
প্রতিনিধি, কুমিল্লা

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার আকুবপুর ইয়াকুব আলী ভূঁইয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ছয় শিক্ষার্থীর নামে করা মামলা প্রত্যাহার এবং প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ছাত্র-ছাত্রী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
বিদ্যালয় মাঠে মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) আয়োজিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে এ প্রতিবাদ জানান তারা। এ ছাড়া মামলার বাদী সহকারী প্রধান শিক্ষক শিখা রাণী রায়ের পদত্যাগ দাবি করা হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক শিখা রাণী রায় নিয়োগের পর থেকেই বিদ্যালয়ে বিভিন্ন অনিয়মের পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছেন। কয়েকজন ছাত্রকে চুল কেটে অপমান করে স্কুল থেকে বের করে দিয়েছেন। এ শিক্ষক বিদ্যালয়ের ছয় শিক্ষার্থী, সাবেক সভাপতিসহ কমিটির পাঁচ সদস্য এবং সাত অভিভাবকের নামে মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন। এছাড়া তিনি বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলীর যোগসাজশে প্রায় চার লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এতো কিছুর পরও তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কয়েকদিন আগে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মিথ্যাচার করে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। এ বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হলে তাকে অব্যাহতি দিতে হবে।
সমাবেশে বক্তব্য দেন ইউপি সদস্য ছালাউদ্দিন খান, প্রাক্তন ছাত্র শংকর চন্দ্র পাল, সুধীর চন্দ্র বণিক, বিদ্যালয়ের শিক্ষক কৃষ্ণ পদ চক্রবর্তী, সাবেক ছাত্র আবদুস ছাত্তার, নাছির উদ্দিন নয়নসহ অনেকে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিখা রাণী রায় বলেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি ষড়যন্ত্রের শিকার।
এ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিল্লাল হোসেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়ার বাবা।

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার আকুবপুর ইয়াকুব আলী ভূঁইয়া পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ছয় শিক্ষার্থীর নামে করা মামলা প্রত্যাহার এবং প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ছাত্র-ছাত্রী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
বিদ্যালয় মাঠে মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) আয়োজিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে এ প্রতিবাদ জানান তারা। এ ছাড়া মামলার বাদী সহকারী প্রধান শিক্ষক শিখা রাণী রায়ের পদত্যাগ দাবি করা হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক শিখা রাণী রায় নিয়োগের পর থেকেই বিদ্যালয়ে বিভিন্ন অনিয়মের পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছেন। কয়েকজন ছাত্রকে চুল কেটে অপমান করে স্কুল থেকে বের করে দিয়েছেন। এ শিক্ষক বিদ্যালয়ের ছয় শিক্ষার্থী, সাবেক সভাপতিসহ কমিটির পাঁচ সদস্য এবং সাত অভিভাবকের নামে মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন। এছাড়া তিনি বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলীর যোগসাজশে প্রায় চার লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এতো কিছুর পরও তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কয়েকদিন আগে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মিথ্যাচার করে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। এ বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হলে তাকে অব্যাহতি দিতে হবে।
সমাবেশে বক্তব্য দেন ইউপি সদস্য ছালাউদ্দিন খান, প্রাক্তন ছাত্র শংকর চন্দ্র পাল, সুধীর চন্দ্র বণিক, বিদ্যালয়ের শিক্ষক কৃষ্ণ পদ চক্রবর্তী, সাবেক ছাত্র আবদুস ছাত্তার, নাছির উদ্দিন নয়নসহ অনেকে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিখা রাণী রায় বলেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি ষড়যন্ত্রের শিকার।
এ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিল্লাল হোসেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়ার বাবা।

চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে আটকের কয়েক ঘণ্টা পর রাতেই ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। গতকাল রোববার দুপুরে আটকের পর মুচলেকা নিয়ে তাকে রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
যে ঘর লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে, সেটি রামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার মজুমদারের। গুলি ছোড়া যুবকের নাম সুমন মজুমদার। তিনি যুবদল নেতা আবদুস সাত্তার মজুমদারের ছোট ভাই। এলাকায় তিনি পৃথক ঘরে বসবাস করেন।
১ দিন আগে
রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় তাকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পরে সন্ধ্যায় যুবদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সহসভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
২ দিন আগে
এ সময় তাকে তার মায়ের সামনেই মারধর করা হয় বলে স্বজনদের অভিযোগ। তবে ডিবি পুলিশের দাবি, ওই যুবককে কোনো নির্যাতন করা হয়নি। বরং তার সঙ্গে ভালো আচরণ করা হয়েছে এবং তাকে খাবারও দেওয়া হয়েছিল।
২ দিন আগে