
ফেনী প্রতিনিধি

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ফেনী–৩ (সোনাগাজী–দাগনভুঁঞা) আসনে দলীয় প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় তাঁর নির্বাচনী ও সব ধরনের প্রচারণা কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেছেন। একইসঙ্গে, তিনি দেশবাসীর কাছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্য বিশেষভাবে দোয়া করার আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার সোনাগাজীর কেন্দ্রীয় মসজিদে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলে অংশ নিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।
জানা যায়, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় দলের নেতা–কর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় মিন্টু শনিবার ও রবিবারের দিনব্যাপী সোনাগাজী উপজেলার পূর্বনির্ধারিত গণসংযোগ, সভা–সমাবেশসহ সব কর্মসূচি স্থগিত করেন।
এ সময় আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, “আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ জীবন–মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। এই মুহূর্তে রাজনীতি বা নির্বাচনী কার্যক্রমের চেয়ে তাঁর সুস্থতা আমাদের কাছে অধিক গুরুত্বপূর্ণ। আমি ব্যক্তিগত এবং দলের সব প্রচারণা স্থগিত ঘোষণা করছি।”
তিনি আরও বলেন, “দেশবাসীর কাছে বিনীত অনুরোধ, সবাই আমাদের প্রিয় নেত্রীর জন্য দোয়া করুন। মহান আল্লাহ যেন তাঁকে দ্রুত সুস্থ করে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দেন।”
সোনাগাজী উপজেলা বিএনপি সূত্র জানায়, প্রচারণা স্থগিতের পর মিন্টু সোনাগাজী কেন্দ্রীয় বড় মসজিদে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সমবায় দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, সোনাগাজী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জয়নাল আবদিন বাবলু, সদস্য সচিব সৈয়দ আলম ভূইয়া, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব নঈম উল্লাহ চৌধুরী বরাত, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক সামছুদ্দিন খোকন, কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা শামসুল আলম রানা, হাবিবুর রহমান হাবিব, জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা আমির মো. মোস্তফা, পৌর আমির কালিম উল্লাহ, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মঞ্জুর হোসেন বাবর, সদস্য সচিব নিজাম উদ্দিন, বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক খুরশিদ আলম ভূইয়া, নবাবপুর ইউপি চেয়ারম্যান জহিরুল আলমসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ফেনী–৩ (সোনাগাজী–দাগনভুঁঞা) আসনে দলীয় প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় তাঁর নির্বাচনী ও সব ধরনের প্রচারণা কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেছেন। একইসঙ্গে, তিনি দেশবাসীর কাছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্য বিশেষভাবে দোয়া করার আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার সোনাগাজীর কেন্দ্রীয় মসজিদে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলে অংশ নিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।
জানা যায়, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় দলের নেতা–কর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় মিন্টু শনিবার ও রবিবারের দিনব্যাপী সোনাগাজী উপজেলার পূর্বনির্ধারিত গণসংযোগ, সভা–সমাবেশসহ সব কর্মসূচি স্থগিত করেন।
এ সময় আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, “আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ জীবন–মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। এই মুহূর্তে রাজনীতি বা নির্বাচনী কার্যক্রমের চেয়ে তাঁর সুস্থতা আমাদের কাছে অধিক গুরুত্বপূর্ণ। আমি ব্যক্তিগত এবং দলের সব প্রচারণা স্থগিত ঘোষণা করছি।”
তিনি আরও বলেন, “দেশবাসীর কাছে বিনীত অনুরোধ, সবাই আমাদের প্রিয় নেত্রীর জন্য দোয়া করুন। মহান আল্লাহ যেন তাঁকে দ্রুত সুস্থ করে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দেন।”
সোনাগাজী উপজেলা বিএনপি সূত্র জানায়, প্রচারণা স্থগিতের পর মিন্টু সোনাগাজী কেন্দ্রীয় বড় মসজিদে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সমবায় দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন, সোনাগাজী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জয়নাল আবদিন বাবলু, সদস্য সচিব সৈয়দ আলম ভূইয়া, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব নঈম উল্লাহ চৌধুরী বরাত, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক সামছুদ্দিন খোকন, কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা শামসুল আলম রানা, হাবিবুর রহমান হাবিব, জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা আমির মো. মোস্তফা, পৌর আমির কালিম উল্লাহ, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মঞ্জুর হোসেন বাবর, সদস্য সচিব নিজাম উদ্দিন, বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক খুরশিদ আলম ভূইয়া, নবাবপুর ইউপি চেয়ারম্যান জহিরুল আলমসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

মন্ত্রী বলেন, “আমাদের কাজ শুরু হয়ে গেছে। আপনাদের এলাকায় যত রাস্তাঘাট ও সেতু রয়েছে, ইনশাআল্লাহ পাঁচ বছরের মধ্যে সব সম্পন্ন করা হবে। তিন মাসে যে কাজ হয়েছে, আওয়ামী লীগের ১৫ বছরেও তা হয়নি।”
১ দিন আগে
বিজিবি জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে।
১ দিন আগে
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১ দিন আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে