
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-২ (সদর) আসনে জামায়াত-এনসিপি নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) প্রার্থী মোহাম্মদ মজিবুর রহমান মঞ্জুর একটি নির্বাচনি কার্যালয় ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে ফেনী সদর উপজেলার মোটবী ইউনিয়নের ইজ্জতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মজিবুর রহমান মঞ্জু এক বিবৃতিতে এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আমার নির্বাচনি অফিসে যে ভাঙচুর চালানো হয়েছে, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমি শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনে একটি অফিস শুরু হওয়াতেই তারা আতঙ্কিত হয়ে উঠেছেন। সন্ত্রাস ও অপরাজনীতির মাধ্যমে জনগণের কণ্ঠ কখনো রুদ্ধ করা যায় না।’
দলীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি ফেনী সদর উপজেলার মোটবী ইউনিয়নের ইজ্জতপুর গ্রামে ‘ঈগল’ প্রতীকের প্রার্থী মজিবুর রহমান মঞ্জুর একটি নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয় চালু করা হয়। সেখানে ফেস্টুন ঝুলিয়ে, চেয়ার-টেবিল বসিয়ে নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন দলীয় নেতাকর্মীরা। গতকাল মধ্যরাতে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করে।
এ ছাড়া নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলায় বিষয়ে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজীম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তাদের নির্বাচনি কার্যালয়ের টেবিলের পাটাতন বাইরে পড়ে ছিল। কয়েকটি চেয়ার এলোমেলো ছিল। তবে প্রার্থী বা তার সমর্থকদের পক্ষ থেকে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-২ (সদর) আসনে জামায়াত-এনসিপি নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) প্রার্থী মোহাম্মদ মজিবুর রহমান মঞ্জুর একটি নির্বাচনি কার্যালয় ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে ফেনী সদর উপজেলার মোটবী ইউনিয়নের ইজ্জতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মজিবুর রহমান মঞ্জু এক বিবৃতিতে এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আমার নির্বাচনি অফিসে যে ভাঙচুর চালানো হয়েছে, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমি শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনে একটি অফিস শুরু হওয়াতেই তারা আতঙ্কিত হয়ে উঠেছেন। সন্ত্রাস ও অপরাজনীতির মাধ্যমে জনগণের কণ্ঠ কখনো রুদ্ধ করা যায় না।’
দলীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি ফেনী সদর উপজেলার মোটবী ইউনিয়নের ইজ্জতপুর গ্রামে ‘ঈগল’ প্রতীকের প্রার্থী মজিবুর রহমান মঞ্জুর একটি নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয় চালু করা হয়। সেখানে ফেস্টুন ঝুলিয়ে, চেয়ার-টেবিল বসিয়ে নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন দলীয় নেতাকর্মীরা। গতকাল মধ্যরাতে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করে।
এ ছাড়া নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলায় বিষয়ে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজীম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তাদের নির্বাচনি কার্যালয়ের টেবিলের পাটাতন বাইরে পড়ে ছিল। কয়েকটি চেয়ার এলোমেলো ছিল। তবে প্রার্থী বা তার সমর্থকদের পক্ষ থেকে আজ বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে