চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. নূরুল হক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন, মো. ইমরানুল হক (৩০), মো. শাহনেওয়াজ চৌধুরী (৩৬), হুমায়ূন কবির (৩৭), মো. মাহফুজুর রহমান (৪৬), নুরুল আবছার (২৮), ইউনুছ মিয়া (২৯) ও মো. আশরাফুল ইসলাম (৩০)। তারা সবাই জামায়াতের সক্রিয় সদস্য বলে জানা গেছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বান্দরবান শহরের যৌথ খামার এলাকায় একটি হোটেলে সন্ত্রাস, আইন শৃঙ্খলা রক্ষা ও জঙ্গী বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এসময় গোপন বৈঠক করাকালে ওই সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের প্রত্যেকের মোবাইলে রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিভিন্ন টেক্সট ম্যাসেজ, ভিডিও-অডিও বার্তা। এছাড়া, তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে হোটেল নিলাদ্রী থেকে বিভিন্ন জিহাদী বই, আওয়ামী সরকারকে উৎখাত কর" শিরোনামে ৫০টি লিফলেট, বান্দরবান উপজেলা-পৌরসভায় ২০২৪ সালে গণসংযোগের রিপোর্ট, দাওয়াত মুমিন জীবনের মিশন নামক লেকচারশীট, জামায়েত ইসলামী সহযোগী সদস্য ফরম, জামায়েত ইসলামী কর্তৃক প্রকাশিত লিফলেট উদ্ধার করা হয়। পরে গ্রেপ্তার করা আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে আদালতের বিচারক জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেন।
আসামিদের কারাগারে পাঠানোর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বান্দরবান চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জিআরও বিশ্বজিৎ সিংহ।

বান্দরবান শহরের যৌথখামার এলাকায় গোপন বৈঠককালে গ্রেপ্তার জামায়াত-শিবিরের ৭ সক্রিয় সদস্যকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
শনিবার (২৯ জুন) সকালে বান্দরবান চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. নূরুল হক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন, মো. ইমরানুল হক (৩০), মো. শাহনেওয়াজ চৌধুরী (৩৬), হুমায়ূন কবির (৩৭), মো. মাহফুজুর রহমান (৪৬), নুরুল আবছার (২৮), ইউনুছ মিয়া (২৯) ও মো. আশরাফুল ইসলাম (৩০)। তারা সবাই জামায়াতের সক্রিয় সদস্য বলে জানা গেছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বান্দরবান শহরের যৌথ খামার এলাকায় একটি হোটেলে সন্ত্রাস, আইন শৃঙ্খলা রক্ষা ও জঙ্গী বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এসময় গোপন বৈঠক করাকালে ওই সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের প্রত্যেকের মোবাইলে রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিভিন্ন টেক্সট ম্যাসেজ, ভিডিও-অডিও বার্তা। এছাড়া, তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে হোটেল নিলাদ্রী থেকে বিভিন্ন জিহাদী বই, আওয়ামী সরকারকে উৎখাত কর" শিরোনামে ৫০টি লিফলেট, বান্দরবান উপজেলা-পৌরসভায় ২০২৪ সালে গণসংযোগের রিপোর্ট, দাওয়াত মুমিন জীবনের মিশন নামক লেকচারশীট, জামায়েত ইসলামী সহযোগী সদস্য ফরম, জামায়েত ইসলামী কর্তৃক প্রকাশিত লিফলেট উদ্ধার করা হয়। পরে গ্রেপ্তার করা আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে আদালতের বিচারক জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেন।
আসামিদের কারাগারে পাঠানোর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বান্দরবান চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জিআরও বিশ্বজিৎ সিংহ।

চাকরি পুনর্বহাল, পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনসহ ১০ দফা দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন দেশের পাঁচটি ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আজ সোমবার সকালে নগরের কোতোয়ালি এলাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
২ দিন আগে
চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে আটকের কয়েক ঘণ্টা পর রাতেই ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। গতকাল রোববার দুপুরে আটকের পর মুচলেকা নিয়ে তাকে রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়।
২ দিন আগে
যে ঘর লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে, সেটি রামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার মজুমদারের। গুলি ছোড়া যুবকের নাম সুমন মজুমদার। তিনি যুবদল নেতা আবদুস সাত্তার মজুমদারের ছোট ভাই। এলাকায় তিনি পৃথক ঘরে বসবাস করেন।
২ দিন আগে
রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় তাকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পরে সন্ধ্যায় যুবদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সহসভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
২ দিন আগে