
চট্টগ্রাম ব্যুরো

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ফ্যাসিবাদ ও বিশৃঙ্খলা মোকাবিলায় হেফাজতে ইসলাম যেভাবে বিএনপির পাশে ছিল, ভবিষ্যতেও সেভাবে পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বলেছেন, আগামী দিনেও আমরা একসঙ্গে থাকব। হেফাজত ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে হেফাজতে ইসলামও ৯ দফা দাবি তুলে ধরেছে। মহান আল্লাহ, রাসুল (সা.), পবিত্র কোরআন ও ইসলাম ধর্মের অবমাননা রোধে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান আইন পাসের পাশাপাশি কোরআন ও সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো আইন পাস না করা এবং মওলাদা সা’দ কান্ধলভির অনুসারীদের টঙ্গির ময়দানে ইজতেমা আয়োজন না করতে দেওয়ার মতো দাবি রয়েছে তাদের।
রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া বাবুনগর মাদরাসায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীসহ জ্যেষ্ঠ আলেমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি বলেন, ফটিকছড়ির বাবুনগরীতে হেফাজত আমিরের দোয়া নিতে এসেছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত নির্বাচনে আপনারা একসঙ্গে থেকে কাজ করেছেন। ফলে বিপদ থেকে আমরা দেশকে মুক্ত করেছি। তবে সমস্যা শেষ হয়নি। ফ্যাসিবাদের সময় দেখেছেন, অনেক অর্থ লুট করা হয়েছে। নির্বাচনের পরও আমরা অনেক সমস্যা দেখতে পেয়েছি।
তারেক রহমান বলেন, এখানে হাসপাতালের সমস্যা রয়েছে, শিক্ষার সমস্যা রয়েছে। স্কুল-কলেজ ও কর্মসংস্থানের দাবি আছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যাও রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে আমরা কাজ করব। বিগত ফ্যাসিবাদের সময় দেশে নিজেদের গ্যাস আছে কি না, সেটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হয়নি। এমন হয়েছে, অন্য দেশ বাংলাদেশ থেকে গ্যাস নিয়ে গেছে। আমরা গ্যাস সমস্যার সমাধানে কাজ শুরু করেছি।
এদিকে হেফাজতে ইসলামের আমিরসহ শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে লিখিত ৯ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে মহাসচিব মুহাম্মাদ সাজেদুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর হাতে একটি অভিনন্দনপত্র তুলে দেন, যেখাকে তাদের দাবিদাওয়াগুলো উল্লেখ রয়েছে।

হেফাজতে ইসলামের ৯ দফা দাবি হলো—
অভিনন্দনপত্রে চট্টগ্রাম জেলার ঐতিহাসিক জনপদ ফটিকছড়ির বাবুনগর পুণ্যভূমিতে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে উলামায়ে কেরাম ও জনগণের পক্ষ থেকে তাকে ‘প্রাণঢালা মহব্বত ও আন্তরিক মোবারকবাদ’ জানানো হয়। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও সাবেক আমির আল্লামা হাফেজ জুনায়েদ বাবুনগরীসহ ‘ইসলাম ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামে আত্মত্যাগী সব শহিদ’কে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় এতে।
এর আগে বিকেল ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টার ফটিকছড়ি উপজেলার পাইন্দং এলাকায় অবতরণ করে। পরে সড়কপথে প্রায় ৮ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বাবুনগর মাদরাসায় পৌঁছান তারেক রহমান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ফ্যাসিবাদ ও বিশৃঙ্খলা মোকাবিলায় হেফাজতে ইসলাম যেভাবে বিএনপির পাশে ছিল, ভবিষ্যতেও সেভাবে পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বলেছেন, আগামী দিনেও আমরা একসঙ্গে থাকব। হেফাজত ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে হেফাজতে ইসলামও ৯ দফা দাবি তুলে ধরেছে। মহান আল্লাহ, রাসুল (সা.), পবিত্র কোরআন ও ইসলাম ধর্মের অবমাননা রোধে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান আইন পাসের পাশাপাশি কোরআন ও সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো আইন পাস না করা এবং মওলাদা সা’দ কান্ধলভির অনুসারীদের টঙ্গির ময়দানে ইজতেমা আয়োজন না করতে দেওয়ার মতো দাবি রয়েছে তাদের।
রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া বাবুনগর মাদরাসায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীসহ জ্যেষ্ঠ আলেমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি বলেন, ফটিকছড়ির বাবুনগরীতে হেফাজত আমিরের দোয়া নিতে এসেছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত নির্বাচনে আপনারা একসঙ্গে থেকে কাজ করেছেন। ফলে বিপদ থেকে আমরা দেশকে মুক্ত করেছি। তবে সমস্যা শেষ হয়নি। ফ্যাসিবাদের সময় দেখেছেন, অনেক অর্থ লুট করা হয়েছে। নির্বাচনের পরও আমরা অনেক সমস্যা দেখতে পেয়েছি।
তারেক রহমান বলেন, এখানে হাসপাতালের সমস্যা রয়েছে, শিক্ষার সমস্যা রয়েছে। স্কুল-কলেজ ও কর্মসংস্থানের দাবি আছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যাও রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে আমরা কাজ করব। বিগত ফ্যাসিবাদের সময় দেশে নিজেদের গ্যাস আছে কি না, সেটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হয়নি। এমন হয়েছে, অন্য দেশ বাংলাদেশ থেকে গ্যাস নিয়ে গেছে। আমরা গ্যাস সমস্যার সমাধানে কাজ শুরু করেছি।
এদিকে হেফাজতে ইসলামের আমিরসহ শীর্ষ আলেমদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে লিখিত ৯ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে মহাসচিব মুহাম্মাদ সাজেদুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর হাতে একটি অভিনন্দনপত্র তুলে দেন, যেখাকে তাদের দাবিদাওয়াগুলো উল্লেখ রয়েছে।

হেফাজতে ইসলামের ৯ দফা দাবি হলো—
অভিনন্দনপত্রে চট্টগ্রাম জেলার ঐতিহাসিক জনপদ ফটিকছড়ির বাবুনগর পুণ্যভূমিতে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে উলামায়ে কেরাম ও জনগণের পক্ষ থেকে তাকে ‘প্রাণঢালা মহব্বত ও আন্তরিক মোবারকবাদ’ জানানো হয়। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও সাবেক আমির আল্লামা হাফেজ জুনায়েদ বাবুনগরীসহ ‘ইসলাম ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামে আত্মত্যাগী সব শহিদ’কে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় এতে।
এর আগে বিকেল ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টার ফটিকছড়ি উপজেলার পাইন্দং এলাকায় অবতরণ করে। পরে সড়কপথে প্রায় ৮ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বাবুনগর মাদরাসায় পৌঁছান তারেক রহমান।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
২০ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মাদারগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জামিনুর ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।
১ দিন আগে